संस्कृतसोपानम् – कक्षा 7 / SANSKRIT SOPANAM – CLASS 7
₹190.00পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ নির্ধারিত নতুন নম্বর বিভাজন এবং সর্বশেষ পরিমার্জিত পাঠক্রম অনুসারে লিখিত
সপ্তম শ্রেণির পাঠ্য
পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির বানানবিধি অনুসৃত
"প্রবীরকুমার চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দের ৬ মার্চ বাঁকুড়া জেলার সিহড় গ্রামে। কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মিশন স্কুলে শিক্ষকতার শুরু ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দে। ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে সহ-প্রধানশিক্ষকের ভূমিকা পালন। ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে অবসর গ্রহণ। ২০১০ খ্রিস্টাব্দে তাঁর অনূদিত ও সম্পাদিত চাণক্যশ্লোক গ্রন্থটি প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে যায়। ওই বছরেই প্রকাশিত তাঁর আরও দুটি গবেষণাধর্মী গ্রন্থ-সামবেদীয় সংস্কারকর্ম এবং কালিকাপুরাণোক্ত শ্রীশ্রীদুর্গাপূজা পদ্ধতি -দীক্ষিত পাঠকের অভিনন্দন কুড়িয়েছে। 'কাব্যতীর্থ' উপাধিতে ভূষিত প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্যের এই নিরলস গবেষক এখনও নিমগ্ন আছেন দুরূহ অনুবাদকর্মে।"
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ নির্ধারিত নতুন নম্বর বিভাজন এবং সর্বশেষ পরিমার্জিত পাঠক্রম অনুসারে লিখিত
সপ্তম শ্রেণির পাঠ্য
পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির বানানবিধি অনুসৃত
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ নির্ধারিত নতুন নম্বর বিভাজন এবং সর্বশেষ পরিমার্জিত পাঠক্রম অনুসারে লিখিত
অষ্টম শ্রেণির পাঠ্য
পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির বানানবিধি অনুসৃত
কালিকাপুরাণোক্ত শ্রীশ্রীদুর্গাপূজা পদ্ধতি এই প্রথম বঙ্গানুবাদসহ প্রকাশিত হল। অর্থবোধহীন মন্ত্রোচ্চারণ পূজাকে অসম্পূর্ণ রাখে, পূজনীয়কেও করে অসম্মানিত। এই গ্রন্থ পঠিত হলে সেই ত্রুটি সংশোধিত হবে।
দেশকালের সীমানা পেরোনো সেই সমস্ত শাশ্বত শ্লোক আজও মানবজীবনে জাগরণের মহামন্ত্র হয়ে উঠতে পারে ।
(সামবেদীয় ও যজুর্বেদীয় পদ্ধতিতে মন্ত্রের অর্থসহ)
প্রবীরকুমার চট্টোপাধ্যায় কাব্যতীর্থ
জন্মিলে মরিতে হবে অমর কে, কোথা, কবে? জন্মের মতো মৃত্যুও এক শাশ্বত সত্য। মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী, কিন্তু মৃত্যুতেই শেষ নয় আমাদের জীবন। এর পরেও রয়ে যায় আর এক অভিযাত্রা। পরমব্রহ্মের সঙ্গে মিলিত হওয়ার আগে আমাদের উত্তরজীবন। মৃত ব্যক্তির পার্থিব জীবনকে সম্মান জানিয়ে তাঁর অপার্থিব উত্তরজীবন যাতে দ্রুত স্বর্গগামী হয়, সেই উদ্দেশ্যে অনাদিঅতীতকাল থেকে সকল ধর্মে পারলৌকিক ক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে আসছে। হিন্দুধর্মমতে এই ক্রিয়ার নাম ‘শ্রাদ্ধ’_শ্রদ্ধার সঙ্গে কৃত প্রিয়জনতর্পণ। সামবেদীয় ও যজুর্বেদীয়_উভয় পদ্ধতিতেই সেই বৈদিক যুগ থেকে হিন্দুরা শ্রদ্ধানুষ্ঠান পালন করে আসছেন। এই উত্তরাধুনিক একবিংশ শতকেও তার অন্যথা হয়নি। সমস্যা অন্যত্র। সংস্কৃত ভাষাচর্চার ক্রমাবনতি আমাদের শাস্ত্রবিষয়ে অজ্ঞ ও অনভিজ্ঞ করে তুলেছে। ফলে, অনর্থজ্ঞ পুরোহিতরা যখন তর্পণকার্যে প্রবৃত্ত হন, শ্রাদ্ধ অসম্পূর্ণ থাকে। এই গ্রন্থ রচনার উদ্দেশ্য : সংস্কৃত মন্ত্রে রচিত, বিধিবদ্ধ শ্রাদ্ধপদ্ধতিকে সকলের কাছে অর্থময় করে তোলা। এই গ্রন্থ অনুসরণ করে অর্থবোধসহ মন্ত্রোচ্চারণ করলে পুরোহিতরা তর্পণকার্য সুসম্পন্ন করবেন এবং উচ্চারিত মন্ত্রের অর্থ হৃদয়ঙ্গম করে পারলৌকিক ক্রিয়ারত ব্যক্তিরাও শ্রাদ্ধের মর্ম অনুভব করবেন। গ্রন্থের শেষে সংযোজিত ভারতসাবিত্রী-র পাঠ সমগ্র মহাভারতপীঠের পুণ্যপ্রদান করবে।
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পাঠ্যসূচি অনুসারে সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির জন্য লিখিত
সি.বি.এস.ই.-র আদর্শ প্রশ্ন অনুসরণে অনুশীলনী সংযোজিত
পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি-র বানানবিধি অনুসৃত
হিন্দুধর্মে সংস্কারকর্মের গুরুত্ব অপরিসীম। সংস্কারকর্মের দ্বারাই, মনু বলেছেন, মানুষ শূদ্রত্ব থেকে দ্বিজত্ব লাভ করে।
বঙ্গানুবাদ সংবলিত এই গ্রন্থটি বেদোক্ত সংস্কারকর্মের নিহিতার্থকে সাধারণ পাঠকের কাছেও প্রাঞ্জল করে তুলবে।