এই তো সময়
এ কালের এক প্রবীন লিজেন্ডের নিজের দেখা ও বাবার কাছে শোনা মজার মজার কান্ড , প্রায় অবিস্সাস্য ঘটনা I
₹80.00
এ কালের এক প্রবীন লিজেন্ডের নিজের দেখা ও বাবার কাছে শোনা মজার মজার কান্ড , প্রায় অবিস্সাস্য ঘটনা I
এই নতুন দুনিয়ার কিছু অর্বাচীনের ধারণা ইন্টারনেটে সব মেলে । অবশ্যই মেলে কিন্তু হৃ্দয়ের খবর মেলে না। হৃ্দয়ের গভীর থেকে সেই সব হাসি কান্না হীরা পান্নার খবর লেখক তুলে আনলেন ।
এ কালের এক প্রবীন লিজেন্ডের নিজের দেখা ও বাবার কাছে শোনা মজার মজার কান্ড , প্রায় অবিস্সাস্য ঘটনা I
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
আঁতোয়ান দ্য স্যান্তেক্সুপেরি
কাহিনিকার বৈমানিক। তাঁর বিমান ভেঙে পড়েছে সাহারা মরুভূমিতে। সঙ্গে না-আছে মিস্ত্রি, না-আছে যাত্রী। তিনি একা! সঙ্গে যা জল তাতে বড়ো জোর এক হপ্তা কাটবে। কী করা? দৈবাৎ দেখা হয়ে গেল ছোট্ট রাজকুমারের সঙ্গে। যে এসেছে সুদূরের এক গ্রহ থেকে। ছোট্ট একটা গ্রহ, একটা বাড়ির চেয়ে বড়ো কিছু না। শুরু হল বৈমানিক ও রাজকুমারের বন্ধুত্ব। একটু-একটু করে কত কিছুই যে জানা হয়ে গেল বৈমানিকের। একটু-একটু করে গড়ে উঠল আধুনিক যুগের এক সেরা রূপকথা। অপরূপ রূপকথা। ছোটোদের জন্য লেখা, কিন্তু বড়োরা পড়েও মুগ্ধ হবে। পড়ে কী যে আনন্দ! আর চোখের কোণ চিকচিক করে। ছোট্ট রাজকুমার লেখার পরই বৈমানিক-লেখক তাঁর বিমান নিয়ে হারিয়ে যান! রূপকথার নায়কের মতো লেখক রূপকথায় প্রবেশ করেন।
সম্পাদনা: সুনির্মল চক্রবর্তী
আজ যখন বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রকোপে ছিন্নভিন্ন ঋতুচক্র, যখন মানুষের অপরিমিত লোভ নিঃশেষ করছে ভূগর্ভের জলস্তর, যখন খরা, বন্যা আর যুদ্ধে বিপন্ন মানবজাতি, তখন একমাত্র ছোটোরাই পারে স্বপ্ন দেখতে। তারাই পারে নতুন পৃথিবীর স্বপ্ন দেখাতে। নতুন এই ডিঙিনৌকো তাদের বাহন। এতেই সওয়ার হয়ে তারা একদিন ঠিক খুঁজে নেবে সম্ভাবনার নতুন সমুদ্র আর তারায় ভরা নতুন আকাশ।
শৈলেন ঘোষ
কল্পনার জাদুকলমে ছুঁয়ে যাওয়া শৈশব-কৈশোর। অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে যিনি ব্রতী থেকেছেন এ-নির্মাণে, তিনি শৈলেন ঘোষ। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পর শৈলেন ঘোষই সবচেয়ে সার্থকভাবে ছোটোদের জন্য সৃষ্টি করেছেন শব্দ-ছবির ভিন্ন এক জগৎ। রূপকথা, লোককথার প্রচলিত আঙ্গিকে নয়। নিজস্ব ঢঙে ছোটোদের তিনি শুনিয়েছেন তাঁর কাহিনি। স্বপ্নের কল্পনালোকেই শুধু তাঁর বিচরণ নয়, প্রায়শই তিনি নেমে এসেছেন মাটির পৃথিবীতে। সচেতনভাবেই তাঁর গল্প ছোটোদের মনে জাগাতে চায় শুভবোধ। কিন্তু কখনোই তা আরোপিত বলে মনে হয় না। ভাষার জাদুতে সঙ্গী করে নেন খুদে পাঠককে। লেখকের শ্রেষ্ঠ দশটি উপন্যাস-এ রইল আমার নাম টায়রা, হুপ্পোকে নিয়ে গপ্পো, মিতুল নামে পুতুলটি, খুদে যাযাবর ইসতাসি, বন-সবুজের দ্বীপে, পিরামিডের দেশে, মা এক নির্ভীক সৈনিক, নাচ রে ঘোড়া নাচ, ভালোবাসার ছোট্ট হরিণ এবং আয় বৃষ্টি রিমঝিম।
সম্পাদনা: জীবানন্দ চট্টোপাধ্যায়
হুতোম পেঁচার নকশা-র প্রকৃত লেখক কে? শতবর্ষ পূর্বে এ নিয়ে প্রথম প্রশ্ন উঠেছিল। শতবর্ষ পেরিয়ে হুতোমের প্রকৃত পরিচয়ের সন্ধানে আজও অনুসন্ধিৎসু বিবিদিষু পাঠক।এ গ্রন্থে সেই অনুসন্ধানে ব্রতী এক জিজ্ঞাসু পথিক।
কোভিড ১৯-এর মারণ হানায় যখন গোটা বিশ্ব টলমল, তখনই কাশফুলে ভরে উঠেছে সবুজ মাঠ। মাঠের উপরে নীল আকাশ, পাশে তির তির করে বয়ে চলা ছোটো এক নদী। সে নদীতে ভেসে যায় ডিঙ্গিনৌকা এক । সভ্যতার চরম এই সংকটের সময়েও সে জানে, সুসময় আসবেই । শিশুকিশোর সাহিত্যের সেরা সম্ভার নিয়ে তাই সে এগিয়ে চলে আগামীর পথে । অকুতোভয় ।
সংকলন ও ভূমিকা শৈলেন ঘোষ
উপেন্দ্রকিশোর রায়চেৌধুরী (১২মে ১৮৬৩_২৩ ডিসেম্বর ১৯১৫) : শিশুসাহিত্যিক, সম্পাদক, চিত্রকর, শিল্পী, সংগীতজ্ঞ, তথা মুদ্রণশিল্প বিশারদ উপেন্দ্রকিশোরের জন্ম অবিভক্ত বঙ্গের মসুয়া গ্রামের সুবিখ্যাত রায় (পূর্বতন ‘দেনা’ বা ‘দেও’) পরিবারে। পিতা কালীনাথ (শ্যামসুন্দর মুনশি) মাতা জয়তারা। কালীনাথ ও জন্মতারার পাঁচ পুত্র, তিন কন্যার মধ্যে উপেন্দ্রকিশোর ছিলেন মধ্যম। পিতৃদত্ত নাম কামদারঞ্জন। কামদা যখন চার বছেরর শিশু, কালীনাথের জ্ঞাতিভাই জমিদার হরিকিশোর রায়চৌধুরী তাকে দত্তক নেন। নামকরণ করেন উপেন্দ্রকিশোর। মায়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উপেন্দ্রকিশোর কলকাতায় এসে প্রেসিডেন্সি কলেজে ভরতি হন। কিন্তু বিএ পাস করেন ক্যালকাটা মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউট থেকে ১৮৮৪ সালে। পরের বছরই তাঁর বিবাহ হয় ব্রাহ্মনেতা দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের জ্যেষ্ঠা কন্যা বিধুমুখী দেবীর সঙ্গে। সুখলতা, সুকুমার, পুণ্যলতা, সুবিনয় ও শান্তিলতা_তিন কন্যা, দুই পুত্রকে নিয়ে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে এক সুখের সংসার। মুখ্যত শিশুসাহিত্যকে কেন্দ্র করেই উপেন্দ্রকিশোরের সাহিত্যপ্রতিভার স্ফুরণ ও বিকাশ। কলেজে পড়তে পড়তেই ১৮৮৩ সালে শিশুদের পত্রিকা সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল প্রথম রচনা। পরবর্তীকালে তিনি লিখেছিলেন সখা ও সাথী, মুকুল প্রভৃতি পত্রিকাতেও। ১৮৮৫-এ প্রকাশিত হল তাঁর লেখা ছোটোদের রামায়ণ । ওই একই বছের তাঁর নিজস্ব মুদ্রণ সংস্থা U. Ray & Sons.-এর প্রতিষ্ঠা। এরপর একে একে বেরোল ছোটোদের মহাভারত, সেকালের কথা, টুনটুনির বই । ১৯১৩-য় নিজের সম্পাদনায় উপেন্দ্রকিশোর প্রকাশ করলেন ছোটোদের জন্য সচিত্র মাসিক পত্রিকা সন্দেশ, নিঃসন্দেহে যা তাঁর স্মরণীয়তম কীর্তি। এর দু-বছর আট মাস বাদে যখন তাঁর জীবনাবসান ঘটে, ততদিনে এ পত্রিকার ৩২টি সংখ্যা তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত। ২২নং সুকিয়া স্ট্রিটের বাড়ি থেকে গোড়ার দিকে সন্দেশ প্রকাশিত হয়। মুদ্রক ও প্রকাশক ছিলেন ললিতমোহন গুপ্ত। পত্রিকাটি মুদ্রিত হত ৬৪/১ নং সুকিয়া স্ট্রিটে অবস্থিত লক্ষ্মী প্রিন্টিং ওয়ার্কস থেকে। ছড়া, রূপকথা, লোককথা, ইতিহাস, পুরাণ, আবিষ্কারের গল্প কিংবা নিখাদ কল্পকাহিনি_ শিশুসাহিত্যের এমন কোনো শাখার কথাই ভাবা যায় না, যা উপেন্দ্রকিশোর লেখনীর জাদুস্পর্শে নবপ্রাণে সঞ্জীবিত হয়নি। ছোটোদের রামায়ণ থেকে শুরু করে তাঁর লেখা সব গ্রন্থগুলির বাংলা শিশুসাহিত্যের চিরায়ত সম্পদ। তেমনই তাঁর গুপি গাইন বাঘা বাইন, বোকা জোলা, ঘ্যাঁঘাসু প্রমুখ চরিত্র তাদের জন্মলগ্ন থেকে শুরু করে আজ অবধি অবিস্মরণীয়।

Reviews
There are no reviews yet.