গিরিশচন্দ্র, অমরেন্দ্রনাথ, অর্ধেন্দুশেখর (GIRISHCHANDRA, AMORENDRANATH, ARDHENDUSEKHAR
বাংলা রঙ্গমঞ্চ সংক্রান্ত উপেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ বিরচিত তিনটি গ্রন্থের সংকলন এই সংকলনে I
|
✨দুর্গাপূজা উপলক্ষে 📦16th October থেকে 27th October পর্যন্ত ডেলিভারি বন্ধ থাকবে। 🛒 তবে অনলাইনে অর্ডার করা যাবে। 🚚ডেলিভারি পুনরায় শুরু হবে 28th October 2026 থেকে। |


₹150.00 ₹120.00
বাংলা রঙ্গমঞ্চ সংক্রান্ত উপেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ বিরচিত তিনটি গ্রন্থের সংকলন এই সংকলনে I
No products were found matching your selection.
বাংলা রঙ্গমঞ্চ সংক্রান্ত উপেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ বিরচিত তিনটি গ্রন্থের সংকলন এই সংকলনে I
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
সম্পাদনা অলোক রায়
কিশোরীচাঁদ মিত্রের চরিত মন্মথনাথ ঘোষের প্রথম রচনা। রচনাটি কর্মবীর কিশোরীচাঁদ মিত্র শিরোনামে গ্রন্থাকারে ১৯২৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। তত্ত্ববোধিনী পত্রিকায় সমগ্র রচনাটির ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। সমগ্র রচনায় বিশিষ্ট এই গ্রন্থপ্রণেতা কর্মবীর কিশোরী চাঁদকে যথার্থভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। কর্মবীর কিশোরীচাঁদ মিত্র লেখকের কথায় ‘প্রস্তাবটির পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত হইবার পর কিশোরীচাঁদ মিত্রের ত্রিশ-চল্লিশটি বক্তৃতা এবং অন্যান্য উপকরণ সংগ্রহ করিয়াছি। সেগুলির যথাযোগ্য সদব্যবহার করতে পারি নাই’। লেখকের এই আক্ষেপের কথা মনে রেখেই পুনর্মুদ্রিত এই গ্রন্থে কিশোরীচাঁদ মিত্রের যেসব রচনা ও বক্তৃতার সন্ধান পাওয়া গেছে তাঁর তালিকা সংযুক্ত করা হয়েছে। আলালের ঘরে দুলাল রচয়িতা প্যারীচাঁদ মিত্রের অনুজ কিশোরীচাঁদ মিত্রের ইংরাজিতে লেখা ডায়েরি বা রোজনামচার আংশিক ব্যবহার গ্রন্থটিকে প্রাঞ্জল করেছে। কিশোরীচাঁদের সহধর্মিনী কৈলাসবাসিনীর আত্মকথা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিকভাবে বইটির সংযোজন অংশে ব্যবহৃত হয়েছে। দুঃষ্প্রাপ্য এই রচনার পুনর্মুদ্রণ ‘শুধু কিশোরীচাঁদের জীবনীর পরিপূরক নয়, উনিশ শতকে বাঙালি সমাজের অন্তঃপুরে অন্তরঙ্গ চিত্রহিসেবে আত্মকথাটি মূল্যবান।’
সুধীরকুমার মিত্র
নটসম্রাট গিরিশচন্দ্র ঘোষের কর্মময় জীবন, স্বদেশপ্রেম, নাট্যপ্রতিভা_এ গ্রন্থে আলোকিত হয়েছে ইতিহাসবিদ সুধীরকুমার মিত্রর স্বকীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে। পাশাপাশি, এ গ্রন্থে পাওয়া যাবে পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত গিরিশ রচনাবলির তালিকা এবং ‘গিরিশচন্দ্র ঘোষ_জীবন, কর্ম ও সমকালীন ঘটনাবলি’ শীর্ষক একটি অনুসন্ধানী তথ্যসংকলন।
শুধু দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম মহিলা চিকিৎসক হিসেবে নয়, কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায় সমসময়কে আলোড়িত করেছিলেন তাঁর দৃঢ়চেতা ব্যক্তিত্ব, সুতীক্ষ্ণ সমাজ ও রাজনৈতিক সচেতনতা এবং সর্বোপরি, ভারতীয় নারীর নবজাগরণে তাঁর কালজয়ী ভূমিকাপালনের মাধ্যমে।
বর্তমান গ্রন্থে, প্রামাণ্য তথ্যাদি সহযোগে শুধু কাদম্বিনীর বিশ্বস্ত জীবনীই রচিত হয়নি, অনুসন্ধানী ও বিশ্লেষণী দৃষ্টিতে আলোকিত হয়েছে উনিশ ও বিশ শতকের এক সদাপরিবর্তনশীল দ্বান্দুিক পর্বও।
| ঐতিহ্য – পরম্পরা ও আধুনিকতার দ্বন্দে্ব দীর্ণ উনিশ শতকের বাংলায় আবির্ভূত হয়েছিলেন এক রেনেসাঁস – পুরুষ । |
পুরঞ্জনপ্রসাদ চক্রবর্তী
ধর্ম বলতে স্বামীজি কোনো বিশেষ মতবাদকে বোঝাতে চান কি না, সে সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন, ‘সব ধর্মের সংকীর্ণতা দূরীভূত করে এক উদার মানবধর্ম প্রচার করার জন্য শ্রীরামকৃষ্ণদেব ধরাধামে আবির্ভূত হয়েছিলেন_আমি শুধু সে কথাটিই প্রচার করতে চাই। আমার মতে ধর্ম যদি মানুষের অন্তরে শক্তি জোগাতে না পারে, তবে তা ধর্মই নয়।’ প্রকৃত অর্থে তথাকথিত অচলায়তন ধর্মের প্রতি প্রবল অনাস্থাতেই বিশ্বপরিব্রাজক এই সন্ন্যাসী মানবসেবার কর্মযজ্ঞে নিবেদন করেছিলেন নিজেকে। মানবতাবাদী এই মহাজনের বহু আলোচিত জীবনালেখ্যকে এক নতুন বাকবিন্যাসে, অভিনব বিশেষণে দিশাহীন নবপ্রজন্মের ভরসা-স্থল করে তুলতে চেয়েছেন কর্মযোগী বিবেকানন্দ গ্রন্থের প্রণেতা। গ্রন্থের পরিশেষে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিকভাবেই লেখক সংযোজন করেছেন স্বামীজির অমূল্য বাণী এবং তাঁর প্রতি বিভিন্ন মনীষী ও বিশিষ্টজনের উল্লেখযোগ্য অভিমত। ভগিনী নিবেদিতা, সুভাষচন্দ্র বসু, রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধি প্রমুখ বিশিষ্টজনের সশ্রদ্ধ অভিমতের আলোয় দীপিত হবেন পাঠক।
Reviews
There are no reviews yet.