যে রাজনৈতিক স্লোগান বা সংহত, সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক বার্তা সুকান্তর কবিতায় দীপ্ত হয়ে ওঠে তা তখনকার উদ্দীপ্ত জনজীবনের স্বপ্নেরই বার্তা, তখনকার সময়েরই দান। তাঁর কবিতায় হয়তো কখনো কখনো রং-তুলির কৈশোরক স্পর্শ কম লেগেছে, কিন্তু আন্তরিকতার অভাব ছিল না। রাজনীতি আর কাব্যিক আবেগের মধ্যে কোনো বিরোধ আছে বলে মনে হয়নি তাঁর। কেনই বা মনে হবে! জীবন-স্বপ্নই তো রাজনীতি। আর, সুকান্ত-র কাছে তাঁর কবিতা তো সেই জীবন-স্বপ্নেরই প্রকাশ। যে ছাড়পত্র দিয়ে কবিতার আসরে নেমেছিলেন তিনি, তাতে ‘এ বিশ্বকে শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি_ নবজাতকের কাছে’_এই অঙ্গীকারই ছিল। মাটির রসের মধ্যে ভাবী বনস্পতির সম্মতি পেয়েছিলেন তিনি। রবীন্দ্রনাথের উচ্চারণেই তিনি ভবিষ্যৎ পৃথিবীর স্বপ্ন দেখেছিলেন। ‘যদিও রক্তাক্ত দিন, তবু দৃপ্ত তোমার সৃষ্টিকে/এখনো প্রতিষ্ঠা করি আমার মনের দিকে দিকে।’ যে ‘বলিষ্ঠ’ শিশুদের জন্যে বাসযোগ্য পৃথিবীর স্বপ্ন দেখেছিলেন সুকান্ত, সেই শিশুদেরই তাঁর কবিতায় দেখা গেল অশ্বত্থ-শিশুর প্রতীকে। উদ্ধত প্রাচীন প্রাসাদের গায়ে অবাধ্য ফাটল ধরিয়ে গোপন শক্তির বারুদ জমিয়ে তারা রক্ত-ঘাম-চোখের জলের ধারায় বিদ্রোহের দূত হয়ে আসছে।
মহাকাশের বন্দিদশা ঘুচিয়ে যখন বসুন্ধরায় ফিরে এলেন অসমসাহসিনী এক ‘ভারতকন্যা’, প্রায় তখনই ভারতমায়ের আর-এক নির্ভীক সন্তান পাড়ি জমালেন অন্তরীক্ষে।
শতরঞ্জের সেরা ‘খিলাড়ি’ যে ইন্ডিয়াই, বারবার তা প্রমাণিত হয়ে যাচ্ছে আমাদের তরুণ, বিশ্বজয়ী দাবাড়ুদের তুখোড় কিস্তিমাতে।
এমনই সব গর্বের মুহূর্ত পেরিয়ে, তোমাদের কাছে এসে গেল ডিঙিনৌকো। ছড়া-কবিতা, গল্প-উপন্যাস, কমিক্স, কুইজ, নিবন্ধ-প্রবন্ধের রকমারি পসরা সাজিয়ে, এবারেও সে ভেসে চলেছে স্বপ্নময়, মায়াবী এক জাদুপৃথিবীর উদ্দেশে
Reviews
There are no reviews yet.