INDIGO PLANTATION IN BENGAL
₹316.00Richly detailed, impeccably researched and thoroughly complelling, this is an engrossing and provocative history of indigo plantation in bengal.
Richly detailed, impeccably researched and thoroughly complelling, this is an engrossing and provocative history of indigo plantation in bengal.
অমলেন্দু দে
দ্বিজাতিতত্ত্ব সম্পর্কে ফজলুল হকের মতামত ঠিক কী ছিল, সে বিষয়ে আমাদের ধারণা আজও স্বচ্ছ নয়। অসাম্প্রদায়িক ও উদারচেতা ফজলুল হক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করায় অনেকেই বিস্মিত হয়েছিলেন। তাঁকে বিভেদকারী বলে চিহ্নিত করার এক ধরনের অশিক্ষিত প্রবণতা আজও আমাদের মধ্যে কাজ করে। কিন্তু যে কথা শিক্ষিত বাঙালি সহজেই বিস্মৃত হয়, তা হল_ জিন্নার বিভেদপন্থার বিরুদ্ধে প্রথম বলিষ্ঠ প্রতিবাদ ফজলুল হকের কণ্ঠেই ধ্বনিত হয়েছিল। তিনিই সর্বপ্রথম ধর্মের ভিত্তিতে গঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রের ভিত আলগা করে দেন এবং পূর্ব বাংলার মানুষকে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভাবধারায় উদ্দীপিত করেন। তাই আজ যখন ঢাকার শাহবাগ স্কোয়ারে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পুনরুত্থান ঘটছে, দেশভাগ-পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে ফজলুল হকের ভূমিকায় পুনর্মূল্যায়ন আশু প্রয়োজন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য বুঝতে হলে খাঁটি বাঙালি ফজলুল হককে প্রথমে বুঝতে হবে। বর্তমান গ্রন্থে ১৯১৩ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত বাংলার রাজনীতিতে ফজলুল হকের ভূমিকার বিশদ আলোচনা করা হয়েছে।
অমলেন্দু দে
পলাশির যুদ্ধে হারিয়ে যাওয়া কয়েকটি তথ্যের অনুসন্ধানে দীর্ঘকাল ব্যাপৃত ছিলেন অধ্যাপক অমলেন্দু দে। এই যু্দ্ধ- সংক্রান্ত ভারতীয় ও বিদেশি লেখকদের মূল্যবান গ্রন্থসমূহ এবং সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত নথিপত্রেও সেগুলির সন্ধান না পাওয়ায় তিনি আঠারো শতকের পারিবারিক কাগজপত্র অনুসন্ধান করতে থাকেন। অধ্যাপক দে বিশেষ নজর দেন সেইসব জমিদার পরিবারের নথিপত্রে, যাঁরা ১৭৫৭ কিংবা ১৭৫৮ সালে দত্তক পুত্র গ্রহণ করেছিলেন। ময়মনসিংহের জমিদার পরিবারের সঙ্গে বাংলার নবাবদের সুসম্পর্ক ছিল। অধ্যাপক দে ময়মনসিংহের ইতিহাস গ্রন্থে এমন কিছু তথ্য পান, যার সূত্র ধরে তিনি খোঁজ পেয়ে যান ইতিহাসে অনু্ল্লেখিত সিরাজউদদৌলার পুত্রের। সিরাজের সন্তান এই জমিদার পরিবারেই দত্তক পুত্র হিসেবে গৃহীত হয়েছিলেন। সিরাজের অন্যতম সেনানায়ক মোহনলাল ছিলেন সিরাজের স্ত্রী আলেয়ার দাদা। ধর্মান্তরিত হওয়ার আগে আলোয়ার নাম ছিল হীরা। সিরাজ ও হীরার এই পুত্রকে নিয়ে মোহনলাল যু্দ্ধক্ষেত্র থেকে ২৩ জুন (১৭৫৭ সাল) পালিয়ে চলে যান ময়মনসিংহ। তারপর সেখানকার জমিদার পরিবারে তাঁর আপন ভাগিনেয়কে দত্তক নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। এই দত্তক পুত্রের নাম হল যুগলকিশোর রায়চৌধুরী। যেভাবে একের পর এক নবলব্ধ তথ্যের সাহায্যে সিরাজের পুত্র ও বংশধরদের অজানা ইতিহাস এ গ্রন্থে উন্মোচিত হয়েছে, তা এককথায় অনবদ্য। প্রসঙ্গত, মোহনলাল সম্পর্কে অধ্যাপক দে যে-সকল অজানা তথ্য সংগ্রহ করেছেন, তার ঐতিহাসিক মূল্য অনস্বীকার্য। সব মিলিয়ে, পলাশির যুদ্ধের ইতিহাস ও তাৎপর্য আলোচনায় এই গ্রন্থ এক মহামূল্যবান সংযোজন।