আঁধারবাতি
মানুষের সুখ – দুক্ষ- প্রেম আর চিরন্তন প্রকিতির পাশাপাশি গৌতমের গল্পে বারবার উঠে আসে I
|
✨দুর্গাপূজা উপলক্ষে 📦16th October থেকে 27th October পর্যন্ত ডেলিভারি বন্ধ থাকবে। 🛒 তবে অনলাইনে অর্ডার করা যাবে। 🚚ডেলিভারি পুনরায় শুরু হবে 28th October 2026 থেকে। |
সমাগত মধুমাস - প্রথম খণ্ড / Samagata Madhumas – 1st Part
₹96.00 × 1
পুষ্পমঞ্জরি / PUSPAMANJURI
₹476.00 × 1
চাই ছুঁতে ওই আকাশ / CHAI CHUITE OI AKASH
₹100.00 × 1 Subtotal : ₹672.00


₹125.00 ₹100.00
মানুষের সুখ – দুক্ষ- প্রেম আর চিরন্তন প্রকিতির পাশাপাশি গৌতমের গল্পে বারবার উঠে আসে I
No products were found matching your selection.
মানুষের সুখ – দুক্ষ- প্রেম আর চিরন্তন প্রকিতির পাশাপাশি গৌতমের গল্পে বারবার উঠে আসে I
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
অভিজিৎ চৌধুরী
‘ওই এল সে প্রাণ কালিয়া স্মর খরশরে তবু যায় জ্বলিয়া’। কবি, গীতিকার, সমাজসংস্কারক মদনমোহন তর্কালঙ্কারের নিজের গলায় গাওয়া গান দিয়ে শেষ হয়েছিল সমাগত মধুমাস (১ম খণ্ড)। ২য় খণ্ডের শুরুতেই রয়েছে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের চাকরিতে ক্লিষ্ট মদনমোহনের আত্মবিলাপ। তথাপি, জাতীয় মানুষের মনের মধ্যে প্রতিদিনের জীবনেও দেশ, বিশ্ব, বিজ্ঞান, সমাজ, সাহিত্য, শিক্ষার বীক্ষণ চলতেই থাকে। সিপাহিবিদ্রোহ সম্পর্কে মদনমোহন তর্কালঙ্কারের নিজস্ব অবস্থান, নতুন বিজ্ঞানচেতনার বিকাশ, ফেলে আসা জীবনের কাব্যময়তা_অন্যতম কন্যা ভুবনবালার সঙ্গে প্রতিদিনের সংলাপই উঠে আসে। মহতী সময়ের পরিচর্চা বাবা এবং মেয়ের নিতান্ত আটপৌরে সংলাপের মধ্যেও কখনো কখনো ফ্রেমবন্দি হয়ে যায়। ফ্ল্যাশব্যাকে এসেছেন বিটন সাহেব, বিদ্যাসাগর প্রমুখ ঐতিহাসিক চরিত্র কারণ তাঁদের বাদ দিয়ে মদনমোহন তর্কালঙ্কারের জীবনের যে-কোনো পর্যায়ই অসম্পূর্ণ রয়ে যায়। মদনমোহন তর্কলঙ্কারের মৃত্যু এক নায়কের নিস্তব্ধ প্রস্থান। তাঁর মৃত্যুর পর ভার্যা মুক্তকেশীর এক ভিন্ন ছবি উপন্যাসে পাওয়া যাবে। কন্যা কুন্দমালা_দিদি ভুবনমালা ও বাবার মৃত্যুর পর_নিজের প্রণয়কে গোপন রেখে ভালোবাসার প্রার্থীকে সঁপে দিচ্ছে আর এক বোন হেমবালার সমীপে। হেমবালা কবিতা লেখে, পিতার কবিসত্তার সামান্য উত্তরাধিকার রয়েছে তার মধ্যে। ১ম খণ্ডের মতোই ২য় খণ্ডে রেয়েছে অসম বয়সের প্রণয় কাহিনি। সত্তরোর্ধ্ব বাচস্পতির সঙ্গে রূপোপজীবনী তারাসুন্দরীর মানসপরিণয় মধুমাসের আশ্বাসকে বিস্মৃত হতে দেয় না পুনর্বার।
রাজেশ বসু
উত্তরাধুনিক এক অন্ধকার পৃথিবীর প্রতিনিধি এ-কাহিনির নায়ক। কোমায় আচ্ছন্ন তার মা। নিঃসাড় মৃতবৎ তাঁর বেঁচে থাকা। অবশেষে মৃতবৎ তাঁর বেঁচে থাকা। অবশেষে মৃত্যু। আর তারপরই নায়কের বাড়ি ফেরা। টেলিফোন। ও-প্রান্তে বান্ধবী উজ্জ্বয়িনী যে শুনতে পায় শয়তানের কন্ঠস্বর। বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে পড়া। এবার গন্তব্য সুখলডিহি। এক আদিবাসী গ্রাম। সেখানে অপেক্ষমাণ আর এক পৃথিবী_ তার আদিম ঐশ্বর্য আর আধুনিক লালসা নিয়ে। জনদরদি চিকিৎসক, অসহায় আদিবাসী তরুণী, অত্যাচারী পুলিশ অফিসার, লম্পট ব্যবসায়ী, প্রতিবাদী নারী, রাষ্ট্রদ্রোহী তরুণ_বিচিত্র নানান চরিত্র এক মহাজগতের প্রেক্ষাপটে উপস্থিত সেখানে। কী হয় তারপর?
This is a Baishnaba Padabali Sahitya.
প্রাককথন নিধুভূষণ হাজরা
জ্ঞানদানন্দিনী দেবী সম্পাদিত বালক পত্রিকায় ১২৯২ বঙ্গাব্দের (১৮৮৫ সালে) বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ পরপর দুটি সংখ্যায় প্রকাশিত হয় একটি বড়ো গল্প_মুকুট। ত্রিপুরার প্রাচীন ইতিহাসভিত্তিক এই গল্পটির লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। কবির বয়স তখন চব্বিশ। লেখার আকর সংগ্রহের অন্য তিনি চিঠি লেখেন ত্রিপুরার মহারাজা বীরচন্দ্র মাণিক্যকে। শুরু হয় এক বন্ধুতা যার তাপর্য বহুমুখী। গল্প হিসেবে ‘মুকুট’ হয়তো বিদগ্ধ পাঠককে মুগ্ধ করেব না, কিন্তু শিশুশিক্ষার উপকরণ হিসেবে এর মূল্য অনেক। কবির নিজের ভাষায় : ‘জীবনচরিত বা ইতিহাস হইতে বেশ ছোটো ছোটো anecdote সংগ্রহ করিয়া দিলে ছেলেদের পড়াইবার বিশেষ সুবিধা হয়।’ রবীন্দ্রনাথের অনুমান অভ্রান্ত ছিল। গল্প হিসেবে মুকুট জনপ্রিয় হয় এবং ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে কবি এর নাট্যরূপ দেন। উদ্দেশ্য ছিল ব্রহ্মচর্যাশ্রমের বালকদের দিয়ে সে-নাটকের অভিনয় করানো। এই গ্রন্থে ‘মুকুট’-এর গল্প ও নাট্য_উভয় রূপই সংকলিত হল আজকের ছেলেমেয়েদের ‘ত্যাগের বীর্যের অধ্যবসায়ের ধর্ম্মনিষ্ঠার সত্যপরায়ণতার’ মন্ত্রে দীক্ষিত করতে।
সম্পাদনা শৈলেন্দ্র হালদার
সমাজ যাকে করে রেখেছ ব্রাত্য-নির্বাসিত, সাহিত্য তাকে করেছ বিষয়। কিন্তু মর্যাদা দিয়েছে কি? নইলে ‘বিচারক’ রচনার শতবর্ষ পরেও কেন বিচার পাননি ধরিত্রীর এই পুত্রীরা ? রবীন্দ্রনাথ থেকে প্রভাতকুমার, শরৎচন্দ্র, বিভূতি, তারাশংকর, মাণিক হয়ে শরদিন্দু, সমরেশ, সুনীল, বুদ্ধদেব ও অবশেষে তসলিমা-তৃণাঞ্জনে উপনীত এই গল্পসংগ্রহ কখনোই দেহোপজীবিনীদের নিয়ে লেখা বাংলা ছোটোগল্পের আর একটি বাজারগরম সংকলন নয়। আসলে তা যুগান্তের মুখোমুখি দাঁড়ানো মানুষকে করা মানুষের প্রশ্ন : কে মন্দ? ওরা না আমরা?
এই গল্পে আমাদের চেনা জীবন দশরূপে প্রকাশিত ।
Reviews
There are no reviews yet.