রুপালি পর্দায় দেব
তারকাদের সম্পর্কে অজানা অনেক তথ্য যেমন জানা যাবে এ বইগুলি থেকে , তেমনি পাঠক সরাসরি শুনে নিতে পারবেন তাঁদের কথা তাঁদের নিজের মুখে I


₹30.00
তারকাদের সম্পর্কে অজানা অনেক তথ্য যেমন জানা যাবে এ বইগুলি থেকে , তেমনি পাঠক সরাসরি শুনে নিতে পারবেন তাঁদের কথা তাঁদের নিজের মুখে I
তারকাদের সম্পর্কে অজানা অনেক তথ্য যেমন জানা যাবে এ বইগুলি থেকে , তেমনি পাঠক সরাসরি শুনে নিতে পারবেন তাঁদের কথা তাঁদের নিজের মুখে I
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
শুধু দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম মহিলা চিকিৎসক হিসেবে নয়, কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায় সমসময়কে আলোড়িত করেছিলেন তাঁর দৃঢ়চেতা ব্যক্তিত্ব, সুতীক্ষ্ণ সমাজ ও রাজনৈতিক সচেতনতা এবং সর্বোপরি, ভারতীয় নারীর নবজাগরণে তাঁর কালজয়ী ভূমিকাপালনের মাধ্যমে।
বর্তমান গ্রন্থে, প্রামাণ্য তথ্যাদি সহযোগে শুধু কাদম্বিনীর বিশ্বস্ত জীবনীই রচিত হয়নি, অনুসন্ধানী ও বিশ্লেষণী দৃষ্টিতে আলোকিত হয়েছে উনিশ ও বিশ শতকের এক সদাপরিবর্তনশীল দ্বান্দুিক পর্বও।
পুরঞ্জনপ্রসাদ চক্রবর্তী
ধর্ম বলতে স্বামীজি কোনো বিশেষ মতবাদকে বোঝাতে চান কি না, সে সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন, ‘সব ধর্মের সংকীর্ণতা দূরীভূত করে এক উদার মানবধর্ম প্রচার করার জন্য শ্রীরামকৃষ্ণদেব ধরাধামে আবির্ভূত হয়েছিলেন_আমি শুধু সে কথাটিই প্রচার করতে চাই। আমার মতে ধর্ম যদি মানুষের অন্তরে শক্তি জোগাতে না পারে, তবে তা ধর্মই নয়।’ প্রকৃত অর্থে তথাকথিত অচলায়তন ধর্মের প্রতি প্রবল অনাস্থাতেই বিশ্বপরিব্রাজক এই সন্ন্যাসী মানবসেবার কর্মযজ্ঞে নিবেদন করেছিলেন নিজেকে। মানবতাবাদী এই মহাজনের বহু আলোচিত জীবনালেখ্যকে এক নতুন বাকবিন্যাসে, অভিনব বিশেষণে দিশাহীন নবপ্রজন্মের ভরসা-স্থল করে তুলতে চেয়েছেন কর্মযোগী বিবেকানন্দ গ্রন্থের প্রণেতা। গ্রন্থের পরিশেষে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিকভাবেই লেখক সংযোজন করেছেন স্বামীজির অমূল্য বাণী এবং তাঁর প্রতি বিভিন্ন মনীষী ও বিশিষ্টজনের উল্লেখযোগ্য অভিমত। ভগিনী নিবেদিতা, সুভাষচন্দ্র বসু, রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধি প্রমুখ বিশিষ্টজনের সশ্রদ্ধ অভিমতের আলোয় দীপিত হবেন পাঠক।
প্রখ্যাত ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডা. দুলালকুমার বসু
দীর্ঘ পাঁচ দশক ব্যাপী তাঁর চিকিৎসক জীবনের অভিজ্ঞতার ঝুলি উপুড় করে চিত্র-বিচিত্র নানান ঘটনা ও উপলব্ধির কথা শুনিয়েছেন এ গ্রন্থে।
বারিদবরণ ঘোষ
ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীদের হাত থেকে স্বদেশকে উদ্ধার করে স্বাধীনতা অর্জনের সূচনাপর্বে যাঁরা আত্মোৎসর্গ করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে অগ্রগণ্য ক্ষুদিরাম বসু। বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলন সবেমাত্র সংগঠিত হয়েছে, সহিংস বা অহিংস আন্দোলনের রূপরেখা তখনও অঙ্কিত হয়নি, কিন্তু দেশকে মুক্ত করার একটা স্বপ্ন তরুণ বাঙালিরা দেখছিলেন। এ কাজে জীবন তাঁদের কাছে পায়ের ভৃত্য হয়েছিল, মৃত্যু হয়েছিল বরণীয়। সংশপ্তকের প্রতিজ্ঞা নিয়ে এঁরা গোপনে গোপনে দেশমন্ত্রে উদবুদ্ধ হয়েছিলেন। সেই মন্ত্রই ক্ষুদিরাম-প্রফুল্ল চাকী-কানাইলালদের জাগিয়ে দিয়েছিল। সেই জাগরণী মন্ত্রে দীক্ষিত ক্ষুদিরাম সঙ্গী প্রফুল্ল চাকীকে নিয়ে দূর মজঃফরপুরে ব্রিটিশ শাসনযন্ত্রের এক অপরাধীকে হত্যা করার জন্য ছদ্মনামে গিয়েছিলেন। শৈশবোচিত একটা ভুলের শিকার হয়ে তাঁরা লক্ষ্যভ্রষ্ট হন। পরিণামে প্রফুল্লের আত্মহত্যা আর ক্ষুদিরামের ফাঁসি_যে ফাঁসির যন্ত্রণা দেশকে আবার উদ্দীপনাময় করে তুলেছিল, বিকল হতে বসেছিল সমগ্র ব্রিটিশ নিপীড়নযন্ত্র। এ-বই সেই জাগরণী মন্ত্র, নিপীড়ন ও আত্মোৎসর্গের এক মহান কাহিনি।
সাহিত্য – সম্রাটের জীবন ও সাহিত্য ছাড়াও এতে আলোচিত বহু অজানা প্রসঙ্গ ।
Reviews
There are no reviews yet.