কবি, বৈয়াকরণ, জ্যোতির্বিদ, চিকিৎসক, দার্শনিক, গণিতজ্ঞ অসামান্য প্রতিভাধর ভাস্করাচার্য (১১১৪-১১৮৫ খ্রি) ভারতীয় গণিতের ধ্রুপদি যুগের মধ্যবর্তী সময়ের পরবর্তী গণিতের সব শাখাকেই সমৃদ্ধ করেন। সংস্কৃত ভাষায় তাঁর রচনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত-শিরোমণি যা লীলাবতী (মূলত, পাটিগণিত), বীজগণিত, গ্রহগণিত (planetary motion) এবং জ্যোতির্বিদ্যা- এই চার ভাগে বিভক্ত। লীলাবতীতে (পাটিগণিত) তিনি জ্যামিতি, বীজগণিত আর পরিমিতিকে স্থান দিয়েছেন। বীজগণিত তিনি পৃথকভাবে রচনা করেন। মধ্যযুগে ভারতে বীজগণিত স্বতন্ত্র বিষয় হয়ে তুলনামূলক সভ্যতাগুলির মধ্যে সর্বাধিক অগ্রণী ছিল। জ্যোতির্বিদ্যার প্রসারে বীজগণিতের সূত্র প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধ হওয়ায় পাঁচশত খ্রিস্টাব্দ থেকে যে ঐতিহ্যের শুরু, তাকে ভাস্করাচার্য উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যান। তাঁর তত্ত্বের পরিপ্রেক্ষিতে বীজগণিতীয় নানাবিধ সমস্যা আর তার সমাধানের প্রক্রিয়ার অনন্য বৈশিষ্ট্য পাঠককে মুগ্ধ করবে।
সঙ্গীত দীপিকা / SANGEET DEEPIKA
₹2,000.00দীপক দে
সঙ্গীতের ইতিহাস মানবজাতির ইতিহাসের মতোই মহাকালের গহ্বরে লীন হয়ে আছে। তাই বেদ-পূর্ব সঙ্গীতের ইতিহাস থেকে গেছে অজ্ঞেয়। সঙ্গীতের প্রথম আভাস পাওয়া যায় ঋগ্বেদের উদাত্ত, অনুদাত্ত, স্বরিত, প্রচিত, কম্প প্রভৃতি স্বরে। তারপর সামবেদের সপ্তস্বরের ঝরনাধারায় সৃষ্টি হলো সঙ্গীত মহাসাগর। সৃষ্টি হলো মার্গ ও শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের_সৃষ্টি হলো রাগরাগিণীর অপার ঐশ্বর্যের। উদ্গাতার সামগানে তুষ্ট হন অভীষ্ট দেবতা_তুষ্ট হন স্বয়ং ঈশ্বর।
সামসঙ্গীত শুধু ভারতীয় সঙ্গীতের নয়, পৃথিবীর সব সঙ্গীতেরই আদি।
বটকেষ্টবাবুর ছাতা || BATAKESHTABABUR CHHATA 
Reviews
There are no reviews yet.