নিন্দিত এবং পরবর্তীকালে নন্দিত আখ্যানটি বিস্ময়করভাবে মোট ১৮ বার চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে (১৯২৮-২০১৮)। সেইসব কলা কুশলীদের বিস্তৃত পরিচয় তাদের জীবন কাহিনীর সঙ্গে পাঠকের যোগসূত্র তৈরি করে দেওয়ার জন্যেই এই পুস্তকটির অবতারণা। একই উপন্যাসের এতবার চলচ্চিত্রায়ণ এর আগে ঘটেছে বলে জানা নেই।
সাহিত্যমূল্য বিচারে দেবদাস উপন্যাস বিদগ্ধজন এবং স্বয়ং লেখকের কাছে তেমন স্বীকৃতি না-পেলেও চলচ্চিত্র রসিক জনের কাছে দেবদাস যে একমেবাদ্বিতীয়ম- এ বিষয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই।
আশা করি চলচ্চিত্রপ্রেমী মানুষজনের এই প্রয়াস ভালো লাগবে।
তৃষিত বর্মনের জন্ম ১৯৪৩ সালের ১ মার্চ হুগলি জেলার সিঙ্গুরে। পিতা প্রয়াত ফণি বর্মা একাধারে অভিনেতা এবং চার ও পাঁচের দশকের প্রখ্যাত চিত্রপরিচালক। প্রসঙ্গত তিনিই চলচ্চিত্রের প্রথম দেবদাস (নির্বাক যুগ)। লেখালেখির প্রাথমিক বীজ অঙ্কুরিত হয়, কোনও অলস, নির্জন দুপুরে বাবাকে উপুড় হয়ে শুয়ে চিত্রনাট্যের খসড়া করতে দেখা থেকে।
মাত্র একুশ বছর বয়সে রাউরকেলার (উড়িষ্যা) ‘ফার্টিলাইজর করপোরেশনে’ প্রথম চাকরি। পরে খেলোয়াড় হিসেবে রাউরকেলা স্টিল প্ল্যান্টে যোগদান। আরও পরে (১৯৭৬) ফের হিন্দুস্থান ফার্টিলাইজারে (মেদিনীপুর, কলকাতা) যোগদান। জীবনের অনেকগুলো বছর কেটেছে মাঠে-ময়দানে। ফলে সেইসব প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার নিখুঁত ছাপ পড়েছে তাঁর লেখা বিভিন্ন গল্প ও উপন্যাসে। প্রতিনিয়ত লিখেছেন সাপ্তাহিক, মাসিক বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়।
পন্ডিচেরীর ‘তপস্যা’ সাংস্কৃতিক সংস্থা ও দক্ষিণেশ্বরের মাতৃশক্তি পত্রিকার তরফ থেকে তিনি সম্বর্ধিত হয়েছেন।
উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হল প্রতিপক্ষ, প্রত্যাবর্তন, বারবাডোজের পোলা, বুলবুলির বাসা, তুরুপের তাস, অমৃত কলস, আমার সময় আমার গল্প, উড়ো ফোনের ফাঁদে, আমি হৃত্বিক, ম্যাচ উইনার, ইচ্ছে ডানার জাদুকর, খেলা সমগ্র প্রভৃতি।
বিদ্যাসাগর চরিত / VIDYASAGAR CHARIT 
Reviews
There are no reviews yet.