কবি, বৈয়াকরণ, জ্যোতির্বিদ, চিকিৎসক, দার্শনিক, গণিতজ্ঞ অসামান্য প্রতিভাধর ভাস্করাচার্য (১১১৪-১১৮৫ খ্রি) ভারতীয় গণিতের ধ্রুপদি যুগের মধ্যবর্তী সময়ের পরবর্তী গণিতের সব শাখাকেই সমৃদ্ধ করেন। সংস্কৃত ভাষায় তাঁর রচনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত-শিরোমণি যা লীলাবতী (মূলত, পাটিগণিত), বীজগণিত, গ্রহগণিত (planetary motion) এবং জ্যোতির্বিদ্যা- এই চার ভাগে বিভক্ত। লীলাবতীতে (পাটিগণিত) তিনি জ্যামিতি, বীজগণিত আর পরিমিতিকে স্থান দিয়েছেন। বীজগণিত তিনি পৃথকভাবে রচনা করেন। মধ্যযুগে ভারতে বীজগণিত স্বতন্ত্র বিষয় হয়ে তুলনামূলক সভ্যতাগুলির মধ্যে সর্বাধিক অগ্রণী ছিল। জ্যোতির্বিদ্যার প্রসারে বীজগণিতের সূত্র প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধ হওয়ায় পাঁচশত খ্রিস্টাব্দ থেকে যে ঐতিহ্যের শুরু, তাকে ভাস্করাচার্য উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যান। তাঁর তত্ত্বের পরিপ্রেক্ষিতে বীজগণিতীয় নানাবিধ সমস্যা আর তার সমাধানের প্রক্রিয়ার অনন্য বৈশিষ্ট্য পাঠককে মুগ্ধ করবে।
শার্লক হোমসের বিচিত্র কীর্তি-কথা || SHERLOCK HOLMSER BICHITRA KIRTI-KATHA
₹320.00কুলদারঞ্জন রায়ের হাত ধরেই শার্লক হোমসের সঙ্গে বাঙালি পাঠকের প্রথম সার্থক পরিচয়।
স্যার আর্থার কনান ডয়েলের
দ্য হাউন্ড অব দ্য বাস্কারভিলস-এর কুলদারঞ্জন-কৃত ভাষান্তরই বাংলা ভাষায় হোমসকাহিনির প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ। পরবর্তীকালে, কুলদারঞ্জন রচনা করেন ‘শার্লক হোমসের বিচিত্র কীর্ত্তি-কথা’। এই অনুবাদে একদিকে যেমন তিনি থেকেছেন মূলের প্রতি বিশ্বস্ত, অন্যদিকে তাঁর ভাষান্তর কখনওই আক্ষরিক হয়ে যায়নি। কনান ডয়েলের রচনার ভাব, গতি ও রসকে বাংলা ভাষার নিজস্ব চলন ও স্পন্দে ধারণ করে তাঁর অনুবাদ হয়ে উঠেছে অপূর্ব এক পুনঃসৃজন! হোমস ও ওয়াটসন হয়ে ওঠেন বাঙালির একান্ত আপনজন।

Reviews
There are no reviews yet.