আঁধারবাতি
মানুষের সুখ – দুক্ষ- প্রেম আর চিরন্তন প্রকিতির পাশাপাশি গৌতমের গল্পে বারবার উঠে আসে I
|
✨দুর্গাপূজা উপলক্ষে 📦16th October থেকে 27th October পর্যন্ত ডেলিভারি বন্ধ থাকবে। 🛒 তবে অনলাইনে অর্ডার করা যাবে। 🚚ডেলিভারি পুনরায় শুরু হবে 28th October 2026 থেকে। |


₹125.00 ₹100.00
মানুষের সুখ – দুক্ষ- প্রেম আর চিরন্তন প্রকিতির পাশাপাশি গৌতমের গল্পে বারবার উঠে আসে I
No products were found matching your selection.
মানুষের সুখ – দুক্ষ- প্রেম আর চিরন্তন প্রকিতির পাশাপাশি গৌতমের গল্পে বারবার উঠে আসে I
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
This is a Baishnaba Padabali Sahitya.
অভিজিৎ চৌধুরী
কবি, গীতিকার, সমাজ সংস্কারক তথা নারীশিক্ষা প্রসারের অন্যতম অগ্রদূত মদনমোহন তর্কালঙ্কার ও তাঁর সময়-ঋদ্ধ এই আখ্যান। আখ্যানের কেন্দ্রবিন্দু মদনমোহন আর তাঁকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কক্ষপেথ ভার্যা মুক্তকেশী, কন্যা ভুবনমালা-কুন্দমালা-হেমবালা, মা বিশ্বেশ্বরী দেবী, সুহৃদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বিটন সাহেব, রাজা রাধাকান্ত দেব, রামগোপাল ঘোষ প্রমুখ ঐতিহাসিক চরিত্রের পরিভ্রমণ। একদিকে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রথম আলো, অন্যদিকে মধ্যযুগীয় সংস্কারে অবরুদ্ধ হিন্দুসমাজ_ ইতিহাসের এই দ্বন্দ্বে দীর্ণ হতে হতে মদনমোহনের সাহিত্যসাধনা ও জীবনসংগ্রাম। লুপ্ত সেই সময়ের আঘ্রাণ আবার পাওয়া যাবে এই উপন্যাসের পাতায়। ঐতিহাসিক চরিত্রগুলির পাশাপাশি আলাদা করে নজর কাড়ে অন্য দুটি চরিত্র : বাচস্পতি খুড়ো ও তারাসুন্দরী। মদ্যপ বেশ্যাসক্ত, পরান্নভোজী, সংস্কৃত কলেজের লিপিকরের কর্ম থেকে বহিষ্কৃত বাচস্পতি খুড়ো অপূর্ব কণ্ঠসম্পদের অধিকারী। সত্তরোর্ধ্ব বাচস্পতির সঙ্গে রূপোপজীবনী তারাসুন্দরীর প্রণয় মধুমাসের আশ্বাসকে বিস্মৃত হতে দেয় না।
রাজেশ বসু
উত্তরাধুনিক এক অন্ধকার পৃথিবীর প্রতিনিধি এ-কাহিনির নায়ক। কোমায় আচ্ছন্ন তার মা। নিঃসাড় মৃতবৎ তাঁর বেঁচে থাকা। অবশেষে মৃতবৎ তাঁর বেঁচে থাকা। অবশেষে মৃত্যু। আর তারপরই নায়কের বাড়ি ফেরা। টেলিফোন। ও-প্রান্তে বান্ধবী উজ্জ্বয়িনী যে শুনতে পায় শয়তানের কন্ঠস্বর। বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে পড়া। এবার গন্তব্য সুখলডিহি। এক আদিবাসী গ্রাম। সেখানে অপেক্ষমাণ আর এক পৃথিবী_ তার আদিম ঐশ্বর্য আর আধুনিক লালসা নিয়ে। জনদরদি চিকিৎসক, অসহায় আদিবাসী তরুণী, অত্যাচারী পুলিশ অফিসার, লম্পট ব্যবসায়ী, প্রতিবাদী নারী, রাষ্ট্রদ্রোহী তরুণ_বিচিত্র নানান চরিত্র এক মহাজগতের প্রেক্ষাপটে উপস্থিত সেখানে। কী হয় তারপর?
এই গল্পে আমাদের চেনা জীবন দশরূপে প্রকাশিত ।
প্রাককথন নিধুভূষণ হাজরা
জ্ঞানদানন্দিনী দেবী সম্পাদিত বালক পত্রিকায় ১২৯২ বঙ্গাব্দের (১৮৮৫ সালে) বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ পরপর দুটি সংখ্যায় প্রকাশিত হয় একটি বড়ো গল্প_মুকুট। ত্রিপুরার প্রাচীন ইতিহাসভিত্তিক এই গল্পটির লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। কবির বয়স তখন চব্বিশ। লেখার আকর সংগ্রহের অন্য তিনি চিঠি লেখেন ত্রিপুরার মহারাজা বীরচন্দ্র মাণিক্যকে। শুরু হয় এক বন্ধুতা যার তাপর্য বহুমুখী। গল্প হিসেবে ‘মুকুট’ হয়তো বিদগ্ধ পাঠককে মুগ্ধ করেব না, কিন্তু শিশুশিক্ষার উপকরণ হিসেবে এর মূল্য অনেক। কবির নিজের ভাষায় : ‘জীবনচরিত বা ইতিহাস হইতে বেশ ছোটো ছোটো anecdote সংগ্রহ করিয়া দিলে ছেলেদের পড়াইবার বিশেষ সুবিধা হয়।’ রবীন্দ্রনাথের অনুমান অভ্রান্ত ছিল। গল্প হিসেবে মুকুট জনপ্রিয় হয় এবং ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে কবি এর নাট্যরূপ দেন। উদ্দেশ্য ছিল ব্রহ্মচর্যাশ্রমের বালকদের দিয়ে সে-নাটকের অভিনয় করানো। এই গ্রন্থে ‘মুকুট’-এর গল্প ও নাট্য_উভয় রূপই সংকলিত হল আজকের ছেলেমেয়েদের ‘ত্যাগের বীর্যের অধ্যবসায়ের ধর্ম্মনিষ্ঠার সত্যপরায়ণতার’ মন্ত্রে দীক্ষিত করতে।
Reviews
There are no reviews yet.