সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
তিন বন্দ্যোপাধ্যায়-উত্তর বাংলা কথাসাহিত্যে অন্যতম প্রধান স্বর, নিঃসন্দেহে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্বাচিত দশটি উপন্যাস এখানে সংকলিত হয়েছে দুটি খণ্ডে।


₹400.00 ₹320.00
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
তিন বন্দ্যোপাধ্যায়-উত্তর বাংলা কথাসাহিত্যে অন্যতম প্রধান স্বর, নিঃসন্দেহে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্বাচিত দশটি উপন্যাস এখানে সংকলিত হয়েছে দুটি খণ্ডে।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
‘নারীর দুঃখ’ হোক কিংবা ‘তেহেরানের স্বপ্ন’, প্রেম সুনীলের প্রতিটি গল্পে আলাদা এক চিত্রকল্প তৈরি করে। কখনো সেখানে আহত বাঘের মতো নায়ক চেটে নেয় নিজের ক্ষতস্থান, কখনও বা নায়িকাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে অনির্বচনীয় এক ভয়। দৃঢ় স্বাস্থ্যময়, গৌরবর্ণ উজ্জ্বল মুখ বৈমানিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে একটি গল্পে আরও মহীয়ান হয়ে উঠতে বলে মনীষার এক প্রেমিক, আরেক গল্পে প্রথমে যেমন জাহাজের মাস্তুলটুকু শুধু দেখতে পাওয়া যায়, তেমনি দূরে অবিনাশ দেখতে পায় রানির সুডৌল হাতটিকে। ‘মঞ্জরী’ গল্পে মঞ্জরীকে দেখে কথকের মনে হয় পৃথিবীতে কোনো ময়লা নেই, দুর্গন্ধ নেই, ঘাম নেই। কোথাও মানুষকে মানুষ মারছে না। মোলায়েম স্নিগ্ধ হাওয়ায় পৃথিবীটা ভরে গেছে। রাস্তা হয়ে যায় নদী, দুজনে দুদিকে, পার হবার উপায় নেই। ট্যাক্সির ব্রেক কষার দারুণ শব্দে রুক্ষ বাস্তবে ফিরে আসে কাহিনি। এইভাবেই বাস্তব আর কল্প-বাস্তব, স্বপ্ন আর দূরত্ব, প্রতীক্ষা আর ব্যর্থতা তৈরি করে প্রেমের অনিঃশেষ এক আখ্যান। স্বভাবতই, ‘রোম্যান্টিক’ বা অন্য কোনো সীমায়িত অভিধা তিরিশটি গল্পে ব্যাপ্ত বিচিত্র এই অনুভবরাশির নির্যাসকে আঘ্রাণ করতে অক্ষম।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ
মুহূর্ত যখন বাঙ্ময় হয়ে ওঠে, মুহূর্তকথারা পাড়ি দেয় এক অজানা যাত্রাপথে। দেশকালের সীমা ছাড়িয়ে তারা হয়তো শ্রোতাকে, পাঠককে নিয়ে যায় অন্য এ মহান অঙ্গনে, যেখানে ঋদ্ধ হতে হয় ভিন্ন এক পাঠ-অভিজ্ঞতায়, অভিনব কোনো জীবনবোধে। হয়ে ওঠা অথবা না-হয়ে ওঠা এই মুহূর্তকথারাই চিরায়ত কথাসাহিত্যের প্রাণ, তারাই সাঁতারু প্রজন্মস্মৃতির এই প্রবহমান স্রোতে। ‘মুহূর্তকথা’_এই শিরোনামে পারুল প্রকাশনী নিবেদন করছে বাংলা ছোটোগল্পের চিরায়ত সৃজন-কর্মগুলিকে। আরম্ভেই থাকছে অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গ্যোপাধায়, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বাণী বসু_এই চার কথাসাহিত্যিকের নির্বাচিত সেই গল্পসংগ্রহ, যা কালোত্তীর্ণ, যার সংরাগে কোনো এক ভিজে স্টেশনের দিকে চকিত সফর আমাদের।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
তিন বন্দ্যোপাধ্যায়-উত্তর বাংলা কথাসাহিত্যে অন্যতম প্রধান স্বর, নিঃসন্দেহে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্বাচিত দশটি উপন্যাস এখানে সংকলিত হয়েছে দুটি খণ্ডে।
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
মহাকবি সোমদেব ভট্ট
কথারূপ সরিৎসমূহের সাগর-ই কথাসরিৎসাগর। মহাকবি সোমদেব ভট্ট বিরচিত এই মহাগ্রন্থের স্বাদু অনুবাদ ও পুনঃকথন এই প্রথম বাংলায়। গল্পের মধ্য থেকে বেরিয়ে আসছে আর-একটি গল্প। তা থেকে আরও একটি _এরকমভাবে গল্পের প্রবাহ সৃষ্টি করেছে অসংখ্য তরঙ্গের যারা মিলেমিশে তৈরি করেছে কথাসাহিত্যের এক অতলান্ত সমুদ্র যা বহু ক্ষেত্রেই আদি ও বীভৎসরসে সিঞ্চিত। এতৎসত্ত্বেও গৃহী পাঠকের জন্য এখানে উপস্থিত হিতকথা, নীতিবাক্য ও শাস্ত্রীয় উপদেশ।
অনেক শিল্পী নির্জনতা-বিলাসী কিংবা একান্তভাবে নিজের রং-তেল-জল-ক্যানভাস নিয়েই মগ্ন থাকেন আবার অনেক শিল্পী শিল্পের অন্যান্য শাখা সম্পর্কেও বিশেষ আগ্রহী। যেমন অনেক কবি ছবি দেখেন না, কবিতার জগৎ ছেড়ে অন্য দিকে মুখ ফেরান না, আবার অনেক কবি প্রেরণা পান ছবি কিংবা গান থেকে। আমরা আমাদের নিজেদের সীমানা ছাড়িয়ে অন্য যত কিছুই গ্রহণ করি না কেন, তাতেও আমাদের মস্তিষ্কে স্মৃতির অনেক কোষ খালি থাকে। সুতরাং গ্রহণ করার কোনো শেষ নেই।
ঔপন্যাসিক স্বয়ং যখন চয়ন করে নেন তাঁর উপন্যাসমালার এক-একটি আখ্যান, তখন নিশ্চিতভাবেই সেই নির্বাচনের পিছনে কোনো–না-কোনো অভিপ্রায় কাজ করে। ‘শ্রীবুদ্ধদেব গুহর স্বনির্বাচিত উপন্যাস’ (প্রথম খণ্ড) আমাদের বিস্ময় উদ্রেক করেছিল। সাতটি উপন্যাস নিয়ে শুরু হয়েছিল যে-সিরিজ, তাঁর দ্বিতীয় খণ্ডে এসে রচিত হয় এমন এক জীবন যে- জীবনকে ঘিরে এমন এক বহুমাত্রিক আখ্যান, যার সহস্র দ্বার অবারিত। উপন্যাসের এই সহস্র দুয়ার দিয়ে পাঠক পরিভ্রমণ করেন কথাসাহিত্যের ভুবনে।
বুদ্ধদেব গুহ
কর্মজীবন থেকে সেমি-রিটায়ার্ড গৌতমনারায়ণ ধৃতির সঙ্গে এসেছেন চম্পাঝরনের বনবাংলোতে। একদিকে অনির্বচনীয় নৈসর্গিক সৌন্দর্য, অন্যদিকে নারীশরীরের নিষিদ্ধ আঘ্রাণ_এ আসলে আত্মানুসন্ধানী গৌতমনারায়ণের অন্য এক আরণ্যক নির্বাসন। একসময়ের দুর্ধর্ষ শিকারি এই মানুষটি নারীর হৃদয়শিকারেও সমদক্ষতার অধিকারী। শরীরের সংস্কারও তাঁর নেই। শুধু অ্যানজিওপ্লাস্টি হওয়ার পর থেকে বেপরোয়া অ্যাডভেঞ্চারের ঝোঁক হয়তো সংবৃত হয়েছে কিয়দংশ। সাতপুরা পর্বতমালার পটভূমিতে, ন্যারোগেজ রেললাইন পেরিয়ে, প্রাচীন মহুয়া গাছের আশ্রয়ে, টিটিপাখির ডাক শুনতে শুনতে মহারাষ্ট্রের এই অভয়ারণ্যে গৌতমনারায়ণ আত্মস্থ করছেন তাঁর মোহিনী, সুন্দরী পরিপার্শ্বকে। কিন্তু সুন্দরের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে অপ্রত্যাশিত কোনো ভয়ংকর। অষ্টমীর চাঁদের আলোকেও স্নান করে তীব্র আলোর ঝলকানি জঙ্গল চিরে কাদের যেন খুঁজতে থাকে। কী হল গৌতমনারায়ণের? ধৃতির সঙ্গে তাঁর বন্ধুতা কি কোনও পূর্ণতা পেল? নাকি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়ছে যারা, তিনি জড়িয়ে পড়লেন তাদের সঙ্গে আকস্মিক কোনো সংঘর্ষে? জানতে গেলে পড়তে হবে পাহাড়ি ঝরনার মতো উচ্ছলিত, অসমবয়সী প্রেমের এই অনুপম উপন্যাস।
সাতটি উপন্যাস নিয়ে ‘শ্রীবুদ্ধদেব গুহর স্বনির্বাচিত উপন্যাস’ (প্রথম খণ্ড) উপন্যাসের পটভূমি জামশেদপুরের রুক্ষ, শুষ্ক শিল্পাঞ্চল। একটি বাঙালি মেয়ের জবানিতে লেখা সেই উপন্যাস। ভুল বিয়ে করে ফেলে অনুশোচনায় দগ্ধ হতে থাকা এক নারী। নাটকীয়ভাবে একের-পর-এক আরও ভুল সম্পর্কে জড়িয়ে যেতে থাকে সে। মেয়েটির অকপট আত্মকথন উন্মোচিত করে আমাদের মধ্যবিত্ত-উচ্চমধ্যবিত্ত সমাজের যাবতীয় ভণ্ডামি। আর ঠিক সেটিই অভিপ্রায় ঔপন্যাসিকের। এই সংগ্রহের সবকটি উপন্যাসই আসলে এক দর্পণ, যার প্রতিচ্ছবিতে পাঠক দেখে ফ্যালেন তাঁর নিজেরই মুখ।
বুদ্ধদেব গুহর নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ
মুহূর্ত যখন বাঙ্ময় হয়ে ওঠে, মুহূর্তকথারা পাড়ি দেয় এক অজানা যাত্রাপথে। দেশকালের সীমা ছাড়িয়ে তারা হয়তো শ্রোতাকে, পাঠককে নিয়ে যায় অন্য এক মহান অঙ্গনে, যেখানে ঋদ্ধ হতে হয় ভিন্ন এক পাঠ-অভিজ্ঞতায়, অভিনব কোনো জীবনবোধে। হয়ে ওঠা অথবা না-হয়ে ওঠা এই মুহূর্তকথারাই চিরায়ত কথাসাহিত্যের প্রাণ, তারাই সাঁতারু প্রজন্মস্মৃতির এই প্রবহমান স্রোতে। ‘মুহূর্তকথা’_এই শিরোনামে পারুল নিবেদন করছে বাংলা ছোটোগল্পের চিরায়ত সৃজনকর্মগুলিকে। মুহূর্তকথা-র এই দ্বিতীয় পর্যায়ে আমাদের নিবেদন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহাশ্বেতা দেবী, বুদ্ধদেব গুহ ও হর্ষ দত্তর নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ।
Reviews
There are no reviews yet.