ষোড়শ শতাব্দীর লন্ডন। সদ্য স্প্যানিশ আর্মাডাকে পরাভূত করে অবিসংবাদিত ক্ষমতার অধিকারিণী হয়েছেন রানি প্রথম এলিজাবেথ। একদিকে শুরু হয়েছে কঠোর হাতে ক্যাথলিক দমন, অন্যদিকে সদ্য জন্ম নেওয়া থিয়েটারকেও কড়া নজরে রেখে চলছে জনগণমনের নিয়ন্ত্রণ।
লন্ডনের নাট্যজগৎ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন অক্সফোর্ড-কেমব্রিজের মেধাবী স্নাতকেরা, যাঁরা প্রখ্যাত ‘ইউনিভার্সিটি উইট’ নামে। ট্যামবুরলাইন দ্য গ্রেট, ডক্টর ফস্টাস প্রভৃতি নাটক লিখে ক্রিস্টোফার মার্লো তখন খ্যাতির মধ্যগগনে। রবার্ট গ্রিন, টমাস ন্যাশ, জন লিলি, টমাস লজ, জর্জ পিল এবং টমাস কিডের জনপ্রিয়তাও কম নয়। অনবদ্য গদ্যরচনায় মুগ্ধ করছেন বিদগ্ধ দার্শনিক-বৈজ্ঞানিক ফ্রান্সিস বেকন।
একদিকে রাজকীয় বৈভব, অন্যদিকে হতশ্রী নিম্নবর্গীয়দের জীবন, একদিকে বিশ্বজুড়ে সমুদ্র বাণিজ্য ও উপনিবেশ, অন্যদিকে দুঃসহ দারিদ্র্য, একদিকে শিল্পসাহিত্যে নবজোয়ার, অন্যদিকে দিনেদুপুরে অপহরণ, খুনজখম, রাহাজানি- এক অদ্ভুত বৈপরীত্যের সমাহারে ভরা এই রাজধানী শহরে এসে পৌঁছোলেন অ্যাভন নদীর ধারে জন্ম নেওয়া এক মফস্সলি তরুণ। নাম তাঁর উইলিয়ম শেক্সপিয়র।
অভিনেতা হিসেবে শুরু, তারপর নাট্যকার, শেষে নাট্যদলের অংশীদার। এলিজাবেথীয় ও জ্যাকোবীয় ইংল্যান্ডের ক্রুর বাস্তবতার সঙ্গে যুঝতে-যুঝতে চলতে থাকা এক অক্ষরশিল্পীর অস্তিত্বের লড়াই। সেন্সরের কাঁচি, প্লেগের আতঙ্ক, প্রতিদ্বন্দ্বীদের ঈর্ষা, ষড়যন্ত্র, রাজদরবারের অনিশ্চিত পৃষ্ঠপোষকতা- এসব কিছুর মধ্যেই শেক্সপিয়র নির্মাণ করতে থাকেন এমনই সব তাবিস্মরণীয় চরিত্র, যারা এই একুশ শতকীয় পৃথিবীতেও একইরকম জীবন্ত ও প্রাসঙ্গিক।
ঋষি দাসের কলমে শেক্সপিয়রের জীবন ও সময় কোনও প্রথানুগ জীবনকথা নয়, তা এক রক্তমাংসের মানুষের অবিস্মরণীয় কাহিনি। মঞ্চ, রাষ্ট্র, ষড়যন্ত্র-এক বহুস্তরিক সময়ের প্রেক্ষিতে ফিরে দেখা একটি জীবন, একটি যুগ।
HELLO COMPUTER-2 / হ্যালো কম্পিউটার-২
UCHHAMADHYAMIK BANGLA REFERENCE -11 (SEMESTER-I) || উচ্চমাধ্যমিক বাংলা রেফারেন্স – ১১ (সেমিস্টার-I) [Free Reference]
BHARATER ITIHAS (PRACHIN YUG) / ভারতের ইতিহাস (প্রাচীন যুগ) B.A. (AS PER NEP 2020) 
Reviews
There are no reviews yet.