এই গ্রন্থে কবির শিক্ষাচিন্তা, পল্লীচিন্তা এবং বিশ্বচিন্তা কবির উদ্ধৃতিসহ আলোচিত হয়েছে। কবি নিজেই বলেছিলেন, “টাগোরকে সাজতে হচ্ছে কখনো শিক্ষাসংস্কারক, কখনো পল্লীসংস্কারক, কখনো বিশ্বসংস্কারক।”
পদ্মাচরের নির্জনবাস ছেড়ে তিনি প্রবেশ করেছিলেন বিরাট কর্মক্ষেত্রে; যথাসর্বস্ব দিয়েছিলেন তাঁর সেই সাধনার ক্ষেত্রে উজাড় করে। বলেছিলেন, “আমি ধনী নই, আমার যা সাধ্য ছিল, আমার যে সম্পত্তি ছিল, যে সামান্য সম্বল ছিল, আমি এই অপমানিতের জন্য তা দিয়েছি।”-আক্ষেপ করে বলেছিলেন, “জীবনে অনেক নিন্দা সয়েছি, অনেক নিন্দা এখনও আমার ভাগ্যে আছে। আমি ধনী সন্তান, দরিদ্রের অভাব জানি না, বুঝতে পারি না-এ অভিযোগ যে কত বড়ো মিথ্যা তা আপনারা আজ উপলব্ধি করুন ।.. আমি গদ্যে পদ্যে ছন্দে অনেক-কিছু লিখেছি, সে সব বেঁচে থাক বা না থাক, তার বিচার ভবিষ্যতের হাতে। কিন্তু আমি ধনীর সন্তান, দরিদ্রের অভাব জানিনে, বুঝিনে, পল্লী উন্নয়নের কোনো সন্ধানই জানিনে, এমন কথা আমি মেনে নিতে রাজি নই।” নবভারত গঠনে কবি-পরিকল্পিত, কবি-উদ্ভাবিত এবং কবি-কর্তৃক-উদ্বোধিত বহুমুখী রাজপথের নিশানা একটিমাত্র গ্রন্থের মাধ্যমে জানতে হলে এ গ্রন্থের প্রয়োজন আছে।
কবির নীরা || KABIR NIRA
₹416.00অনেক শিল্পী নির্জনতা-বিলাসী কিংবা একান্তভাবে নিজের রং-তেল-জল-ক্যানভাস নিয়েই মগ্ন থাকেন আবার অনেক শিল্পী শিল্পের অন্যান্য শাখা সম্পর্কেও বিশেষ আগ্রহী। যেমন অনেক কবি ছবি দেখেন না, কবিতার জগৎ ছেড়ে অন্য দিকে মুখ ফেরান না, আবার অনেক কবি প্রেরণা পান ছবি কিংবা গান থেকে। আমরা আমাদের নিজেদের সীমানা ছাড়িয়ে অন্য যত কিছুই গ্রহণ করি না কেন, তাতেও আমাদের মস্তিষ্কে স্মৃতির অনেক কোষ খালি থাকে। সুতরাং গ্রহণ করার কোনো শেষ নেই।

Reviews
There are no reviews yet.