Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
₹200.00 ₹180.00
GO-O-O-L – (রতনতনু ঘাটী)
পৃথিবীর দুশোটি দেশের আড়াইশো মিলিয়ন মানুষ ফুটবল খেলেন। এমন যে জনপ্রিয় খেলা, সে খেলা নিয়ে সত্যি গল্প যেমন অনেক আছে, তেমনই কল্পনায় লেখা গল্পের সংখ্যাও কম নেই। পৃথিবীর সব ভাষাতেই ফুটবল নিয়ে দারুণ দারুণ গল্প লেখা হয়েছে। বাংলা ভাষাতেও ফুটবল নিয়ে কম জমজমাট গল্প লেখা হয়নি। ফুটবল খেলার মতো ফুটবলের গল্পও ছোটদের কাছে সমান রুদ্ধশ্বাস। সেরকমই একডজন গল্প নিয়ে এই সংকলন।
Out of stock
Meet The Author
Related products
ভূতের চিকিৎসা / BHUTER CHIKITSHA
হিরণ্ময় ভট্টাচার্য
এক বর্ষার রাতে চৌধুরি বাড়ি চুরি করতে গিয়ে গোবরের গর্তে পা হড়কে পড়ে গেল কানাপদ। ব্যর্থমনোরথ কানাই বৃষ্টি থেকে মাথা বাঁচাতে শেতলা মন্দিরের বারান্দায় উঠে আবিষ্কার করল ছিঁচকে চোর পাঁচু দেবতার বরে অদৃশ্য হওয়ার ক্ষমতা লাভ করেছে। নিদারুণ অভিমানে চুরিতে ইস্তফা দিল কানাই। সাম্বাদ্বীপে গিয়েছিল একটা লোক। সেখানে সোনার ঢেঁকি ও নাদা দেখেছিল সে। চিচিঙ্গের মতো লংকা ও সুপুরির মতো সাইজের নারকেল। আরও অনেক অজানা তথ্য জানিয়েছিল লোকটা পটাদাকে। গোপেন দারোগা ঘুমকাতুরে। তাঁর দাবি তাঁর সুশাসনের ফলেই ব্রিজপুকুর এলাকায় চুরি ছ্যাঁচড়ামি একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু হঠাৎ করেই আবার শুরু হল চৌর্যকর্ম। গোপেন দারোগার ঘুমের দফারফা। তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে তাঁরই বাল্যবন্ধু পুলিশে চাকরি না-পাওয়া উপেন। পটাদা নিজেকে গ্লোবট্রটার বলে দাবি করেন গল্পখোর রুবি, রণেন আর কিঙ্কিনীদের কাছে। মাসাইমারা জঙ্গল, তিব্বত, সাহারা মরুভূমি সবই নাকি তাঁর নখের আয়নায়। টাইম মেশিনে চেপে আসা ইডেনের অধিবাসীদেরও চাক্ষুষ করেছেন তিনি। তাঁরই কল্যাণে নাকি প্লুটোনিয়াম বোমার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে পৃথিবী। মালয়েশিয়ার রাবার ফ্যাক্টরির কুলিদের ভূতের উপদ্রব থেকে একবার রক্ষা করেছিলেন পটাদাই। শেষ ট্রেন থেকে নেমে অন্ধকার রাতে বাড়ি ফেরার সময় ভূতের কবলে পড়ল পিলেকান্ত। নিজেকে ‘ড্রাগন’ পরিচয় দিয়েও রক্ষা পেল না। হাতে ছিল সাইকেলের পাম্পার। বুদ্ধি খাটিয়ে সেটাকেই কাজে লাগাল সে। কীভাবে? পাঁচুর লাঙলের ফালে বেধে একদিন উঠে এল সন্দেহজনক একটা পিতলের কলসি। তারপর? এরকমই পঁচিশটি দমফাটা হাসির গল্পে বিচিত্র সব চরিত্রের দেখা মিলবে এই বইয়ে।
হুতোমনামা / HUTOMNAMA
সম্পাদনা: জীবানন্দ চট্টোপাধ্যায়
হুতোম পেঁচার নকশা-র প্রকৃত লেখক কে? শতবর্ষ পূর্বে এ নিয়ে প্রথম প্রশ্ন উঠেছিল। শতবর্ষ পেরিয়ে হুতোমের প্রকৃত পরিচয়ের সন্ধানে আজও অনুসন্ধিৎসু বিবিদিষু পাঠক।এ গ্রন্থে সেই অনুসন্ধানে ব্রতী এক জিজ্ঞাসু পথিক।
আলোর পথে কল্পগ্রহে / Alor Pathe Kalpograhe
শ্রাবণী কর
ছোট্টো ছোট্টো ছয়টি ছেলেমেয়ে আমাদের এই চেনা পৃথিবী থেকে আলোর পথে পাড়ি দিয়ে পৌঁছে গেছে এক কল্পগ্রহে। কী হল তারপর? নতুন গ্রহের মানুষদের সঙ্গে ওরা কি ভাব জমাতে পারল? মানবিকতায়, সংবেদনশীলতায় ওরা কি হেরে গেল সেই গ্রহের বাসিন্দাদের কাছে? জানতে হলে পড়তে হবে উত্তেজনায় টানটান এই কল্পবিজ্ঞানের গল্প।
মহাকাশের মৃত্যুদূত / MAHAKASHER MRITYUDUT
রাজেশ বসু
বাংলার সাহিত্যে কিশোরপাঠ্য মৌলিক কল্পবিজ্ঞানের কাহিনি যখন ডোডোপাখির মতোই বিলুপ্তির পথে, তখনই রাজেশ বসু লিখে ফেললেন মহাকাশের মৃত্যুদূত। একটি নয়, দুটি নয়, তিন-তিনটি রোমহর্ষক সায়েন্স ফিকশন এখানে মলাটবন্দি একসঙ্গে। প্রথম উপন্যাস মহাকাশের মৃত্যুদূত-এ কাহিনির চরিত্ররা পৌঁছে যায় ২২৮ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরের লাল গ্রহটিতে। ফিরতি পথে মহাকাশযানে হানা দেয় এক মারণ বীজাণু। কী হয় তারপর? অভিযাত্রীরা কি পারল পৃথিবীতে ফিরে আসতে? বন্ধু শিরিনের ডাকে বিজ্ঞানী ভাস্কর এসে পৌঁছোন কায়রো শহরে। ধনকুবের বেঞ্জামিন হেস্কেলের কাছে একটি আশ্চর্য পুথি দেখার পর থেকেই একের পর এক রহস্যময় ঘটনা ঘটতে শুরু করে। মমি কি কখনও জীবন্ত হতে পারে? জানতে গেলে পড়তে হবে মমি রহস্য। শেষ উপন্যাস ইন্যুয়িতের দেশে গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ বিপন্ন পঁচাত্তর বছর পরের পৃথিবীর কাহিনি। এমনই এক ক্রান্তিকালে বিজ্ঞানী জেঠুর সঙ্গী হয়ে বৃতি পাড়ি দেয় উত্তর মেরু। কী হয় তারপর?
DINGINOUKO (2nd Year) / ডিঙিনৌকো
৬টি উপন্যাস, ৪০টি ছোটোগল্প-বিজ্ঞান-বিশেষ রচনা, ৩১টি কবিতা ও ছড়া, ১টি নাটক, ২টি কমিক্স এবং কুইজ, খেলা, উৎসব ও চিঠিপত্র নিয়ে প্রকাশিত হল দ্বিতীয় বর্ষ ডিঙিনৌকো।
পাতায় পাতায় অলংকরণ ও মনোরম চিত্রশোভিত এমন বর্ণাঢ্য, সর্বাঙ্গসুন্দর সাহিত্যবার্ষিকী শুধু বাংলা প্রকাশনায় নয়, আন্তর্জাতিক প্রকাশনাতেও বিরল। দ্বিতীয় বর্ষ ডিঙিনৌকো-র জন্য লব্ধপ্রতিষ্ঠ সাহিত্যিকদের পাশাপাশি যথারীতি কলম ধরেছেন শিশুসাহিত্যে নিবেদিতপ্রাণ প্রায় সকল লেখকই। নিঃসন্দেহে, ডিঙিনৌকো-ই বিশ্ব বাংলা শিশুসাহিত্যের সেই সুযোগ্য প্রতিনিধি, যার অলংকরণে দুই বাংলার শ্রেষ্ঠ ইলাস্ট্রেটর ও চিত্রশিল্পীরা।
বর্ষীয়ান কবি তথা জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী শিশুসাহিত্যিক সুনির্মল চক্রবর্তীর সম্পাদনায় ডিঙিনৌকো শিশু-কিশোরদের জন্য এক অভিনব সাহিত্যবার্ষিকী।
এর পাতা উলটে ছোটোরা তো বটেই, বড়োরাও হারিয়ে যাবেন গল্প-ছবির স্বপ্নরাজ্যে।
মারণ ভিডিয়ো গেম-এর আক্রমণে আমাদের শৈশব যখন আক্রান্ত, যুদ্ধবাজ অশুভ শক্তির হানায় আমাদের দৈনন্দিন জীবন যখন দুঃস্বপ্নময়, পারুল প্রকাশনীর ডিঙিনৌকো তখন আবার নতুন করে দেখায় স্বপ্ন, নতুনভাবে শোনায় বেঁচে থাকার গান।
HATIRA ELO KOLKATAY / হাতিরা এল কলকাতায়
শিশির মজুমদার
হাতিরা কি কখনো কলকাতায় এসেছিল? আর বাঘেরা? ওরেব্বাবা! যদি এসে থাকে, তাহলে সে-তো একেবারে হুলুস্থুল কাণ্ড! কেলেঙ্কারিও বলা যেতে পারে। আচ্ছা, তাহলে মানুষেরা তখন কী করছিল? তারা কি মজা দেখছিল? নাকি প্রাণ নিয়ে পালানোর জন্য দিয়েছিল চোঁ-চাঁ দৌড়? জানতে গেলে পড়তে হবে খুব ছোটোদের জন্য লেখা মন ভালো করে দেওয়া এই গল্পের বইটি।

Reviews
There are no reviews yet.