(বিশ্বনাথা দয়োহনুসারতঃ)
ড. সাধনকুমার পাত্র


₹100.00
(বিশ্বনাথা দয়োহনুসারতঃ)
ড. সাধনকুমার পাত্র
(বিশ্বনাথা দয়োহনুসারতঃ)
ড. সাধনকুমার পাত্র
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
দেবব্রত মল্লিক
নৌকার গঠন, হাল, পাটাতন, নাবিক-মাঝিমাল্লা থেকে শুরু করে বাতিঘর, ভাইকিং, ফিনিশীয় ও গ্রিক নৌযান, এমনকী সাহিত্য-সংস্কৃতি-লোকাচারে নৌকার উল্লেখ তো বটেই, নৌকার তত্ত্বতালাশ নিয়ে এমন বই বাংলায় প্রথম।
সম্পাদনা অলোক রায়
মুল্যবান এই জীবনীগ্রন্থটি ১৯১৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়। রাজা দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়ের জীবন কথা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল মানসী ও মর্মবাণী পত্রিকায় (ফাল্গুন ১৩২৩ শ্রাবণ ১৩২৪)। বিশিষ্ট জীবনীকার মন্মথনাথ ঘোষ বিগত যুগের দেশ নায়কদের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যেই কলম ধরেন। রাজা দক্ষিণারঞ্জনের এই জীবনলেখ্যও তাঁর সেই শ্রমসাধ্য অন্যতম প্রয়াস। জীবন নির্ভর এই গ্রন্থটির মহৎ জীবনকথায় সংলগ্ন হয়ে আছে সেই সময়েরও জীবন্ত ইতিহাস। ‘ইয়ং বেঙ্গল’ সম্বন্ধে বেশ কিছুদিন ধরে বাঙালি হৃদয়ে আগ্রহ ও কৌতুহল জেগেছে। সেই কারণেই হিন্দু কলেজের ছাত্র, হেয়ার ডিরোজিও ও ডাফের অন্তরঙ্গ দক্ষিণারঞ্জনের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তির জীবনীগ্রন্থের পুনর্মুদ্রণ।
দক্ষিণারঞ্জন বসু
ঠিক এই মুহূর্তে যখন সিরীয় শরণার্থীদের জন্য জার্মানি উন্মুক্ত করে দিচ্ছে দ্বার, যখন মায়ানমারের রোহিঙ্গাদের নিয়েও বিশ্বময় সহানুভূতির ঝড়, তখন আমরা ভুলে যাচ্ছি পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে ট্রাজিক, সবচেয়ে মর্মান্তিক অপসারণের ইতিবৃত্তকে। ১৯৪৭_১৯৫০ এই তিন বছরে এবং পরবর্তীকালে স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনের পূর্বে ও পরে যেভাবে লক্ষ লক্ষ বাঙালি ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে বঙ্গদেশের পূর্ব থেকে পশ্চিম অংশে চলে আসতে বাধ্য হয়েছেন, বিতাড়িত হয়েছেন, উৎপাটিত হয়েছেন, তার সমতুল নজির ইতিহাসে মেলে না। দক্ষিণারঞ্জন বসু প্রণীত এই গ্রন্থে লিপিবদ্ধ হয়েছে পূর্ববঙ্গের ১৮টি জেলার ৬৪টি গ্রাম থেকে ভূমিপুত্র-কন্যাদের চলে আসার বৃত্তান্ত। গ্রন্থের দু-টি খণ্ড প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়। পরবর্তীকালে পশ্চিমবঙ্গে অখণ্ড সংস্করণ প্রকাশিত হলেও খুব শিগগিরি তা পাঠকের নজরের আড়ালে চলে যায়। গ্রন্থটির তাৎপর্যমণ্ডিত এই পুনঃপ্রকাশ এপার, ওপার_উভয় বাংলার বাঙালিকেই নিঃসন্দেহে স্মরণ করিয়ে দেবে তাদের অভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিচয়ের কথা।
সম্পাদনা শৈলেন্দ্র হালদার
কৃষ্ণকলি তাঁর গানেই কালো হরিণ চোখ মেলে ত্রস্ত পায়ে বেরিয়ে আসে কুটির থেকে। কবির গান তাঁর উচ্চারণেই পায় প্রাণ, পায় উদ্দিষ্ট অভিমুখ। কিন্তু সুচিত্রা মিত্র শুধুই রবীন্দ্রসংগীতের সবথেকে সার্থক বাণীবাহকদের অন্যতম হয়ে আমাদের স্মৃতি জুড়ে অমলিন থাকবেন না। স্মরণীয় হয়ে থাকবেন তাঁর লেখা, তাঁর আঁকা ছবির জন্যও। হ্যাঁ, আই পি টি এ এর গানের সেই বলিষ্ঠ কণ্ঠ, কবির সুরের সেই সর্বোত্তম সাধক ছিলেন এক অসামান্য ছড়াকারও। ছবিও আঁকবেন তিনি সময় পেলেই। তেমনই কিছু ছড়া ও ছবি গ্রথিত হল এই সংকলনে। সঙ্গে রইল তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনপঞ্জি আর কিছু দুষ্প্রাপ্য আলোকচিত্রের এক দুর্লভ অ্যালবাম।
সুনির্মল চক্রবর্তী
সুনির্মল চক্রবর্তী বাংলা শিশুসাহিত্যে একটি সুপরিচিত নাম। ছোটোদের জন্য তাঁর লেখা গল্প, রূপকথা, উপকথা, ছড়া-কবিতা, নাটক ইতিমধ্যেই শিশু-কিশোরদের মন জয় করে নিয়েছে। ছোটো ছোটো বাক্যে লেখা তাঁর গল্পে পাই মনোহারী ভাষা, সহজ সরলতা, রহস্যবোধ, কৌতুকমেশা এক মায়াবী গদ্য, যা ছুঁয়ে যায় শুধু ছোটোদের নয়, সব বয়সি পাঠকের মন। নতুন গ্রহে যতীনবাবু লেখকের বারোটি নতুন গল্পের সংকলন। এখানে আমরা যেমন মুগ্ধ হয়ে পড়ব মা-হাতি, বাবা-হাতি ও তাদের ছানা-হাতির গল্প, তেমনই পড়ে চমকে যাব বলরামবাবুর পোষা, পাখিটির বৃত্তান্ত, হ্যাংলা নামে এক ঘাসফড়িংয়ের কাহিনি, এমনকী পিকু নামে এক ভালুকছানার কাণ্ডও। অঙ্কে ভীষণ ভয় পেয়ে থাকা তারাপদবাবুর বিপদ কিংবা নতুন গ্রহকে মানুষের বাসযোগ্য করে তোলার দায়িত্বপ্রাপ্ত যতীনবাবুর আশ্চর্য অভিজ্ঞতার কথা শুনতে হলে এ বইয়ের পাতা না-উলটে গতি নেই।
সংকলন ও সম্পাদনা গৌতম বাগচি
রাণী রাসমণির কিংবদন্তীসম জীবন নিয়ে কল্পনাশ্রয়ী জীবনালেখ্য কিংবা গল্পকথার অভাব নেই। অভাব আছে তাঁর আপোশহীন জীবনের প্রামাণ্য ধারাবিবরণীর। বর্তমান গ্রন্থটি সেই অভাব মেটাবে। রাণীর জানবাজারের বাড়িতেই আশ্রিত গ্রন্থকার হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রাণী রাসমণির কন্যা জগদম্বা দাসীর পরম স্নেহভাজন ছিলেন। ফলে রাসমণির ব্যতিক্রমী জীবনের বিশ্বস্ত ভাষ্য তৈরি হতে পেরেছে এবং সেইসঙ্গে তাঁর প্রথম জীবনীও আমরা পেয়েছি হেমচন্দ্রের কলমেই। অকুতোভয়, মহিয়সী যে নারীকে স্বয়ং কোম্পানি বাহাদুরও সমঝে চলতেন, তাঁকে এই প্রথম আমরা চিনে নেব সমকালের সাক্ষ্য থেকে।
Reviews
There are no reviews yet.