মালা দত্তরায়
রানি রাসমণি শুধু দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে নয়, নবজাগ্রত বঙ্গভূমির এক আলোকিত মানবী হিসেবেও প্রাতঃস্মরণীয়। এই প্রথম সেই জীবনের ধারাভাষ্য এক ব্যতিক্রমী কলমে।
CHERE ASHA GRAM / ছেড়ে আসা গ্রাম
₹280.00 × 1 Subtotal : ₹400.00


₹120.00
মালা দত্তরায়
রানি রাসমণি শুধু দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে নয়, নবজাগ্রত বঙ্গভূমির এক আলোকিত মানবী হিসেবেও প্রাতঃস্মরণীয়। এই প্রথম সেই জীবনের ধারাভাষ্য এক ব্যতিক্রমী কলমে।
Out of stock
মালা দত্তরায়
রানি রাসমণি শুধু দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে নয়, নবজাগ্রত বঙ্গভূমির এক আলোকিত মানবী হিসেবেও প্রাতঃস্মরণীয়। এই প্রথম সেই জীবনের ধারাভাষ্য এক ব্যতিক্রমী কলমে।
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
ভক্তিমাধব চট্টোপাধ্যায়
আর কোনো দার্শনিক-শিক্ষক রাষ্ট্রপ্রধানের ভূমিকায় তাঁর সমতুল কৃতিত্বের অধিকারী নন। অন্যদিকে, আর কোনো রাষ্ট্রপ্রধানও নিজেকে উন্নীত করতে পারেননি তাঁর দার্শনিক উচ্চতায়। ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ সর্বাথেই এক ইতিহাস পুরুষ। ব্যতিক্রমী এই শিক্ষকের জীবন ও কর্মের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে এই বই। সঙ্গে তাঁর প্রবন্ধ ও বক্তৃতার মূল্যবান সংযোজন।
দক্ষিণারঞ্জন বসু
ঠিক এই মুহূর্তে যখন সিরীয় শরণার্থীদের জন্য জার্মানি উন্মুক্ত করে দিচ্ছে দ্বার, যখন মায়ানমারের রোহিঙ্গাদের নিয়েও বিশ্বময় সহানুভূতির ঝড়, তখন আমরা ভুলে যাচ্ছি পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে ট্রাজিক, সবচেয়ে মর্মান্তিক অপসারণের ইতিবৃত্তকে। ১৯৪৭_১৯৫০ এই তিন বছরে এবং পরবর্তীকালে স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনের পূর্বে ও পরে যেভাবে লক্ষ লক্ষ বাঙালি ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে বঙ্গদেশের পূর্ব থেকে পশ্চিম অংশে চলে আসতে বাধ্য হয়েছেন, বিতাড়িত হয়েছেন, উৎপাটিত হয়েছেন, তার সমতুল নজির ইতিহাসে মেলে না। দক্ষিণারঞ্জন বসু প্রণীত এই গ্রন্থে লিপিবদ্ধ হয়েছে পূর্ববঙ্গের ১৮টি জেলার ৬৪টি গ্রাম থেকে ভূমিপুত্র-কন্যাদের চলে আসার বৃত্তান্ত। গ্রন্থের দু-টি খণ্ড প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়। পরবর্তীকালে পশ্চিমবঙ্গে অখণ্ড সংস্করণ প্রকাশিত হলেও খুব শিগগিরি তা পাঠকের নজরের আড়ালে চলে যায়। গ্রন্থটির তাৎপর্যমণ্ডিত এই পুনঃপ্রকাশ এপার, ওপার_উভয় বাংলার বাঙালিকেই নিঃসন্দেহে স্মরণ করিয়ে দেবে তাদের অভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিচয়ের কথা।
সুনির্মল চক্রবর্তী
সুনির্মল চক্রবর্তী বাংলা শিশুসাহিত্যে একটি সুপরিচিত নাম। ছোটোদের জন্য তাঁর লেখা গল্প, রূপকথা, উপকথা, ছড়া-কবিতা, নাটক ইতিমধ্যেই শিশু-কিশোরদের মন জয় করে নিয়েছে। ছোটো ছোটো বাক্যে লেখা তাঁর গল্পে পাই মনোহারী ভাষা, সহজ সরলতা, রহস্যবোধ, কৌতুকমেশা এক মায়াবী গদ্য, যা ছুঁয়ে যায় শুধু ছোটোদের নয়, সব বয়সি পাঠকের মন। নতুন গ্রহে যতীনবাবু লেখকের বারোটি নতুন গল্পের সংকলন। এখানে আমরা যেমন মুগ্ধ হয়ে পড়ব মা-হাতি, বাবা-হাতি ও তাদের ছানা-হাতির গল্প, তেমনই পড়ে চমকে যাব বলরামবাবুর পোষা, পাখিটির বৃত্তান্ত, হ্যাংলা নামে এক ঘাসফড়িংয়ের কাহিনি, এমনকী পিকু নামে এক ভালুকছানার কাণ্ডও। অঙ্কে ভীষণ ভয় পেয়ে থাকা তারাপদবাবুর বিপদ কিংবা নতুন গ্রহকে মানুষের বাসযোগ্য করে তোলার দায়িত্বপ্রাপ্ত যতীনবাবুর আশ্চর্য অভিজ্ঞতার কথা শুনতে হলে এ বইয়ের পাতা না-উলটে গতি নেই।
সুব্রতকুমার মাল
ব্রিটিশ শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনের পূর্বে সমগ্র বঙ্গদেশে, বিশেষত মেদিনীপুরে, দেশজ শিক্ষার এক সমৃদ্ধ ধারা প্রবহমান ছিল, তা ভেঙে পড়ল কেন ? ১৮৩৫ সালের অ্যাডামস-এর রিপোর্ট অনুসারে জানা যায়, অতীতে মেদিনীপুর শিক্ষার দিক থেকে সর্বাগ্রে ছিল। তাহলে এখানে ব্রিটিশ শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনের আগে কেন কালের করাল গ্রাসে এর অবলুপ্তি ঘটল ? এই গ্রন্থে আছে, প্রাক্ঔপনিবেশিক আমলে মেদিনীপুরে দেশজ শিক্ষার ধারা প্রাথমিক শিক্ষার অবস্থা, নারীশিক্ষার অগ্রগতি এবং লোকশিক্ষার অবস্থা। সেইসঙ্গে মেদিনীপুরের আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যগুলিও বিস্তারিতভাবে আলোচিত।
হরিপদ দে
উপভোগের উল্লাস আর বাজার অর্থনীতির জয়ধ্বনির দিনে আমরা প্রতিনিয়ত ভুলে যাচ্ছি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের প্রতিস্পর্ধী ক্ষুদিরাম-সূর্য সেন-প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার-ভগৎ সিং-বাঘা যতীন প্রমুখ ক্রান্তিকারীদের। এই বিস্মৃতি ক্ষমার অযোগ্য। ১৮৭৬ থেকে শুরু করে ১৯৪৭_পাঁচটি পর্বে সংঘটিত এই চরমপন্থী বিপ্লবী আন্দোলনের প্রতিটি পর্বে বিপ্লবীদের জীবনকথা ও সংগ্রামের রোমাঞ্চকর ধারাবিবরণী এই গ্রন্থের সম্পদ।
Reviews
There are no reviews yet.