প্রাচীন বাংলা গদ্যের ইতিহাস / PRACHIN BANGLA GADYER ITIHAS
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রচেষ্টাকে আমরা গদ্য-ইতিহাসের প্রথম ক্রান্তিচিহ্ন বলে দেখতে অভ্যস্ত হয়েছি এবং প্রাচীনতর গদ্যের আলোচনায় কতিপয় মাত্র উদাহরণ উদ্ধৃত করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, আমাদের গদ্য ছিল, কিন্তু সে যৎসামান্য এবং তার কোনো মহিমা ছিল না। মুদ্রণশিল্পের প্রসার ও পত্র-পত্রিকার প্রচার ঊনবিংশ শতাব্দীর একেবারে প্রথম থেকেই গদ্যচর্চাকে এমন বহুমুখী, কোলাহলমুখর করে তুলেছে যে, পূর্ববর্তী গদ্য সাধনার দিকে দৃষ্টি ফেরাতে আমরা ভুলে যাই। বর্তমান আলোচনায় এই শৈথিল্য অপনোদনের চেষ্টা আছে। আমরা পশ্চাতের পানে ফিরে চেয়েছি।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রচেষ্টাকে আমরা গদ্য-ইতিহাসের প্রথম ক্রান্তিচিহ্ন বলে দেখতে অভ্যস্ত হয়েছি এবং প্রাচীনতর গদ্যের আলোচনায় কতিপয় মাত্র উদাহরণ উদ্ধৃত করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, আমাদের গদ্য ছিল, কিন্তু সে যৎসামান্য এবং তার কোনো মহিমা ছিল না। মুদ্রণশিল্পের প্রসার ও পত্র-পত্রিকার প্রচার ঊনবিংশ শতাব্দীর একেবারে প্রথম থেকেই গদ্যচর্চাকে এমন বহুমুখী, কোলাহলমুখর করে তুলেছে যে, পূর্ববর্তী গদ্য সাধনার দিকে দৃষ্টি ফেরাতে আমরা ভুলে যাই। বর্তমান আলোচনায় এই শৈথিল্য অপনোদনের চেষ্টা আছে। আমরা পশ্চাতের পানে ফিরে চেয়েছি।
Reviews
There are no reviews yet.
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
আর কোনো দার্শনিক-শিক্ষক রাষ্ট্রপ্রধানের ভূমিকায় তাঁর সমতুল কৃতিত্বের অধিকারী নন। অন্যদিকে, আর কোনো রাষ্ট্রপ্রধানও নিজেকে উন্নীত করতে পারেননি তাঁর দার্শনিক উচ্চতায়। ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ সর্বাথেই এক ইতিহাস পুরুষ। ব্যতিক্রমী এই শিক্ষকের জীবন ও কর্মের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে এই বই। সঙ্গে তাঁর প্রবন্ধ ও বক্তৃতার মূল্যবান সংযোজন।
বিগত শতাব্দীর পঞ্চশ-ষাটের দশকে যুগান্তর পত্রিকায় শ্রীনিরেপক্ষ ছদ্মনামের অন্তরালে নবীন সাংবাদিক অমিতাভ চৌধুরীর ‘নেপথ্যদর্শন’ ধারাবাহিক রচনা ভারতীয় তথা এশীয় সাংবাদিকতায় নতুন যুগের সূচনা করে। অনুসন্ধানমূলক সাংবাদিকতার অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে স্বীকৃত হন তিনি। প্রশাসনের নানা অনিয়ম-অনাচার-অবিচারের ঘটনাকে পাঠকের দরবারে তিনি হাজির করেন অসামান্য সৎসাহস এবং আপসহীন মনোভাব নিয়ে। সেইসঙ্গে এই কলমের বহু রচনায় ছিল অপ্রত্যাশিত নানান মানবিক উদ্ঘাটন। এই কারণেই এই প্রতিবেদনগুলি নিতান্ত সাময়িক রচনা না-থেকে হয়ে উঠেছে সমকালীন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ইতিহাসের মূল্যবান দলিল। সেই সময়ের নবমূল্যায়নের জন্য আজও অপিরহার্য এই সংকলন।
আপনি ওকালতিটা ছাড়ুন। চুপচাপ বসিয়া পড়ুন। মাঠের কোণে আসিয়া একটি কুটির বাঁধুন। তারপরে হবিষ্যান্ন খাইয়া খাগড়ার কলম ধরিয়া তালপাতে ভারতবর্ষের ইতিহাসকথা লিপিবদ্ধ করুন, ত্রিশ কোটি নর-নারীর আশীর্বাদভাজন হইবেন। যাঁর সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ এ মন্তব্য করেছেন, তিনি অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়। একনিষ্ঠ স্বদেশহিতৈষী ও সত্যনিষ্ঠ ইতিহাসচর্চার অনুরাগী অক্ষয়কুমার ভারতের জাতীয়তাবাদী ইতিহাসচর্চায় এক অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। দলিল দস্তাবেজ নির্ভর যুক্তিবাদী ইতিহাস রচনায় তিনি অগ্রদূতের ভূমিকা পালন করেছিলেন। সাহিত্যকে বাহন করে পরিক্রমা করেছেন ইতিহাসের পথ। স্বভাবতই ভাষা, রচনানৈপুণ্য ও যুক্তিনিষ্ঠ ইতিহাসচিন্তার ছাপ রয়ে গেছে তাঁর সৃজনশীল রচনার পাতায় পাতায়। শুধু ঐতিহাসিক সাহিত্যিকের ভূমিকাতেই নয়, অক্ষয়কুমার বিদ্বজনের সম্ভ্রম অর্জন করেছিলেন প্রত্নতাত্ত্বিক, শিল্প-সমালোচক, বাগ্মী ও স্বদেশপ্রেমী হিসেবেও। তাঁর সেই বহুমুখী প্রতিভার একত্র সমাবেশ ঘটেছে এ গ্রন্থে। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদত্ত তাঁর অভিভাষণ ও চিঠিপত্র এই মনীষীর মননের জগতে প্রবেশের সন্ধান পথ। আর ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণা সেই পথের প্রবেশদ্বার। ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক-সাহিত্যিক-বাগ্মী অক্ষয়কুমারকে জানতে ও তাঁর অনুসন্ধিৎসার পরিচয়লাভ করতে এ গ্রন্থ বাঙালির ইতিহাসচর্চার ক্ষেত্রে নবতম সংযোজন।
নৌকার গঠন, হাল, পাটাতন, নাবিক-মাঝিমাল্লা থেকে শুরু করে বাতিঘর, ভাইকিং, ফিনিশীয় ও গ্রিক নৌযান, এমনকী সাহিত্য-সংস্কৃতি-লোকাচারে নৌকার উল্লেখ তো বটেই, নৌকার তত্ত্বতালাশ নিয়ে এমন বই বাংলায় প্রথম।
Reviews
There are no reviews yet.