<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>BARIDBORAN GHOSH | বারিদবরণ ঘোষ - Parul Prakashani Pvt. Ltd.</title>
	<atom:link href="https://parulprakashani.in/product-author/baridboran-ghosh/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://parulprakashani.in/product-author/baridboran-ghosh/</link>
	<description>Best Bengali Book Publishers</description>
	<lastBuildDate>Fri, 08 May 2026 12:28:40 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.0</generator>

<image>
	<url>https://parulprakashani.in/wp-content/uploads/2026/04/cropped-Logo-copy-32x32.png</url>
	<title>BARIDBORAN GHOSH | বারিদবরণ ঘোষ - Parul Prakashani Pvt. Ltd.</title>
	<link>https://parulprakashani.in/product-author/baridboran-ghosh/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>সঞ্চয়িতা &#124;&#124; SANCHAITA</title>
		<link>https://parulprakashani.in/product/sanchaita/</link>
					<comments>https://parulprakashani.in/product/sanchaita/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Apr 2026 04:58:20 +0000</pubDate>
				<guid isPermaLink="false">https://parulprakashani.in/?post_type=product&#038;p=2025</guid>

					<description><![CDATA[<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</p>
<p>সংকলন মাত্রেরই নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকে। চয়নিকা (১৯০৯) যখন প্রথম প্রকাশিত হয়, তখন তার আগে পর্যন্ত যে ক-টি কাব‌্যগ্রন্থ বেরিয়েছে সেগুলি থেকে চয়ন করে একশো তিরিশটি কবিতা গ্রহণ করা হয়।... এলাহাবাদের ইন্ডিয়ান প্রেসে মুদ্রিত চয়নিকা জনসমাদর লাভে বঞ্চিত হয়নি। এরপর বিশ্বভারতী যখন তৃতীয় সংস্করণ চয়নিকা (১৯২৫) প্রকাশের দায়িত্ব নেয়, তখন তাতে শুধু কবিতার সংখ‌্যাই বাড়ানো হয়নি, কবিতা নির্বাচনের রীতিরও বদল হয়েছে।... নব-কলেবর চয়নিকা-কে রবীন্দ্রনাথ মেনে নিলেও কবিতা-নির্বাচনের পদ্ধতি সম্ভবত রবীন্দ্রনাথের ভালো লাগেনি।... চয়নিকা বাজারে থাকা সত্ত্বেও রবীন্দ্রনাথ নতুন কবিতা-সংকলনের কথা ভেবেছেন। আর তারই ফলে সঞ্চয়িতা-র পরিকল্পনা। এবার কবিতাগুলো সংকলনের ভার কবি নিজে নিয়েছেন।...সঞ্চয়িতা প্রথম প্রকাশের (১৯৩১) পর অন‌্যদের কথা সুরে থাক, রবীন্দ্রনাথেরও মনে হয়েছে, অনেক ভালো কবিতা সংকলনের বাইরে পড়ে রইল। পরের দুটি সংস্করণে কিছু গ্রহণ-বর্জন সত্ত্বেও রবীন্দ্রনাথের অতৃপ্তি যায়নি।... বিশ্বভারতী প্রকাশিত সঞ্চয়িতা-র সীমাবদ্ধতা (যে-সীমাবদ্ধতার কথা রবীন্দ্রনাথ নিজে ১৩৩৮ বঙ্গাব্দের পৌষ মাসে লেখা ভূমিকায় জানিয়েছেন) মনে রেখেও সঞ্চয়িতা-র যেহেতু কোনো বিকল্প নেই, আমরা সঞ্চয়িতা পুনর্মুদ্রণের কাজে অগ্রসর হয়েছি।...স্থান সংকুলানের বাধ‌্যতায় ‘সংযোজন’ অংশে মাত্র আঠারোটি কবিতা রাখতে সক্ষম হয়েছি।... ‘পাঠ-পরিচয়’ অংশে যেখানে পাওয়া গেছে সেখানে রবীন্দ্রনাথের নিজের দেওয়া কাব‌্যব‌্যাখ‌্যা. অন‌্যক্ষেত্রে বিশিষ্ট সমালোকদের মন্তব‌্য সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। হয়েতা রবীন্দ্রকাব‌্য-প্রবেশিকা হিসেবে এই অংশের কিছু মূল‌্য আছে।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in/product/sanchaita/">সঞ্চয়িতা || SANCHAITA</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in">Parul Prakashani Pvt. Ltd.</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</p>
<p>সংকলন মাত্রেরই নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকে। <em>চয়নিকা</em> (১৯০৯) যখন প্রথম প্রকাশিত হয়, তখন তার আগে পর্যন্ত যে ক-টি কাব‌্যগ্রন্থ বেরিয়েছে সেগুলি থেকে চয়ন করে একশো তিরিশটি কবিতা গ্রহণ করা হয়।&#8230; এলাহাবাদের ইন্ডিয়ান প্রেসে মুদ্রিত <em>চয়নিকা</em> জনসমাদর লাভে বঞ্চিত হয়নি। এরপর বিশ্বভারতী যখন তৃতীয় সংস্করণ চয়নিকা (১৯২৫) প্রকাশের দায়িত্ব নেয়, তখন তাতে শুধু কবিতার সংখ‌্যাই বাড়ানো হয়নি, কবিতা নির্বাচনের রীতিরও বদল হয়েছে।&#8230; নব-কলেবর <em>চয়নিকা</em>-কে রবীন্দ্রনাথ মেনে নিলেও কবিতা-নির্বাচনের পদ্ধতি সম্ভবত রবীন্দ্রনাথের ভালো লাগেনি।&#8230; <em>চয়নিকা </em>বাজারে থাকা সত্ত্বেও রবীন্দ্রনাথ নতুন কবিতা-সংকলনের কথা ভেবেছেন। আর তারই ফলে <em>সঞ্চয়িতা</em>-র পরিকল্পনা। এবার কবিতাগুলো সংকলনের ভার কবি নিজে নিয়েছেন।&#8230;<em>সঞ্চয়িতা</em> প্রথম প্রকাশের (১৯৩১) পর অন‌্যদের কথা সুরে থাক, রবীন্দ্রনাথেরও মনে হয়েছে, অনেক ভালো কবিতা সংকলনের বাইরে পড়ে রইল। পরের দুটি সংস্করণে কিছু গ্রহণ-বর্জন সত্ত্বেও রবীন্দ্রনাথের অতৃপ্তি যায়নি।&#8230; বিশ্বভারতী প্রকাশিত <em>সঞ্চয়িতা</em>-র সীমাবদ্ধতা (যে-সীমাবদ্ধতার কথা রবীন্দ্রনাথ নিজে ১৩৩৮ বঙ্গাব্দের পৌষ মাসে লেখা ভূমিকায় জানিয়েছেন) মনে রেখেও <em>সঞ্চয়িতা</em>-র যেহেতু কোনো বিকল্প নেই, আমরা <em>সঞ্চয়িতা</em> পুনর্মুদ্রণের কাজে অগ্রসর হয়েছি।&#8230;স্থান সংকুলানের বাধ‌্যতায় ‘সংযোজন’ অংশে মাত্র আঠারোটি কবিতা রাখতে সক্ষম হয়েছি।&#8230; ‘পাঠ-পরিচয়’ অংশে যেখানে পাওয়া গেছে সেখানে রবীন্দ্রনাথের নিজের দেওয়া কাব‌্যব‌্যাখ‌্যা. অন‌্যক্ষেত্রে বিশিষ্ট সমালোকদের মন্তব‌্য সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। হয়েতা রবীন্দ্রকাব‌্য-প্রবেশিকা হিসেবে এই অংশের কিছু মূল‌্য আছে।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in/product/sanchaita/">সঞ্চয়িতা || SANCHAITA</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in">Parul Prakashani Pvt. Ltd.</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://parulprakashani.in/product/sanchaita/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আদি কলকাতার ভূতুড়ে বাড়ি &#124;&#124; ADI KOLKATAR BHOOTURE BARI &#124;&#124; BARIDBORAN GHOSH</title>
		<link>https://parulprakashani.in/product/adi-kolkatar-bhooture-bari/</link>
					<comments>https://parulprakashani.in/product/adi-kolkatar-bhooture-bari/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 22 Jan 2026 09:57:09 +0000</pubDate>
				<guid isPermaLink="false">https://parulprakashani.in/?post_type=product&#038;p=20584</guid>

					<description><![CDATA[<p>কলকাতা মানে স্মৃতির পরতে জমে থাকা স্মৃতি, প্রজন্মের পর প্রজন্ম- জমে থাকা দীর্ঘশ্বাস। এই শহরের অলিতে গলিতে যেমন ইতিহাস হেঁটে বেড়ায়, তেমনই নিঃশব্দে ঘুরে বেড়ায় তার অশরীরী বাসিন্দারাও।<br />
সাহেব ভূত থেকে শুরু করে কুকুর ভূত, রাইটার্সের ভূত থেকে শুরু করে হাইকোর্ট, জিপিও, জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির ভূত- নানান কিসিমের ভৌতিক অভিজ্ঞতায় ভরপুর বইটি ছোটো-বড়ো সব পাঠককে মুগ্ধ করবেই।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in/product/adi-kolkatar-bhooture-bari/">আদি কলকাতার ভূতুড়ে বাড়ি || ADI KOLKATAR BHOOTURE BARI || BARIDBORAN GHOSH</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in">Parul Prakashani Pvt. Ltd.</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নগর কলকাতা শুধুই বর্তমান ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানী কিংবা অতীতে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী হিসেবে বিশ্ববরেণ্য একটি শহরমাত্র নয়, কলকাতা মানে স্মৃতির পরতে জমে থাকা স্মৃতি, প্রজন্মের পর প্রজন্ম- জমে থাকা দীর্ঘশ্বাস। এই শহরের অলিতে-গলিতে যেমন ইতিহাস হেঁটে বেড়ায়, তেমনই নিঃশব্দে ঘুরে বেড়ায় তার অশরীরী বাসিন্দারাও। বারিদবরণ ঘোষের আদি কলকাতার ভূতুড়ে বাড়ি সেই অদেখা, অজানা কলকাতারই এক বন্ধ দরজা খুলে দিল।</p>
<p>এটি কি ভূত নিয়ে নানান গল্পের বই? না কি ইতিহাস ছুঁয়ে-ছুঁয়ে অনুধাবন করতে চাওয়া মহানগরের অপার্থিব অশরীরী জগৎ? এ বই আসলে কলকাতা মহানগরীর ঔপনিবেশিক স্থাপত্য, ইতিহাস, সাহিত্যিক স্মৃতি ও লোকবিশ্বাসের এক অপূর্ব মেলবন্ধন।</p>
<p>বইয়ের প্রথমেই লেখক আমাদের নিয়ে যান কলকাতার বিতর্কিত বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন ভবনের ভেতরে- হেস্টিংস হাউস, ন্যাশনাল লাইব্রেরি, হাইকোর্ট, রাইটার্স বিল্ডিং, জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি, মাঝেরহাট ব্রিজ। বিশেষ স্মর্তব্য যে, ভূতেরা এখানে ভয় দেখাতে আসে না; তারা আসে অতৃপ্ত ইতিহাস কিংবা অপূর্ণ ইচ্ছা হয়ে, অপরাধবোধ ও স্মৃতির প্রলম্বিত ছায়া হয়ে।</p>
<p>দ্বিতীয় অংশে, লেখক নিজেই হয়ে ওঠেন ভৌতিক ও অলৌকিক ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী। এখানে লেখকের ভাষা সকৌতুক, ভাষা পরিহাসমিশ্রিত, দৃষ্টিভঙ্গি যেন কোনও অজ্ঞেয়বাদীর। নিজের চোখে দেখা বিভিন্ন ভূতের (যেমন কুকুর ভূত, পেত্নী, মুসলমানি ভূত কিংবা দিনের আলোয় দেখা ভূতের অভিজ্ঞতা) কথা যেমন আছে, তেমনই আছে সংশয়।</p>
<p>এরপরেই বইটির অন্যতম চমকপ্রদ অংশ- আধুনিক শিল্পী-সাহিত্যিকদের ভূত দর্শন! শক্তি চট্টোপাধ্যায়, সমরেশ বসু, সুচিত্রা মিত্র থেকে শুরু করে তপন সিংহ, মৃণাল সেন- স্বনামধন্যদের অলৌকিক অভিজ্ঞতা আমাদের জানায় যে, ভূত কেবল অশিক্ষিত মস্তিষ্কের অজ্ঞতাপ্রসূত উর্বর কল্পনা নয়; সৃজনশীল মানসেও দিব্যি হতে পারে ভূতের চাষবাস!</p>
<p>বইটির শেষ ভাগে পৌঁছে আমরা পাব বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কলকাত্তাইয়া ভূতেদের গল্প- পরশুরাম থেকে সত্যজিৎ রায় পর্যন্ত। এখানে লেখক নিজে গল্প বলেন না, বরং পাঠককে বুঝিয়ে দেন-কলকাতার ভূত বঙ্গসাহিত্যেরই এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।</p>
<p>যাঁরা কলকাতাকে ভালোবাসেন, যাঁরা মহানগরীর সাংস্কৃতিক ইতিহাসে আগ্রহী এবং যাঁরা ভূতের গল্প পড়ে ভয় পেতে ভালোবাসেন, আদি কলকাতার ভূতুড়ে বাড়ি তাঁদের জন্য এক আকর্ষক পাঠ।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in/product/adi-kolkatar-bhooture-bari/">আদি কলকাতার ভূতুড়ে বাড়ি || ADI KOLKATAR BHOOTURE BARI || BARIDBORAN GHOSH</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in">Parul Prakashani Pvt. Ltd.</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://parulprakashani.in/product/adi-kolkatar-bhooture-bari/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গাঁইয়ার আপনকথা &#124;&#124; GAIYAR APANKATHA</title>
		<link>https://parulprakashani.in/product/gaiyar-apankatha/</link>
					<comments>https://parulprakashani.in/product/gaiyar-apankatha/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 09 Jan 2026 11:45:34 +0000</pubDate>
				<guid isPermaLink="false">https://parulprakashani.in/?post_type=product&#038;p=20220</guid>

					<description><![CDATA[<p>ব্যক্তিগত স্মৃতির ঊর্ধ্বে উঠে এই আত্মজীবনী বিংশ শতাব্দীর প্রথম অর্ধে ক্রমশ বদলে যেতে থাকা গ্রামবাংলার সামাজিক, শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক জীবনের এক ব্যতিক্রমী দলিল।</p>
<p>সেই সময়ের গ্রামীণ জীবন, সংস্কার, কুসংস্কার, পারিবারিক বন্ধন- ছবির মতো ভেসে ওঠে পাঠকের চোখের সামনে। লেখকের অনবদ্য বর্ণনাশৈলী সবকিছুকেই এমন এক পরিহাসাশ্রিত শ্লেষের ঢঙে পরিবেশন করে যে, প্রতিটি পৃষ্ঠাই হয়ে ওঠে পাঠযোগ্য।</p>
<p>সব মিলিয়ে, গাঁইয়ার আপনকথা আত্মজীবনীর আড়ালে বহুস্বরিক এক ভাষ্য- ব্যক্তিবিশেষের জীবনকথা হয়েও যা সমকালীন মানুষ ও সমাজের কথা বলে অকপটে।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in/product/gaiyar-apankatha/">গাঁইয়ার আপনকথা || GAIYAR APANKATHA</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in">Parul Prakashani Pvt. Ltd.</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শুধুই শ্রুতকীর্তি অধ্যাপক কিংবা কিংবদন্তি প্রাবন্ধিক-সম্পাদক-সাহিত্য সমালোচক হিসেবেই নয়, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ-এর ভূতপূর্ব এই সভাপতি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ছাত্রদলকে অনুপ্রাণিত করে চলেছেন তাঁর আচার্যসুলভ জীবন এবং সত্যানুরাগী সহজ জীবনদর্শনের মাধ্যমে।</p>
<p>গাঁইয়ার আপনকথা বারিদবরণ ঘোষের আত্মজীবনী অবশ্যই; কিন্তু প্রকৃত প্রস্তাবে এটি গড়পড়তা যে-কোনো আত্মকথার থেকে অনেক বেশি কিছু। ব্যক্তিগত স্মৃতির উর্ধ্বে উঠে এই বইটি বিংশ শতাব্দীর প্রথম অর্ধে ক্রমশ বদলে যেতে থাকা গ্রামবাংলার সামাজিক, শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক জীবনের এক ব্যতিক্রমী দলিল। বইটি পড়তে পড়তে মনে হবে- নিজের জীবন অছিলামাত্র, সে জীবনকে অবলম্বন করে লেখক আসলে তুলে ধরতে চেয়েছেন তাঁর যাপিত সময় ও দৃষ্ট সমাজকে। সেই সময়ের গ্রামীণ জীবন, সংস্কার, কুসংস্কার, পারিবারিক বন্ধন- ছবির মতো ভেসে ওঠে পাঠকের চোখের সামনে। লেখকের অনবদ্য বর্ণনাশৈলী সবকিছুকেই এমন এক পরিহাসাশ্রিত শ্লেষের ঢঙে পরিবেশন করে যে, প্রতিটি পৃষ্ঠাই হয়ে ওঠে পাঠযোগ্য।</p>
<p>বইটির বড়ো অংশ জুড়ে আছে লেখকের শৈশব ও ছাত্রজীবনের কথা। প্রাইমারি স্কুলের পড়াশোনা, একসঙ্গে বহু শ্রেণির পাঠদান, চাটাই পেতে বসে লেখা, স্লেট- পেনসিল ও ঘরে তৈরি কালি প্রভৃতির বিবরণ বয়স্ক পাঠককে যেমন স্মৃতিমেদুর করে তোলে, তেমনই গবেষকের কাছে তা হয়ে ওঠে সেই সময়ের বাংলার গ্রামীণ শিক্ষাব্যবস্থার নির্ভরযোগ্য সাক্ষ্য ও নথি। শিক্ষকরা তখন শুধু পাঠদাতা নন, তাঁরা ছিলেন চরিত্রনির্মাতাও। মাস্টারমশায়দের শাসন, স্নেহ এব্যাক্তিত্ব লেখকের মানস গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিল।</p>
<p>লেখকের কৌতূহলী স্বভাব ও বিচিত্র বিষয়ে আগ্রহ তাঁকে জাদু, বিজ্ঞান, হাতের কাজ, বই বাঁধাই-পরিভ্রমণ করিয়েছে নানা বিচিত্র জগতে। এসেছে জাদু সম্রাট পি সি সরকারের প্রসঙ্গও। তাঁর দলের সামান্য কর্মী হিসেবে লেখকের অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতার কথা এ বই থেকে পাঠকের অন্যতম সেরা প্রাপ্তি। নিজের মায়ের সংগ্রাম, সাহস ও নিঃশব্দ দায়িত্ববোধ লেখক তুলে ধরেছেন সংযত ভাষায়।</p>
<p>সব মিলিয়ে, গাঁইয়ার আপনকথা বিশ শতকের প্রথমার্ধে গ্রামবাংলার এক বহুস্বরিক ভাষা- ব্যক্তিবিশেষের জীবনকথা হয়েও যা সমকালীন মানুষ ও সমাজের কথা বলে অকপটে।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in/product/gaiyar-apankatha/">গাঁইয়ার আপনকথা || GAIYAR APANKATHA</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in">Parul Prakashani Pvt. Ltd.</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://parulprakashani.in/product/gaiyar-apankatha/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রহস্যাবৃত ভাওয়াল সন্ন্যাসী / RAHSYABRITA BHAWAL SANYASI</title>
		<link>https://parulprakashani.in/product/rahsyabrita-bhawal-sanyasi/</link>
					<comments>https://parulprakashani.in/product/rahsyabrita-bhawal-sanyasi/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 30 Apr 2022 10:39:12 +0000</pubDate>
				<guid isPermaLink="false">https://parulprakashani.in/?post_type=product&#038;p=10836</guid>

					<description><![CDATA[<p>গত শতকের বিশ থেকে চল্লিশের দশক পর্যন্ত অবিভক্ত বাংলাদেশ এক রাজপরিবারের মামলা নিয়ে আলোড়িত হয় &#124; এর ঢেউ ভারতবর্ষ ছাড়িয়ে বিলেতের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত প্রসারিত হয় &#124; সেই রহস্যের বিচিত্র এবং সম্পুর্ন ইতিহাস , যাবতীয় নথিপত্র , দুষ্প্রাপ্য ছবি , নানান কবিতার উদ্ধার ইত্যাদি নিয়ে এই প্রথম বাংলায় লেখা হল</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in/product/rahsyabrita-bhawal-sanyasi/">রহস্যাবৃত ভাওয়াল সন্ন্যাসী / RAHSYABRITA BHAWAL SANYASI</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in">Parul Prakashani Pvt. Ltd.</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গত শতকের বিশ থেকে চল্লিশের দশক পর্যন্ত অবিভক্ত বাংলাদেশ এক রাজপরিবারের মামলা নিয়ে আলোড়িত হয় | এর ঢেউ ভারতবর্ষ ছাড়িয়ে বিলেতের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত প্রসারিত হয় | সেই রহস্যের বিচিত্র এবং সম্পুর্ন ইতিহাস , যাবতীয় নথিপত্র , দুষ্প্রাপ্য ছবি , নানান কবিতার উদ্ধার ইত্যাদি নিয়ে এই প্রথম বাংলায় লেখা হল</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in/product/rahsyabrita-bhawal-sanyasi/">রহস্যাবৃত ভাওয়াল সন্ন্যাসী / RAHSYABRITA BHAWAL SANYASI</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in">Parul Prakashani Pvt. Ltd.</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://parulprakashani.in/product/rahsyabrita-bhawal-sanyasi/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাময়িক পত্রের আলোকে প্রথম মহাযুদ্ধ / SAMAYIK PATRER ALOKE PRATHAM MAHAYUDDHA</title>
		<link>https://parulprakashani.in/product/samayik-patrer-aloke-pratham-mahayuddha/</link>
					<comments>https://parulprakashani.in/product/samayik-patrer-aloke-pratham-mahayuddha/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 26 May 2017 09:49:01 +0000</pubDate>
				<guid isPermaLink="false">https://parulprakashani.in/?post_type=product&#038;p=2027</guid>

					<description><![CDATA[<p>সংকলন ও সম্পাদনা বারিদবরণ ঘোষ</p>
<p>প্রথম মহাযুদ্ধের আরম্ভ ১৯১৪ সালের জুলাইয়ে। সেটা ১৩২১ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ মাস। সাত সমুদ্র তেরো নদী পেরিয়ে ভারতবর্ষের সে মহাসমরের সংবাদ এসে পৌঁছোয়। যুদ্ধের খবর প্রথম উল্লেখযোগ‌্যভাবে প্রকাশিত হয় ঠাকুরবাড়ির মাসিক পত্রিকা ভারতী-তে। তারপর একে একে ভারতবর্ষ, প্রবাসী, মাসিক বসুমতী, সমর-সংবাদ প্রভৃতি বিভিন্ন পত্রপত্রিকার মহাযুদ্ধের সংবাদ প্রকাশিত হতে থাকে। ভারতী—তেই সে বছর ‘বর্তমান ইউরোপীয় সমর’ নাম এক দীর্ঘ নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। বাংলা সাময়িক পত্রপত্রিকার যুদ্ধ বিষয়ক যেসকল লেখা প্রকাশিত হয়, তার কিছু স্মৃতিমূলক_ প্রত‌্যক্ষভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন যাঁরা তাঁদের জার্নাল ও চিঠি। আবার কোনো কোনো লেখায় আমরা পাই যু্দ্ধে বিষয়ক বিশ্লেষণধর্মী প্রবন্ধ-নিবন্ধ। এ ছাড়াও মিলবে স্বদেশ থেকে বহুদূরে যুদ্ধে ময়দানে যা ঘটে চলেছে তার তাৎক্ষণিক বিবরণ ও সেইসঙ্গে যু্দ্ধপ্রকরণ নিয়ে অনুসন্ধানী নিবন্ধও। এই মহাযুদ্ধে গোটা বিশ্ব দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। একদিকে ছিল ইংল‌্যান্ড, বেলজিয়াম, ইটালি সার্বিয়া, রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ, অন‌্যদিকে জার্মানি, অস্ট্রিয়া, বুলগেরিয়া, তুর্কস্থান প্রমুখ শক্তি। কিন্তু প্রথম মহাযুদ্ধের আনুপূর্বিক ইতিহাস বিবৃত করা এই গ্রন্থের উদ্দেশ‌্য নয়। এই মহাযুদ্ধে ভারতবর্ষের ভূমিকাও আমাদের আলোচনার পরিধিভুক্ত হয়নি। বঙ্গসন্তান হিসেবে যে প্রশ্ন আমাদের মনে উঠে আসে_ বাঙালিরা কি এতে শামিল হয়েছিলেন ? তার উত্তর খুঁজতে গিয়ে সমসাময়িক বাংলা পত্রপত্রিকায় যুদ্ধ বিষয়ক সংবাদাদি সংগ্রহ করার পর যা পাওয়া গেল, তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। একদিকে এই সংকলন খোঁজ দেয় প্রথম মহাযুদ্ধের কারণে উদ্ভুত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির দেশীয় মূল‌্যায়নের। অন‌্যদিকে তা আঘাত করে ‘বাঙালি ভীরুজাতি’_এই ভ্রান্ত ধারণার মূলে। আমরা জানতে পারি, বাঙালির শুধু দলে দলে এই মহাসমরে যোগদানই করেননি, তাঁদের রক্তে রাঙা হয়ে উঠেছিল বহু বিদেশি যুদ্ধপ্রান্তর।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in/product/samayik-patrer-aloke-pratham-mahayuddha/">সাময়িক পত্রের আলোকে প্রথম মহাযুদ্ধ / SAMAYIK PATRER ALOKE PRATHAM MAHAYUDDHA</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in">Parul Prakashani Pvt. Ltd.</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সংকলন ও সম্পাদনা বারিদবরণ ঘোষ</p>
<p>প্রথম মহাযুদ্ধের আরম্ভ ১৯১৪ সালের জুলাইয়ে। সেটা ১৩২১ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ মাস। সাত সমুদ্র তেরো নদী পেরিয়ে ভারতবর্ষের সে মহাসমরের সংবাদ এসে পৌঁছোয়। যুদ্ধের খবর প্রথম উল্লেখযোগ‌্যভাবে প্রকাশিত হয় ঠাকুরবাড়ির মাসিক পত্রিকা <em>ভারতী</em>-তে। তারপর একে একে <em>ভারতবর্ষ</em>, <em>প্রবাসী</em>, <em>মাসিক বসুমতী</em>, <em>সমর-সংবাদ</em> প্রভৃতি বিভিন্ন পত্রপত্রিকার মহাযুদ্ধের সংবাদ প্রকাশিত হতে থাকে। <em>ভারতী</em>—তেই সে বছর ‘বর্তমান ইউরোপীয় সমর’ নাম এক দীর্ঘ নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। বাংলা সাময়িক পত্রপত্রিকার যুদ্ধ বিষয়ক যেসকল লেখা প্রকাশিত হয়, তার কিছু স্মৃতিমূলক_ প্রত‌্যক্ষভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন যাঁরা তাঁদের জার্নাল ও চিঠি। আবার কোনো কোনো লেখায় আমরা পাই যু্দ্ধে বিষয়ক বিশ্লেষণধর্মী প্রবন্ধ-নিবন্ধ। এ ছাড়াও মিলবে স্বদেশ থেকে বহুদূরে যুদ্ধে ময়দানে যা ঘটে চলেছে তার তাৎক্ষণিক বিবরণ ও সেইসঙ্গে যু্দ্ধপ্রকরণ নিয়ে অনুসন্ধানী নিবন্ধও। এই মহাযুদ্ধে গোটা বিশ্ব দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। একদিকে ছিল ইংল‌্যান্ড, বেলজিয়াম, ইটালি সার্বিয়া, রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ, অন‌্যদিকে জার্মানি, অস্ট্রিয়া, বুলগেরিয়া, তুর্কস্থান প্রমুখ শক্তি। কিন্তু প্রথম মহাযুদ্ধের আনুপূর্বিক ইতিহাস বিবৃত করা এই গ্রন্থের উদ্দেশ‌্য নয়। এই মহাযুদ্ধে ভারতবর্ষের ভূমিকাও আমাদের আলোচনার পরিধিভুক্ত হয়নি। বঙ্গসন্তান হিসেবে যে প্রশ্ন আমাদের মনে উঠে আসে_ বাঙালিরা কি এতে শামিল হয়েছিলেন ? তার উত্তর খুঁজতে গিয়ে সমসাময়িক বাংলা পত্রপত্রিকায় যুদ্ধ বিষয়ক সংবাদাদি সংগ্রহ করার পর যা পাওয়া গেল, তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। একদিকে এই সংকলন খোঁজ দেয় প্রথম মহাযুদ্ধের কারণে উদ্ভুত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির দেশীয় মূল‌্যায়নের। অন‌্যদিকে তা আঘাত করে ‘বাঙালি ভীরুজাতি’_এই ভ্রান্ত ধারণার মূলে। আমরা জানতে পারি, বাঙালির শুধু দলে দলে এই মহাসমরে যোগদানই করেননি, তাঁদের রক্তে রাঙা হয়ে উঠেছিল বহু বিদেশি যুদ্ধপ্রান্তর।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in/product/samayik-patrer-aloke-pratham-mahayuddha/">সাময়িক পত্রের আলোকে প্রথম মহাযুদ্ধ / SAMAYIK PATRER ALOKE PRATHAM MAHAYUDDHA</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://parulprakashani.in">Parul Prakashani Pvt. Ltd.</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://parulprakashani.in/product/samayik-patrer-aloke-pratham-mahayuddha/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
