নীলিমা সান্যাল
যুগযুগান্ত ধরে মানুষের আত্মজ্ঞানলাভের কল্পতরু হিসেবে গৃহীত যে গণসাহিত্য, তা-ই গীতা।
হাসি কান্না হীরা পান্না / HASI KANNA HIRA PANNA
₹280.00 × 1
RAJANI PALME DUTT
₹520.00 × 1
মহাকবি কালিদাসের মেঘদূত / MAHAKABI KALIDASER MEGHDUT
₹240.00 × 1 Subtotal : ₹1,040.00


₹80.00
নীলিমা সান্যাল
যুগযুগান্ত ধরে মানুষের আত্মজ্ঞানলাভের কল্পতরু হিসেবে গৃহীত যে গণসাহিত্য, তা-ই গীতা।
Out of stock
নীলিমা সান্যাল
যুগযুগান্ত ধরে মানুষের আত্মজ্ঞানলাভের কল্পতরু হিসেবে গৃহীত যে গণসাহিত্য, তা-ই গীতা।
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
লৌকিক ও অতিলৌকিকের আঘ্রান মাখা রূপক সাহার এই ব্যতিক্রমী উপন্যাসে মৃত্যু, শোক ও অপরাধবোধ অভিন্ন সূত্রে গাঁথা।
(সামবেদীয় ও যজুর্বেদীয় পদ্ধতিতে মন্ত্রের অর্থসহ)
প্রবীরকুমার চট্টোপাধ্যায় কাব্যতীর্থ
জন্মিলে মরিতে হবে অমর কে, কোথা, কবে? জন্মের মতো মৃত্যুও এক শাশ্বত সত্য। মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী, কিন্তু মৃত্যুতেই শেষ নয় আমাদের জীবন। এর পরেও রয়ে যায় আর এক অভিযাত্রা। পরমব্রহ্মের সঙ্গে মিলিত হওয়ার আগে আমাদের উত্তরজীবন। মৃত ব্যক্তির পার্থিব জীবনকে সম্মান জানিয়ে তাঁর অপার্থিব উত্তরজীবন যাতে দ্রুত স্বর্গগামী হয়, সেই উদ্দেশ্যে অনাদিঅতীতকাল থেকে সকল ধর্মে পারলৌকিক ক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে আসছে। হিন্দুধর্মমতে এই ক্রিয়ার নাম ‘শ্রাদ্ধ’_শ্রদ্ধার সঙ্গে কৃত প্রিয়জনতর্পণ। সামবেদীয় ও যজুর্বেদীয়_উভয় পদ্ধতিতেই সেই বৈদিক যুগ থেকে হিন্দুরা শ্রদ্ধানুষ্ঠান পালন করে আসছেন। এই উত্তরাধুনিক একবিংশ শতকেও তার অন্যথা হয়নি। সমস্যা অন্যত্র। সংস্কৃত ভাষাচর্চার ক্রমাবনতি আমাদের শাস্ত্রবিষয়ে অজ্ঞ ও অনভিজ্ঞ করে তুলেছে। ফলে, অনর্থজ্ঞ পুরোহিতরা যখন তর্পণকার্যে প্রবৃত্ত হন, শ্রাদ্ধ অসম্পূর্ণ থাকে। এই গ্রন্থ রচনার উদ্দেশ্য : সংস্কৃত মন্ত্রে রচিত, বিধিবদ্ধ শ্রাদ্ধপদ্ধতিকে সকলের কাছে অর্থময় করে তোলা। এই গ্রন্থ অনুসরণ করে অর্থবোধসহ মন্ত্রোচ্চারণ করলে পুরোহিতরা তর্পণকার্য সুসম্পন্ন করবেন এবং উচ্চারিত মন্ত্রের অর্থ হৃদয়ঙ্গম করে পারলৌকিক ক্রিয়ারত ব্যক্তিরাও শ্রাদ্ধের মর্ম অনুভব করবেন। গ্রন্থের শেষে সংযোজিত ভারতসাবিত্রী-র পাঠ সমগ্র মহাভারতপীঠের পুণ্যপ্রদান করবে।
সৈকত রক্ষিত
এক আদিবাসী যুবতীকে কেন্দ্র করে দুই শবর-সহোদরের কলহ থেকে জন্ম নেয় যে বিরোধ, কালক্রমে তা-ই রূপ নেয় এক মহাভারতীয় যুদ্ধের। রাঢ়বঙ্গীয় পটভূমিতে সেই সংঘর্ষ ও সংগ্রামেরই মহাকাব্যিক রূপ ও উপন্যাস, যেখানে প্রাচীনের মধ্যে বিলীন হয়ে যায় সমকালীন।
হোম মূলত চার প্রকার: সামবেদী, যজুর্বেদী, ঋগ্বেদী ও তান্ত্রিক। বঙ্গদেশে বৈদিক হোমের প্রচলন থাকলেও তন্ত্রোক্ত হোমের প্রাধান্যই বর্তমানে সর্বাধিক লক্ষ করা যায়। বর্তমান গ্রন্থে গ্রন্থকার শুধু যে ত্রিবেদীয় হোমবিধিকেই অভিন্ন সূত্রে গ্রথিত করেছেন তাই-ই নয়, বঙ্গদেশে বহুলপ্রচলিত তন্ত্রোক্ত হোমের বিধিনিয়মও বর্ণনা করেছেন প্রাঞ্জলভাবে। এই গ্রন্থপাঠে পুরোহিত ব্রাহ্মণদের পাশাপাশি ধর্মজিজ্ঞাসু যে-কোনো সাধারণ পাঠকও ঋদ্ধ হবেন নিশ্চিতভাবেই
এই নতুন দুনিয়ার কিছু অর্বাচীনের ধারণা ইন্টারনেটে সব মেলে । অবশ্যই মেলে কিন্তু হৃ্দয়ের খবর মেলে না। হৃ্দয়ের গভীর থেকে সেই সব হাসি কান্না হীরা পান্নার খবর লেখক তুলে আনলেন ।
প্রবীরকুমার চট্টোপাধ্যায়
বিধিপূর্বক সামবেদোক্ত সংস্কারকর্ম পালন এখন এক দুঃসাধ্য কার্যে পরিণত হয়েছে। সংস্কারকর্ম পালনের সময় মন্ত্রোচ্চারণ আবশ্যিক। অথচ সংস্কৃতজ্ঞানের অভাবে উচ্চারিত মন্ত্রের অর্থ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রয়ে যায় অবিদিত। অর্থবোধহীন মন্ত্রোচরণের ফলে শূদ্রত্ব থেকে দ্বিজত্বে উত্তরণে অপারগ হই আমরা। এই প্রথম যাবতীয় মন্ত্রের বঙ্গানুবাদসহ প্রকাশিত হল সামবেদীয় সংস্কারকর্ম। ব্রহ্মজ্ঞানান্বেষী পুজক,পাঠক তথা ধর্মশাস্ত্রের অনুসিন্ধিৎসু গবেষক_ সকলকেই এই গ্রন্থ এক নতুন পথের দিশা দেবে।
Reviews
There are no reviews yet.