Author

  • Home
  • Shop

Gautam Bagchi / গৌতম বাগচি

"গৌতম বাগচির জন্ম উত্তর কলকাতায়। পিতা জাতীয় জীবনীকার প্রয়াত মণি বাগচি, মাতা পণ্ডিত শ্যামসুন্দর চক্রবর্তীর কন্যা মিনতীদেবী। সিটি কলেজ থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক। প্রথম জীবনে পি থ্রি সংস্থার কর্মী। সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি বসুমতী পত্রিকায়। পরে চলে আসা যুগান্তর পত্রিকায়। নিজস্ব সম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন সাহিত্য পত্রিকা ক্রমিক, ছোটোদের কাগজ পড়ুয়া, সচিত্র সংবাদ কাগজ এবং ইংরেজি ভাষায় Epic International। আনন্দবাজার পত্রিকা, আজকাল, সংবাদ প্রতিদিন, স্টেটসম্যান, আনন্দমেলা, আনন্দলোক, অমৃত-সহ লেখালেখি প্রায় সব দৈনিক ও সাময়িক পত্রিকায়। কলকাতা দূরদর্শনের ক্যামেরা চলছে বিভাগের সঙ্গে যুক্ত। প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ উঠে এসো কর্ণের চাকা। সম্পাদিত গ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আমার শিক্ষক, কবির নীরা, সবার উপরে, আমার দুর্গা, বিবেকানন্দের সন্ধানে, যাত্রাচিত্রী রবি দাস, রাণী রাসমণির প্রথম জীবনী, বারোয়ারি উপন্যাস ও আমি গোপাল পাঠাকে দেখেছি। বর্তমানে, 'কলেজ স্ট্রিটের ইতিহাস' নিয়ে গবেষণারত।"

Author's books

আমার শিক্ষক (AMAR SHIKSHAK)

240.00

আজ যারা স্ব স্ব ক্ষেত্রে যশস্বী ও কীর্তিমান, কীভাবে একদিন তাঁদের জীবনের মোড় ঘুরে গিয়েছিল আপনাপন শিক্ষা গুরুর নির্দেশনায় এ বইয়ে মিলবে তারই বিশ্বস্ত আলেখ্য | গল্প হয়েও যা সত্যি|

আমি গোপাল পাঠাকে দেখেছি || AMI GOPAL PATHAKE DEKHECHI || GAUTAM BAGCHI

130.00
‘৪৬-এর গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং, তার প্রতিরোেধ ও দমন যে কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, তাকে বুঝতে হবে বিশ শতকীয় বাংলার অগ্নিযুগের প্রেক্ষাপটে, সেই সত্য প্রথম মনে করিয়ে দিয়েছেন বিশিষ্ট গবেষক-সাংবাদিক গৌতম বাগচি। তিনিই নিয়েছিলেন গোপাল পাঠার প্রথম পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার।

পর্বে-পর্বে প্রকাশিত হয়ে আমার আমি’র অন্ধকারে শীর্ষক সেই আত্মকথন একদা এই রাজ্যে শোরগোল ফেলে দিয়েছিল।

এ বইয়ে রইল গোপাল পাঠার নিজের বয়ানে রডা অস্ত্র লুণ্ঠন এবং ‘৪৬-এর দাঙ্গার সেই অকথিত ইতিহাস!

কবির নীরা || KABIR NIRA

416.00

অনেক শিল্পী নির্জনতা-বিলাসী কিংবা একান্তভাবে নিজের রং-তেল-জল-ক্যানভাস নিয়েই মগ্ন থাকেন আবার অনেক শিল্পী শিল্পের অন্যান্য শাখা সম্পর্কেও বিশেষ আগ্রহী। যেমন অনেক কবি ছবি দেখেন না, কবিতার জগৎ ছেড়ে অন্য দিকে মুখ ফেরান না, আবার অনেক কবি প্রেরণা পান ছবি কিংবা গান থেকে। আমরা আমাদের নিজেদের সীমানা ছাড়িয়ে অন্য যত কিছুই গ্রহণ করি না কেন, তাতেও আমাদের মস্তিষ্কে স্মৃতির অনেক কোষ খালি থাকে। সুতরাং গ্রহণ করার কোনো শেষ নেই।

সার্ধশতবর্ষের আলোকে বন্দে মাতরম্ || SARDHASHATABARSHER ALOKE VANDE MATARAM

200.00

সেদিন ‘বন্দে মাতরম্’ সম্পর্কে পুলিশ রিপোর্টে কী লেখা হয়েছিল? কী লেখা হয়েছিল অন্যান্য স্বদেশি গানগুলি সম্পর্কে? কেই-বা হয়েছিল গ্রেফতার? কে গাইল ফাঁসির মঞ্চে ‘বন্দে মাতরম’? বঙ্কিমবাবুর নিজস্ব কথা কী ছিল? কী বলেছিলেন ‘বন্দে মাতরম্’ সম্পর্কে তাঁর আত্মজার কাছে? বিংশ শতাব্দীর মধ্যযুগের চিন্তকরা কী লিখেছিলেন ‘বন্দে মাতরম্’-এর শতবর্ষে? পৃথিবীর অন্যান্য দেশের জাতীয় সংগীতের সঙ্গে ‘বন্দে মাতরম্’ কি একই গোত্রের?

এরকম অসংখ্য জিজ্ঞাসার সন্ধান পাওয়া যাবে বইটির পাতায় পাতায়।