নীলিমা সান্যাল
যুগযুগান্ত ধরে মানুষের আত্মজ্ঞানলাভের কল্পতরু হিসেবে গৃহীত যে গণসাহিত্য, তা-ই গীতা।


₹80.00
নীলিমা সান্যাল
যুগযুগান্ত ধরে মানুষের আত্মজ্ঞানলাভের কল্পতরু হিসেবে গৃহীত যে গণসাহিত্য, তা-ই গীতা।
Out of stock
নীলিমা সান্যাল
যুগযুগান্ত ধরে মানুষের আত্মজ্ঞানলাভের কল্পতরু হিসেবে গৃহীত যে গণসাহিত্য, তা-ই গীতা।
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
এই নতুন দুনিয়ার কিছু অর্বাচীনের ধারণা ইন্টারনেটে সব মেলে । অবশ্যই মেলে কিন্তু হৃ্দয়ের খবর মেলে না। হৃ্দয়ের গভীর থেকে সেই সব হাসি কান্না হীরা পান্নার খবর লেখক তুলে আনলেন ।
সুরেশচন্দ্র দত্ত
শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেবের উপদেশ আমাদের ভাগ্যবিড়ম্বিত, দুঃখময় জীবনে এক পরম সহায়। জীবৎকালেই তাঁর অমৃতবাণী শ্রোতাদের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছিল। তাতে একদিকে যেমন পরমহংসগতপ্রাণ ভক্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল, অন্যদিকে তাঁর উপদেশ আদৌ অবিকৃত থাকছে কি না, তা নিয়েও আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। জীবৎকালেই তাই রামকৃষ্ণবাণীর সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছিল। এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ছিলেন যাঁরা, তাঁদের মধ্যে একজন যদি হন মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত (শ্রীম), অপরজন অবশ্যই সুরেশচন্দ্র দত্ত। বস্তুত, শ্রীম-এর রামকৃষ্ণকথামৃত প্রকাশিত হওয়ার আগেই পরমহংসদেবের জীবৎকালে ১৮৮৪ সালে সুরেশচন্দ্র দত্ত সংকলিত বইটির প্রথম ভাগ প্রকাশিত হয়েছিল। তারপর থেকে আজ অবধি বইটির সংস্করণ সংখ্যা ২৩-এরও বেশি। এতে একদিকে যেমন বইটির বহুল জনপ্রিয়তা ধরা পড়ে, অন্যদিকে পরিমার্জিত ও পরিবর্ধিত সংস্করণগুলিতে ঠাকুরের আরও অনেক অগ্রন্থিত উপদেশ যে সংকলিত হতে পেরেছিল, তাও বোঝা যায়। বর্তমান সংস্করণে শ্রীরামকৃষ্ণের ৯৫০টি উপদেশ সংকলিত হয়েছে। গ্রন্থের প্রথম পর্বে ‘শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণলীলা’র পরমহংসদেবের জীবন ও কর্মের অতি সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন বইটি অমুদ্রিত অবস্থায় পাঠকের নজরের আড়ালে ছিল। ঐতিহাসিক এই পারুল সংস্করণে গ্রন্থটির তাৎপর্যময় পুনরুদ্ধার ও পুনঃপ্রকাশ রামকৃষ্ণচর্চার ক্ষেত্রটিকে আরও প্রসারিত করবে।
হোম মূলত চার প্রকার: সামবেদী, যজুর্বেদী, ঋগ্বেদী ও তান্ত্রিক। বঙ্গদেশে বৈদিক হোমের প্রচলন থাকলেও তন্ত্রোক্ত হোমের প্রাধান্যই বর্তমানে সর্বাধিক লক্ষ করা যায়। বর্তমান গ্রন্থে গ্রন্থকার শুধু যে ত্রিবেদীয় হোমবিধিকেই অভিন্ন সূত্রে গ্রথিত করেছেন তাই-ই নয়, বঙ্গদেশে বহুলপ্রচলিত তন্ত্রোক্ত হোমের বিধিনিয়মও বর্ণনা করেছেন প্রাঞ্জলভাবে। এই গ্রন্থপাঠে পুরোহিত ব্রাহ্মণদের পাশাপাশি ধর্মজিজ্ঞাসু যে-কোনো সাধারণ পাঠকও ঋদ্ধ হবেন নিশ্চিতভাবেই
সংকলক-অনুবাদক : রমেন্দ্র ভট্টাচার্য ও মানবেন্দ্র ভট্টাচার্য
মেঘদূত মহাকবি কালিদাস বিরচিত একটি খণ্ডকাব্য। এর শ্লোকসংখ্যা অল্প। কিন্তু কাব্য হিসেবে মেঘদূত-এর আবেদন সেই প্রাচীন কাল থেকে উত্তরাধুনিক সমসময় পর্যন্ত পরিব্যাপ্ত। মন্দাক্রান্তা ছন্দে লেখা এই কবিতাটাই সম্ভবত পৃথিবীর প্রথম ও শ্রেষ্ঠতম বিরহকাব্য। কেউ কেউ মেঘদূত-কে বর্ষার কাব্য বা প্রকৃতির কাব্য বলেছেন। টীকাকার মল্লিনাথসূরি একে বলেছেন বিপ্রলম্ভ শৃঙ্গার-রসের কাব্য। রবীন্দ্রনাথের মন্তব্য : মেঘদূত মন্দাক্রান্তা ছন্দের মধ্যে বিশ্বের গতি নৃত্য করছে। তাই এই কাব্য চিরকালের সজীব বস্তু। মেঘদূত-এর এই বর্তমান সংস্করণে বিদ্যাসাগর সম্পাদিত মেঘদূতম্ অনুসরণে ১১৫টি শ্লোক গৃহীত হয়েছে। সংযোজিত হয়েছে ৪টি বহুবর্ণ চিত্র।
লৌকিক ও অতিলৌকিকের আঘ্রান মাখা রূপক সাহার এই ব্যতিক্রমী উপন্যাসে মৃত্যু, শোক ও অপরাধবোধ অভিন্ন সূত্রে গাঁথা।
সৈকত রক্ষিত
এক আদিবাসী যুবতীকে কেন্দ্র করে দুই শবর-সহোদরের কলহ থেকে জন্ম নেয় যে বিরোধ, কালক্রমে তা-ই রূপ নেয় এক মহাভারতীয় যুদ্ধের। রাঢ়বঙ্গীয় পটভূমিতে সেই সংঘর্ষ ও সংগ্রামেরই মহাকাব্যিক রূপ ও উপন্যাস, যেখানে প্রাচীনের মধ্যে বিলীন হয়ে যায় সমকালীন।
Reviews
There are no reviews yet.