সাহিত্য সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত সমালোচক প্রদ্যোত বিশ্বাস অধ্যাপনার পাশাপাশি গবেষক ও বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক রূপে বাংলা সাহিত্যের পাঠক ও সুধীমহলে ইতিমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছেন। তাঁর ছিন্নপত্র ছিন্নতার অন্তরালে, নজরুল কবিতার দিনে দিনান্তরে, সংস্কৃত সাহিত্যের নির্বাচিত পাঠ, বৈষ্ণব পদ প্রসঙ্গ (সম্পাদনা) পাঠকের মন জয় করেছে। সম্পাদিত গ্রন্থের ক্ষেত্রেও তাঁর ভাবনা অভিনবত্বের দাবি রাখে। সম্পাদিত গ্রন্থ এবং পত্র-পত্রিকায় তাঁর অনেক বিষয়ে নিবন্ধ প্রকাশিত। ইতিহাস জ্ঞান এবং সরস আকর্ষণীয় পরিবেশন নৈপুন্য অসাধারণ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা স্নাতক সাম্মানিক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণির পাঠসূচিতে রবীন্দ্রগল্প অন্তর্ভুক্ত। সম্পাদক প্রদ্যোত বিশ্বাস অধ্যাপক-অধ্যাপিকাদের আলোচিত প্রবন্ধগুলি সম্পাদনা করে গ্রন্থটি পাঠকদের হাতে তুলে দিয়ে তাঁদের রবীন্দ্রগল্প পাঠ ও অন্বেষণে
উদ্বুদ্ধ করেছেন।
আলোচকরা নিজ দৃষ্টিকোণে এবং সমকালীন চিন্তনরীতির নিরিখে রবীন্দ্রগল্পের আলোচনা করেছেন- যা পাঠকের প্রয়োজন ও কৌতুহল উভয়-ই মেটাবে। গ্রন্থটি মূলত ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে রূপ পেলেও সুধী পাঠকেরও কৌতূহল চরিতার্থ করবে এ বিশ্বাস রাখি।
পাতায় পাতায় গল্প – রতনতনু ঘাটী / PATAY PATAYA GALPO
₹60.00ডিং ডং মাঝে মাঝে আজব ভাষায় কথা বলে। তার ভাষায় ‘মাকাটিলি’ মানে ‘লিপইয়ার’। স্কুলে আবৃত্তির পর সে বলল, ‘ইকিতানি’। এর মানে নাকি ‘নমস্কার’। টুপুরের জানলার ওপাশে বাতাবি লেবুর গাছে একটা পাখি এসে বসে। ওকে দেখলেই তার আর পড়ায় মন বসে না। যোগের বেলায় বিয়োগ করে বসে। বাবা একদিন মা-র কথায় দুটো লাঠিতে নিজের ছেঁড়া জামা গলিয়ে বানিয়ে দিলেন পাখিতাডুয়া। তারপর আর পাখিটা আসে না। টুপুরের মনটাই আর ভালো নেই। ঝিমলি আর কাকুর দুই ছেলে-মেয়ে টিটুল আর টিকলি। তাদের পুতুল খেলার রাজ্য ছাদে তার নাম ‘খেলাঘরপুর’। বড়োদের কী নিয়ে যেন কথা বন্ধ, তাই ওদের একসঙ্গে পুতুল খেলাও বারণ। এখন ওরা পুতুলগুলো কি নিজেরা ভাগ করে নেবে? এরকম উনিশটি গল্প নিয়ে এই বই। যারা সবে বই পড়তে শিখেছে বা যারা গড়গড়িয়ে পড়তে পারে, তাদের জন্যে গল্পগুলো লেখা। যারা বই পড়তেই পারে না এখনও, বড়োরা যাদের বই পড়ে শোনান, এই গল্পগুলো তাদের জন্যও।

Reviews
There are no reviews yet.