পৃথ্বীরাজ সেন
পেরু। সুপ্রাচীন ইনকা সভ্যতা গড়ে উঠেছিল এখানেই। পেরুর হাজার বছরের সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক অভিযাত্রার টুকরো টুকরো ছবি এই বইয়ে।


₹150.00 ₹120.00
পৃথ্বীরাজ সেন
পেরু। সুপ্রাচীন ইনকা সভ্যতা গড়ে উঠেছিল এখানেই। পেরুর হাজার বছরের সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক অভিযাত্রার টুকরো টুকরো ছবি এই বইয়ে।
পৃথ্বীরাজ সেন
পেরু। সুপ্রাচীন ইনকা সভ্যতা গড়ে উঠেছিল এখানেই। পেরুর হাজার বছরের সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক অভিযাত্রার টুকরো টুকরো ছবি এই বইয়ে।
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
হরিপদ দে
উপভোগের উল্লাস আর বাজার অর্থনীতির জয়ধ্বনির দিনে আমরা প্রতিনিয়ত ভুলে যাচ্ছি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের প্রতিস্পর্ধী ক্ষুদিরাম-সূর্য সেন-প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার-ভগৎ সিং-বাঘা যতীন প্রমুখ ক্রান্তিকারীদের। এই বিস্মৃতি ক্ষমার অযোগ্য। ১৮৭৬ থেকে শুরু করে ১৯৪৭_পাঁচটি পর্বে সংঘটিত এই চরমপন্থী বিপ্লবী আন্দোলনের প্রতিটি পর্বে বিপ্লবীদের জীবনকথা ও সংগ্রামের রোমাঞ্চকর ধারাবিবরণী এই গ্রন্থের সম্পদ।
মাত্র এক খণ্ডে এত তথ্য, চিঠিপত্রাংশ, সাহিত্য আলোচনা পেয়ে যাওয়ায় এই গ্রন্থকে আমরা বিন্দুতে সিন্ধুদর্শন বলতে পারি।
উনিশ শতকের কলকাতার পরিপ্রেক্ষিতে ঠাকুরবাড়ির ইতিবৃত্তও এখানে আলোচিত হয়েছে বিশ্বস্তভাবে।
শ্রীসুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
বাংলার সতেরো জন মনীষীকে নিয়ে লেখা সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মনীষী স্মরণে গ্রন্থটি বিবিধ কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এই গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথকে আমরা বিশ্লেষিত হতে দেখি তাঁর বিভিন্ন ভূমিকায়। ব্যাকরণিয়া তথা বাকপতি শ্রীরবীন্দ্রনাথই যখন বিশ্বদরবারে ভারতের দুত হয়ে প্রাচ্যের বাণীকে পৌঁছে দেন প্রতীচ্যে, তখন সুনীতিকুমার প্রদত্ত তাঁর বিস্তারিত পরিচয় পেয়ে আমাদের বিস্ময়ের অবধি থাকে না। এই সকল প্রবন্ধের রচনা প্রসঙ্গ বিবিধ। যাঁরা এখানে আলোচিত, তাঁদের প্রায় প্রত্যেকের সঙ্গেই ছিল ভাষাচার্যের আত্মিক সম্পর্ক। কিন্তু যখনই এই সকল মনীষী বিশ্লেষিত হয়েছেন সুনীতিকুমারের কলমে, তখন তাঁর আলোচনা ব্যক্তিগত ও নৈর্ব্যক্তিক পরিসর পেরিয়ে পাড়ি জমিয়েছে ভিন্ন এক নন্দনের অভিমুখে।
‘বঙ্গদর্শনের প্রথম অভ্যুদয়ে বাংলা দেশের মধ্যে একটি অভূতপূর্ব আনন্দ ও আশার সঞ্চার হইয়াছিল, একটি সুদূরব্যাপী চাঞ্চল্যে বাংলার পাঠকহৃদয় যেন কল্লোলিত হইয়া উঠিয়াছিল। সে চেষ্টা স্বাধীন চেষ্টার আনন্দ।’ বঙ্কিমচন্দ্রের বঙ্গদর্শন সম্বন্ধে রবীন্দ্রনাথ এই মন্তব্য করেছেন নবপর্যায়-বঙ্গদর্শন প্রকাশের আগে। তারপর তাঁকে নিতে হয় বঙ্গদর্শন সম্পাদনার দায়িত্ব। বঙ্কিমের বঙ্গদর্শন যেমন একসময় ‘আমাদের সাহিত্যপ্রাসাদের সিংহদ্বার’ খুলে দিয়ে নবযুগের সূচনা করেছিল, তেমনি বিশ শতকের প্রারম্ভে রবীন্দ্রাথের বঙ্গদর্শন আর এক নতুন যুগে প্রবেশের সুযোগ করে দিল। সেই নবপর্যায়-বঙ্গদর্শন বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে মননসমৃদ্ধ। অসামান্য প্রবন্ধসম্পদের জন্য। আমরা একালের পাঠককে সেই মননের জগতের সন্ধান দেওয়ার জন্য অধুনা দুষ্প্রাপ্য পত্রিকা থেকে কয়েকটি প্রবন্ধ গ্রন্থাকারে প্রকাশ করছি। বাঙালির মননের ইতিহাসে এক মূল্যবান সংযোজন এই গ্রন্থ।
সংকলন ও সম্পাদনা গৌতম বাগচি
রাণী রাসমণির কিংবদন্তীসম জীবন নিয়ে কল্পনাশ্রয়ী জীবনালেখ্য কিংবা গল্পকথার অভাব নেই। অভাব আছে তাঁর আপোশহীন জীবনের প্রামাণ্য ধারাবিবরণীর। বর্তমান গ্রন্থটি সেই অভাব মেটাবে। রাণীর জানবাজারের বাড়িতেই আশ্রিত গ্রন্থকার হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রাণী রাসমণির কন্যা জগদম্বা দাসীর পরম স্নেহভাজন ছিলেন। ফলে রাসমণির ব্যতিক্রমী জীবনের বিশ্বস্ত ভাষ্য তৈরি হতে পেরেছে এবং সেইসঙ্গে তাঁর প্রথম জীবনীও আমরা পেয়েছি হেমচন্দ্রের কলমেই। অকুতোভয়, মহিয়সী যে নারীকে স্বয়ং কোম্পানি বাহাদুরও সমঝে চলতেন, তাঁকে এই প্রথম আমরা চিনে নেব সমকালের সাক্ষ্য থেকে।
কবির নিবাসের সঙ্গে তার সৃষ্টিকর্মের সরাসরি কি কোনো সম্পর্ক আছে? প্রশ্নটির বিপ্রতীপে অজান্তেই তৈরি হয় আর একটি প্রশ্ন : কবির কোনো নির্দিষ্ট সৃষ্টিকর্ম কি অনুপ্রাণিত হতে পারে তার সৃজনক্ষেত্রের দ্বারা? ওয়র্ডসওয়র্থের ‘ইমমরটালিটি ওড’ কি আদৌ সম্ভব ছিল তার লেক ডিস্ট্রিক্ট-এর পরিপ্রেক্ষিত ছাড়া? এরকম অনেক প্রশ্নকেই প্রাসঙ্গিক মনে হতে পারে যদি আমরা কালোত্তীর্ণ কবি-সাহিত্যিকদের জীবন পরিভ্রমণ করি। খুজে বার করতে চেষ্টা করি কোথায় কোথায় তাঁরা ছিলেন কোন সময় তাঁরা ছিলেন, কারা তাঁদের সঙ্গে ছিলেন_এরকম নানা কিঞ্চিৎকর এমনকী অকিঞ্চিৎকর তথ্যও। এভাবেই একদিকে যেমন আবিষ্কৃত হতে থাকে অনেক নতুন দিগন্ত, অন্যদিকে মেধাবী পাঠক ছুঁয়ে যেতে পারেন বিরল কেনো সাহিত্যমুহূর্ত।
Reviews
There are no reviews yet.