সৈকত রক্ষিত
এক আদিবাসী যুবতীকে কেন্দ্র করে দুই শবর-সহোদরের কলহ থেকে জন্ম নেয় যে বিরোধ, কালক্রমে তা-ই রূপ নেয় এক মহাভারতীয় যুদ্ধের। রাঢ়বঙ্গীয় পটভূমিতে সেই সংঘর্ষ ও সংগ্রামেরই মহাকাব্যিক রূপ ও উপন্যাস, যেখানে প্রাচীনের মধ্যে বিলীন হয়ে যায় সমকালীন।
|
✨দুর্গাপূজা উপলক্ষে 📦16th October থেকে 27th October পর্যন্ত ডেলিভারি বন্ধ থাকবে। 🛒 তবে অনলাইনে অর্ডার করা যাবে। 🚚ডেলিভারি পুনরায় শুরু হবে 28th October 2026 থেকে। |


₹595.00 ₹476.00
সৈকত রক্ষিত
এক আদিবাসী যুবতীকে কেন্দ্র করে দুই শবর-সহোদরের কলহ থেকে জন্ম নেয় যে বিরোধ, কালক্রমে তা-ই রূপ নেয় এক মহাভারতীয় যুদ্ধের। রাঢ়বঙ্গীয় পটভূমিতে সেই সংঘর্ষ ও সংগ্রামেরই মহাকাব্যিক রূপ ও উপন্যাস, যেখানে প্রাচীনের মধ্যে বিলীন হয়ে যায় সমকালীন।
10 in stock
| বহুমুখে পরিকীর্তিত ধ্রুপদী ঘরানার এই উপন্যাসের ভেতর দিয়ে বাংলাসাহিত্যে সংযোজিত হল সম্পূর্ণ ভিন্ন চরিত্রের এক দুঃসাহসিনী নারী, বিনতা। এই হস্তিনী নারী তার দুর্বার জৈবিক প্রেম, পাশবিক কাম ও সন্তানসম্ভবা হওয়ার অপ্রতিরোধ্য অকাঙ্খা নিয়ে এমন কথাও বলে । |
| কালের প্রভাবে মানুষের মন আধুনিক ও সংস্কারমুক্ত হলে এই নিরীহ মানুষগুলির জীবনে দেখা দেয় প্রবল জীবিকার সংকট । এদের জীবনের সুত্র ধরেই এসেছে যুগ যুগ ধরে চলে আসা রাঢ়ভূমি পুরুলিয়ার খরা , অজন্মা ও আকালের অখণ্ড চিত্র, যা দুর্বিষহ , ভয়ংকর ও মর্মস্পর্শী । |
সৈকত রক্ষিত
এক আদিবাসী যুবতীকে কেন্দ্র করে দুই শবর-সহোদরের কলহ থেকে জন্ম নেয় যে বিরোধ, কালক্রমে তা-ই রূপ নেয় এক মহাভারতীয় যুদ্ধের। রাঢ়বঙ্গীয় পটভূমিতে সেই সংঘর্ষ ও সংগ্রামেরই মহাকাব্যিক রূপ ও উপন্যাস, যেখানে প্রাচীনের মধ্যে বিলীন হয়ে যায় সমকালীন।
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
হোম মূলত চার প্রকার: সামবেদী, যজুর্বেদী, ঋগ্বেদী ও তান্ত্রিক। বঙ্গদেশে বৈদিক হোমের প্রচলন থাকলেও তন্ত্রোক্ত হোমের প্রাধান্যই বর্তমানে সর্বাধিক লক্ষ করা যায়। বর্তমান গ্রন্থে গ্রন্থকার শুধু যে ত্রিবেদীয় হোমবিধিকেই অভিন্ন সূত্রে গ্রথিত করেছেন তাই-ই নয়, বঙ্গদেশে বহুলপ্রচলিত তন্ত্রোক্ত হোমের বিধিনিয়মও বর্ণনা করেছেন প্রাঞ্জলভাবে। এই গ্রন্থপাঠে পুরোহিত ব্রাহ্মণদের পাশাপাশি ধর্মজিজ্ঞাসু যে-কোনো সাধারণ পাঠকও ঋদ্ধ হবেন নিশ্চিতভাবেই
সুরেশচন্দ্র দত্ত
শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেবের উপদেশ আমাদের ভাগ্যবিড়ম্বিত, দুঃখময় জীবনে এক পরম সহায়। জীবৎকালেই তাঁর অমৃতবাণী শ্রোতাদের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছিল। তাতে একদিকে যেমন পরমহংসগতপ্রাণ ভক্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল, অন্যদিকে তাঁর উপদেশ আদৌ অবিকৃত থাকছে কি না, তা নিয়েও আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। জীবৎকালেই তাই রামকৃষ্ণবাণীর সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছিল। এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ছিলেন যাঁরা, তাঁদের মধ্যে একজন যদি হন মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত (শ্রীম), অপরজন অবশ্যই সুরেশচন্দ্র দত্ত। বস্তুত, শ্রীম-এর রামকৃষ্ণকথামৃত প্রকাশিত হওয়ার আগেই পরমহংসদেবের জীবৎকালে ১৮৮৪ সালে সুরেশচন্দ্র দত্ত সংকলিত বইটির প্রথম ভাগ প্রকাশিত হয়েছিল। তারপর থেকে আজ অবধি বইটির সংস্করণ সংখ্যা ২৩-এরও বেশি। এতে একদিকে যেমন বইটির বহুল জনপ্রিয়তা ধরা পড়ে, অন্যদিকে পরিমার্জিত ও পরিবর্ধিত সংস্করণগুলিতে ঠাকুরের আরও অনেক অগ্রন্থিত উপদেশ যে সংকলিত হতে পেরেছিল, তাও বোঝা যায়। বর্তমান সংস্করণে শ্রীরামকৃষ্ণের ৯৫০টি উপদেশ সংকলিত হয়েছে। গ্রন্থের প্রথম পর্বে ‘শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণলীলা’র পরমহংসদেবের জীবন ও কর্মের অতি সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন বইটি অমুদ্রিত অবস্থায় পাঠকের নজরের আড়ালে ছিল। ঐতিহাসিক এই পারুল সংস্করণে গ্রন্থটির তাৎপর্যময় পুনরুদ্ধার ও পুনঃপ্রকাশ রামকৃষ্ণচর্চার ক্ষেত্রটিকে আরও প্রসারিত করবে।
হিন্দুধর্মে সংস্কারকর্মের গুরুত্ব অপরিসীম। সংস্কারকর্মের দ্বারাই, মনু বলেছেন, মানুষ শূদ্রত্ব থেকে দ্বিজত্ব লাভ করে।
বঙ্গানুবাদ সংবলিত এই গ্রন্থটি বেদোক্ত সংস্কারকর্মের নিহিতার্থকে সাধারণ পাঠকের কাছেও প্রাঞ্জল করে তুলবে।
(সামবেদীয় ও যজুর্বেদীয় পদ্ধতিতে মন্ত্রের অর্থসহ)
প্রবীরকুমার চট্টোপাধ্যায় কাব্যতীর্থ
জন্মিলে মরিতে হবে অমর কে, কোথা, কবে? জন্মের মতো মৃত্যুও এক শাশ্বত সত্য। মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী, কিন্তু মৃত্যুতেই শেষ নয় আমাদের জীবন। এর পরেও রয়ে যায় আর এক অভিযাত্রা। পরমব্রহ্মের সঙ্গে মিলিত হওয়ার আগে আমাদের উত্তরজীবন। মৃত ব্যক্তির পার্থিব জীবনকে সম্মান জানিয়ে তাঁর অপার্থিব উত্তরজীবন যাতে দ্রুত স্বর্গগামী হয়, সেই উদ্দেশ্যে অনাদিঅতীতকাল থেকে সকল ধর্মে পারলৌকিক ক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে আসছে। হিন্দুধর্মমতে এই ক্রিয়ার নাম ‘শ্রাদ্ধ’_শ্রদ্ধার সঙ্গে কৃত প্রিয়জনতর্পণ। সামবেদীয় ও যজুর্বেদীয়_উভয় পদ্ধতিতেই সেই বৈদিক যুগ থেকে হিন্দুরা শ্রদ্ধানুষ্ঠান পালন করে আসছেন। এই উত্তরাধুনিক একবিংশ শতকেও তার অন্যথা হয়নি। সমস্যা অন্যত্র। সংস্কৃত ভাষাচর্চার ক্রমাবনতি আমাদের শাস্ত্রবিষয়ে অজ্ঞ ও অনভিজ্ঞ করে তুলেছে। ফলে, অনর্থজ্ঞ পুরোহিতরা যখন তর্পণকার্যে প্রবৃত্ত হন, শ্রাদ্ধ অসম্পূর্ণ থাকে। এই গ্রন্থ রচনার উদ্দেশ্য : সংস্কৃত মন্ত্রে রচিত, বিধিবদ্ধ শ্রাদ্ধপদ্ধতিকে সকলের কাছে অর্থময় করে তোলা। এই গ্রন্থ অনুসরণ করে অর্থবোধসহ মন্ত্রোচ্চারণ করলে পুরোহিতরা তর্পণকার্য সুসম্পন্ন করবেন এবং উচ্চারিত মন্ত্রের অর্থ হৃদয়ঙ্গম করে পারলৌকিক ক্রিয়ারত ব্যক্তিরাও শ্রাদ্ধের মর্ম অনুভব করবেন। গ্রন্থের শেষে সংযোজিত ভারতসাবিত্রী-র পাঠ সমগ্র মহাভারতপীঠের পুণ্যপ্রদান করবে।
সংকলক-অনুবাদক : রমেন্দ্র ভট্টাচার্য ও মানবেন্দ্র ভট্টাচার্য
মেঘদূত মহাকবি কালিদাস বিরচিত একটি খণ্ডকাব্য। এর শ্লোকসংখ্যা অল্প। কিন্তু কাব্য হিসেবে মেঘদূত-এর আবেদন সেই প্রাচীন কাল থেকে উত্তরাধুনিক সমসময় পর্যন্ত পরিব্যাপ্ত। মন্দাক্রান্তা ছন্দে লেখা এই কবিতাটাই সম্ভবত পৃথিবীর প্রথম ও শ্রেষ্ঠতম বিরহকাব্য। কেউ কেউ মেঘদূত-কে বর্ষার কাব্য বা প্রকৃতির কাব্য বলেছেন। টীকাকার মল্লিনাথসূরি একে বলেছেন বিপ্রলম্ভ শৃঙ্গার-রসের কাব্য। রবীন্দ্রনাথের মন্তব্য : মেঘদূত মন্দাক্রান্তা ছন্দের মধ্যে বিশ্বের গতি নৃত্য করছে। তাই এই কাব্য চিরকালের সজীব বস্তু। মেঘদূত-এর এই বর্তমান সংস্করণে বিদ্যাসাগর সম্পাদিত মেঘদূতম্ অনুসরণে ১১৫টি শ্লোক গৃহীত হয়েছে। সংযোজিত হয়েছে ৪টি বহুবর্ণ চিত্র।
Reviews
There are no reviews yet.