মহাবিদ্রোহ, উত্তর পূর্বাঞ্চল ( MAHABIDROHA) PANNALAL ROY
১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রাহ ভারতবর্ষের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা I এই বিদ্রোহের কারণ ব্যাপ্তি ও বিস্তার এবং জনজীবনে এর প্রভাব নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে I
₹70.00 ₹59.50
১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রাহ ভারতবর্ষের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা I এই বিদ্রোহের কারণ ব্যাপ্তি ও বিস্তার এবং জনজীবনে এর প্রভাব নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে I
১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রাহ ভারতবর্ষের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা I এই বিদ্রোহের কারণ ব্যাপ্তি ও বিস্তার এবং জনজীবনে এর প্রভাব নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে I
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
AS PER NEP 2020
B.A. History (Minor & Major)
অমলেন্দু দে
দ্বিজাতিতত্ত্ব সম্পর্কে ফজলুল হকের মতামত ঠিক কী ছিল, সে বিষয়ে আমাদের ধারণা আজও স্বচ্ছ নয়। অসাম্প্রদায়িক ও উদারচেতা ফজলুল হক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করায় অনেকেই বিস্মিত হয়েছিলেন। তাঁকে বিভেদকারী বলে চিহ্নিত করার এক ধরনের অশিক্ষিত প্রবণতা আজও আমাদের মধ্যে কাজ করে। কিন্তু যে কথা শিক্ষিত বাঙালি সহজেই বিস্মৃত হয়, তা হল_ জিন্নার বিভেদপন্থার বিরুদ্ধে প্রথম বলিষ্ঠ প্রতিবাদ ফজলুল হকের কণ্ঠেই ধ্বনিত হয়েছিল। তিনিই সর্বপ্রথম ধর্মের ভিত্তিতে গঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রের ভিত আলগা করে দেন এবং পূর্ব বাংলার মানুষকে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভাবধারায় উদ্দীপিত করেন। তাই আজ যখন ঢাকার শাহবাগ স্কোয়ারে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পুনরুত্থান ঘটছে, দেশভাগ-পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে ফজলুল হকের ভূমিকায় পুনর্মূল্যায়ন আশু প্রয়োজন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য বুঝতে হলে খাঁটি বাঙালি ফজলুল হককে প্রথমে বুঝতে হবে। বর্তমান গ্রন্থে ১৯১৩ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত বাংলার রাজনীতিতে ফজলুল হকের ভূমিকার বিশদ আলোচনা করা হয়েছে।
সংকলন ও সম্পাদনা বারিদবরণ ঘোষ
প্রথম মহাযুদ্ধের আরম্ভ ১৯১৪ সালের জুলাইয়ে। সেটা ১৩২১ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ মাস। সাত সমুদ্র তেরো নদী পেরিয়ে ভারতবর্ষের সে মহাসমরের সংবাদ এসে পৌঁছোয়। যুদ্ধের খবর প্রথম উল্লেখযোগ্যভাবে প্রকাশিত হয় ঠাকুরবাড়ির মাসিক পত্রিকা ভারতী-তে। তারপর একে একে ভারতবর্ষ, প্রবাসী, মাসিক বসুমতী, সমর-সংবাদ প্রভৃতি বিভিন্ন পত্রপত্রিকার মহাযুদ্ধের সংবাদ প্রকাশিত হতে থাকে। ভারতী—তেই সে বছর ‘বর্তমান ইউরোপীয় সমর’ নাম এক দীর্ঘ নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। বাংলা সাময়িক পত্রপত্রিকার যুদ্ধ বিষয়ক যেসকল লেখা প্রকাশিত হয়, তার কিছু স্মৃতিমূলক_ প্রত্যক্ষভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন যাঁরা তাঁদের জার্নাল ও চিঠি। আবার কোনো কোনো লেখায় আমরা পাই যু্দ্ধে বিষয়ক বিশ্লেষণধর্মী প্রবন্ধ-নিবন্ধ। এ ছাড়াও মিলবে স্বদেশ থেকে বহুদূরে যুদ্ধে ময়দানে যা ঘটে চলেছে তার তাৎক্ষণিক বিবরণ ও সেইসঙ্গে যু্দ্ধপ্রকরণ নিয়ে অনুসন্ধানী নিবন্ধও। এই মহাযুদ্ধে গোটা বিশ্ব দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। একদিকে ছিল ইংল্যান্ড, বেলজিয়াম, ইটালি সার্বিয়া, রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ, অন্যদিকে জার্মানি, অস্ট্রিয়া, বুলগেরিয়া, তুর্কস্থান প্রমুখ শক্তি। কিন্তু প্রথম মহাযুদ্ধের আনুপূর্বিক ইতিহাস বিবৃত করা এই গ্রন্থের উদ্দেশ্য নয়। এই মহাযুদ্ধে ভারতবর্ষের ভূমিকাও আমাদের আলোচনার পরিধিভুক্ত হয়নি। বঙ্গসন্তান হিসেবে যে প্রশ্ন আমাদের মনে উঠে আসে_ বাঙালিরা কি এতে শামিল হয়েছিলেন ? তার উত্তর খুঁজতে গিয়ে সমসাময়িক বাংলা পত্রপত্রিকায় যুদ্ধ বিষয়ক সংবাদাদি সংগ্রহ করার পর যা পাওয়া গেল, তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। একদিকে এই সংকলন খোঁজ দেয় প্রথম মহাযুদ্ধের কারণে উদ্ভুত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির দেশীয় মূল্যায়নের। অন্যদিকে তা আঘাত করে ‘বাঙালি ভীরুজাতি’_এই ভ্রান্ত ধারণার মূলে। আমরা জানতে পারি, বাঙালির শুধু দলে দলে এই মহাসমরে যোগদানই করেননি, তাঁদের রক্তে রাঙা হয়ে উঠেছিল বহু বিদেশি যুদ্ধপ্রান্তর।

Reviews
There are no reviews yet.