দীপান্বিতা রায়
বাহনদের আমরা চিনি। দেবদেবীদের পায়ের কাছে চুপটি করে বসে থাকে। কিন্তু কেমন করে বাহন হল তারা? গণেশ কেন বাছল ইঁদুরকে কিংবা লক্ষ্মী প্যাঁচাকে? জানতে হলে পড়তেই হবে বাহনের বায়নাক্কা।


₹125.00 ₹100.00
দীপান্বিতা রায়
বাহনদের আমরা চিনি। দেবদেবীদের পায়ের কাছে চুপটি করে বসে থাকে। কিন্তু কেমন করে বাহন হল তারা? গণেশ কেন বাছল ইঁদুরকে কিংবা লক্ষ্মী প্যাঁচাকে? জানতে হলে পড়তেই হবে বাহনের বায়নাক্কা।
Out of stock
দীপান্বিতা রায়
বাহনদের আমরা চিনি। দেবদেবীদের পায়ের কাছে চুপটি করে বসে থাকে। কিন্তু কেমন করে বাহন হল তারা? গণেশ কেন বাছল ইঁদুরকে কিংবা লক্ষ্মী প্যাঁচাকে? জানতে হলে পড়তেই হবে বাহনের বায়নাক্কা।
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
হিরণ্ময় ভট্টাচার্য
এক বর্ষার রাতে চৌধুরি বাড়ি চুরি করতে গিয়ে গোবরের গর্তে পা হড়কে পড়ে গেল কানাপদ। ব্যর্থমনোরথ কানাই বৃষ্টি থেকে মাথা বাঁচাতে শেতলা মন্দিরের বারান্দায় উঠে আবিষ্কার করল ছিঁচকে চোর পাঁচু দেবতার বরে অদৃশ্য হওয়ার ক্ষমতা লাভ করেছে। নিদারুণ অভিমানে চুরিতে ইস্তফা দিল কানাই। সাম্বাদ্বীপে গিয়েছিল একটা লোক। সেখানে সোনার ঢেঁকি ও নাদা দেখেছিল সে। চিচিঙ্গের মতো লংকা ও সুপুরির মতো সাইজের নারকেল। আরও অনেক অজানা তথ্য জানিয়েছিল লোকটা পটাদাকে। গোপেন দারোগা ঘুমকাতুরে। তাঁর দাবি তাঁর সুশাসনের ফলেই ব্রিজপুকুর এলাকায় চুরি ছ্যাঁচড়ামি একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু হঠাৎ করেই আবার শুরু হল চৌর্যকর্ম। গোপেন দারোগার ঘুমের দফারফা। তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে তাঁরই বাল্যবন্ধু পুলিশে চাকরি না-পাওয়া উপেন। পটাদা নিজেকে গ্লোবট্রটার বলে দাবি করেন গল্পখোর রুবি, রণেন আর কিঙ্কিনীদের কাছে। মাসাইমারা জঙ্গল, তিব্বত, সাহারা মরুভূমি সবই নাকি তাঁর নখের আয়নায়। টাইম মেশিনে চেপে আসা ইডেনের অধিবাসীদেরও চাক্ষুষ করেছেন তিনি। তাঁরই কল্যাণে নাকি প্লুটোনিয়াম বোমার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে পৃথিবী। মালয়েশিয়ার রাবার ফ্যাক্টরির কুলিদের ভূতের উপদ্রব থেকে একবার রক্ষা করেছিলেন পটাদাই। শেষ ট্রেন থেকে নেমে অন্ধকার রাতে বাড়ি ফেরার সময় ভূতের কবলে পড়ল পিলেকান্ত। নিজেকে ‘ড্রাগন’ পরিচয় দিয়েও রক্ষা পেল না। হাতে ছিল সাইকেলের পাম্পার। বুদ্ধি খাটিয়ে সেটাকেই কাজে লাগাল সে। কীভাবে? পাঁচুর লাঙলের ফালে বেধে একদিন উঠে এল সন্দেহজনক একটা পিতলের কলসি। তারপর? এরকমই পঁচিশটি দমফাটা হাসির গল্পে বিচিত্র সব চরিত্রের দেখা মিলবে এই বইয়ে।
শ্রাবণী কর
ছোট্টো ছোট্টো ছয়টি ছেলেমেয়ে আমাদের এই চেনা পৃথিবী থেকে আলোর পথে পাড়ি দিয়ে পৌঁছে গেছে এক কল্পগ্রহে। কী হল তারপর? নতুন গ্রহের মানুষদের সঙ্গে ওরা কি ভাব জমাতে পারল? মানবিকতায়, সংবেদনশীলতায় ওরা কি হেরে গেল সেই গ্রহের বাসিন্দাদের কাছে? জানতে হলে পড়তে হবে উত্তেজনায় টানটান এই কল্পবিজ্ঞানের গল্প।
কোভিড ১৯-এর মারণ হানায় যখন গোটা বিশ্ব টলমল, তখনই কাশফুলে ভরে উঠেছে সবুজ মাঠ। মাঠের উপরে নীল আকাশ, পাশে তির তির করে বয়ে চলা ছোটো এক নদী। সে নদীতে ভেসে যায় ডিঙ্গিনৌকা এক । সভ্যতার চরম এই সংকটের সময়েও সে জানে, সুসময় আসবেই । শিশুকিশোর সাহিত্যের সেরা সম্ভার নিয়ে তাই সে এগিয়ে চলে আগামীর পথে । অকুতোভয় ।
৬টি উপন্যাস, ৪০টি ছোটোগল্প-বিজ্ঞান-বিশেষ রচনা, ৩১টি কবিতা ও ছড়া, ১টি নাটক, ২টি কমিক্স এবং কুইজ, খেলা, উৎসব ও চিঠিপত্র নিয়ে প্রকাশিত হল দ্বিতীয় বর্ষ ডিঙিনৌকো।
পাতায় পাতায় অলংকরণ ও মনোরম চিত্রশোভিত এমন বর্ণাঢ্য, সর্বাঙ্গসুন্দর সাহিত্যবার্ষিকী শুধু বাংলা প্রকাশনায় নয়, আন্তর্জাতিক প্রকাশনাতেও বিরল। দ্বিতীয় বর্ষ ডিঙিনৌকো-র জন্য লব্ধপ্রতিষ্ঠ সাহিত্যিকদের পাশাপাশি যথারীতি কলম ধরেছেন শিশুসাহিত্যে নিবেদিতপ্রাণ প্রায় সকল লেখকই। নিঃসন্দেহে, ডিঙিনৌকো-ই বিশ্ব বাংলা শিশুসাহিত্যের সেই সুযোগ্য প্রতিনিধি, যার অলংকরণে দুই বাংলার শ্রেষ্ঠ ইলাস্ট্রেটর ও চিত্রশিল্পীরা।
বর্ষীয়ান কবি তথা জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী শিশুসাহিত্যিক সুনির্মল চক্রবর্তীর সম্পাদনায় ডিঙিনৌকো শিশু-কিশোরদের জন্য এক অভিনব সাহিত্যবার্ষিকী।
এর পাতা উলটে ছোটোরা তো বটেই, বড়োরাও হারিয়ে যাবেন গল্প-ছবির স্বপ্নরাজ্যে।
মারণ ভিডিয়ো গেম-এর আক্রমণে আমাদের শৈশব যখন আক্রান্ত, যুদ্ধবাজ অশুভ শক্তির হানায় আমাদের দৈনন্দিন জীবন যখন দুঃস্বপ্নময়, পারুল প্রকাশনীর ডিঙিনৌকো তখন আবার নতুন করে দেখায় স্বপ্ন, নতুনভাবে শোনায় বেঁচে থাকার গান।
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
এই পঁচিশটি কিশোর গল্পে ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় জয় করে নিয়েছেন ছোটো-বড়ো সকলের মন। বিচিত্র বিষয়ক গল্পগুলির প্রায় প্রত্যেকটিই মনুষ্যত্ববোধের উদ্বোধনে সমুজ্জ্বল। নানান মাত্রায় বাঁধা এই গল্পসংকলন পড়লে কখনো চোখ উঠবে বাষ্পাকুল হয়ে, আবার কখনো মন ভরে উঠবে দুরন্ত কৈশোরের অমলিন আনন্দে।
শৈলেন ঘোষ
কল্পনার জাদুকলমে ছুঁয়ে যাওয়া শৈশব-কৈশোর। অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে যিনি ব্রতী থেকেছেন এ-নির্মাণে, তিনি শৈলেন ঘোষ। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পর শৈলেন ঘোষই সবচেয়ে সার্থকভাবে ছোটোদের জন্য সৃষ্টি করেছেন শব্দ-ছবির ভিন্ন এক জগৎ। রূপকথা, লোককথার প্রচলিত আঙ্গিকে নয়। নিজস্ব ঢঙে ছোটোদের তিনি শুনিয়েছেন তাঁর কাহিনি। স্বপ্নের কল্পনালোকেই শুধু তাঁর বিচরণ নয়, প্রায়শই তিনি নেমে এসেছেন মাটির পৃথিবীতে। সচেতনভাবেই তাঁর গল্প ছোটোদের মনে জাগাতে চায় শুভবোধ। কিন্তু কখনোই তা আরোপিত বলে মনে হয় না। ভাষার জাদুতে সঙ্গী করে নেন খুদে পাঠককে। লেখকের শ্রেষ্ঠ দশটি উপন্যাস-এ রইল আমার নাম টায়রা, হুপ্পোকে নিয়ে গপ্পো, মিতুল নামে পুতুলটি, খুদে যাযাবর ইসতাসি, বন-সবুজের দ্বীপে, পিরামিডের দেশে, মা এক নির্ভীক সৈনিক, নাচ রে ঘোড়া নাচ, ভালোবাসার ছোট্ট হরিণ এবং আয় বৃষ্টি রিমঝিম।
Reviews
There are no reviews yet.