গত শতকের বিশ থেকে চল্লিশের দশক পর্যন্ত অবিভক্ত বাংলাদেশ এক রাজপরিবারের মামলা নিয়ে আলোড়িত হয় | এর ঢেউ ভারতবর্ষ ছাড়িয়ে বিলেতের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত প্রসারিত হয় | সেই রহস্যের বিচিত্র এবং সম্পুর্ন ইতিহাস , যাবতীয় নথিপত্র , দুষ্প্রাপ্য ছবি , নানান কবিতার উদ্ধার ইত্যাদি নিয়ে এই প্রথম বাংলায় লেখা হল


₹250.00 ₹200.00
রহস্যাবৃত ভাওয়াল সন্ন্যাসী / RAHSYABRITA BHAWAL SANYASI
গত শতকের বিশ থেকে চল্লিশের দশক পর্যন্ত অবিভক্ত বাংলাদেশ এক রাজপরিবারের মামলা নিয়ে আলোড়িত হয় | এর ঢেউ ভারতবর্ষ ছাড়িয়ে বিলেতের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত প্রসারিত হয় | সেই রহস্যের বিচিত্র এবং সম্পুর্ন ইতিহাস , যাবতীয় নথিপত্র , দুষ্প্রাপ্য ছবি , নানান কবিতার উদ্ধার ইত্যাদি নিয়ে এই প্রথম বাংলায় লেখা হল
Meet The Author
গাঁইয়ার আপনকথা || GAIYAR APANKATHA
ব্যক্তিগত স্মৃতির ঊর্ধ্বে উঠে এই আত্মজীবনী বিংশ শতাব্দীর প্রথম অর্ধে ক্রমশ বদলে যেতে থাকা গ্রামবাংলার সামাজিক, শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক জীবনের এক ব্যতিক্রমী দলিল।
সেই সময়ের গ্রামীণ জীবন, সংস্কার, কুসংস্কার, পারিবারিক বন্ধন- ছবির মতো ভেসে ওঠে পাঠকের চোখের সামনে। লেখকের অনবদ্য বর্ণনাশৈলী সবকিছুকেই এমন এক পরিহাসাশ্রিত শ্লেষের ঢঙে পরিবেশন করে যে, প্রতিটি পৃষ্ঠাই হয়ে ওঠে পাঠযোগ্য।
সব মিলিয়ে, গাঁইয়ার আপনকথা আত্মজীবনীর আড়ালে বহুস্বরিক এক ভাষ্য- ব্যক্তিবিশেষের জীবনকথা হয়েও যা সমকালীন মানুষ ও সমাজের কথা বলে অকপটে।
রাজর্ষি / RAJARSHI
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজর্ষি রবীন্দ্রনাথের লেখা দ্বিতীয় উপন্যাস। অল্প বয়সের লেখা হলেও এর কাহিনি আজও পাঠকসমাজে সমাদৃত। এর নাট্যরূপ বিসর্জন আজও নাট্যরসিকদের কাছে সমান জনপ্রিয়। উপন্যাসটি প্রথম ছাপা হয়েছিল বালক পত্রিকায়_কিন্তু অসম্পূর্ণ রয়ে যায় এর কাহিনি। এই কাহিনির সূত্র কবি পেয়েছিলেন স্বপ্নের মধ্যে। কিন্তু পত্রিকায় প্রকাশের পর কবির মনে হয়েছিল এটি সম্পূর্ণ করতে হবে এবং তা করতে হলে জানা প্রয়োজন ত্রিপুরার রাজপরিবারের ইতিহাস। সেজন্য তিনি ত্রিপুররাজ গোবিন্দমাণিক্যের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। সেখান থেকে রাজপরিবারের ইতিবৃত্ত তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হলে রবীন্দ্রনাথ রাজর্ষিকে সম্পূর্ণ করেন। স্বপ্ন ও ইতিহাসে ঘটে যায় এক অনবদ্য মেলবন্ধন। রচনা-ইতিহাসের নথি, বালক পত্রিকায় প্রকাশিত অবিকল প্রতিলিপি এবং আনুষঙ্গিক চিত্রাদিসহ রাজর্ষির সম্পূর্ণ পাঠ এই প্রথম কোনো সংস্করণে গৃহীত হল। রাজর্ষি-র পাঠে বহু পরিবর্তন ঘটেছে_তার ইতিকথাও সম্পাদকীয় ভূমিকায় সবিস্তারে আলোচিত। এই প্রথম উপন্যাসটির রসগ্রাহী আলোচনাসহ একটি সুমুদ্রিত সংস্করণ পাঠকের কাছে উপস্থাপিত হল ঠাকুর ও মাণিক্য পরিবারের অনুপম সংযোগসূত্রে।
সাময়িক পত্রের আলোকে প্রথম মহাযুদ্ধ / SAMAYIK PATRER ALOKE PRATHAM MAHAYUDDHA
সংকলন ও সম্পাদনা বারিদবরণ ঘোষ
প্রথম মহাযুদ্ধের আরম্ভ ১৯১৪ সালের জুলাইয়ে। সেটা ১৩২১ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ মাস। সাত সমুদ্র তেরো নদী পেরিয়ে ভারতবর্ষের সে মহাসমরের সংবাদ এসে পৌঁছোয়। যুদ্ধের খবর প্রথম উল্লেখযোগ্যভাবে প্রকাশিত হয় ঠাকুরবাড়ির মাসিক পত্রিকা ভারতী-তে। তারপর একে একে ভারতবর্ষ, প্রবাসী, মাসিক বসুমতী, সমর-সংবাদ প্রভৃতি বিভিন্ন পত্রপত্রিকার মহাযুদ্ধের সংবাদ প্রকাশিত হতে থাকে। ভারতী—তেই সে বছর ‘বর্তমান ইউরোপীয় সমর’ নাম এক দীর্ঘ নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। বাংলা সাময়িক পত্রপত্রিকার যুদ্ধ বিষয়ক যেসকল লেখা প্রকাশিত হয়, তার কিছু স্মৃতিমূলক_ প্রত্যক্ষভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন যাঁরা তাঁদের জার্নাল ও চিঠি। আবার কোনো কোনো লেখায় আমরা পাই যু্দ্ধে বিষয়ক বিশ্লেষণধর্মী প্রবন্ধ-নিবন্ধ। এ ছাড়াও মিলবে স্বদেশ থেকে বহুদূরে যুদ্ধে ময়দানে যা ঘটে চলেছে তার তাৎক্ষণিক বিবরণ ও সেইসঙ্গে যু্দ্ধপ্রকরণ নিয়ে অনুসন্ধানী নিবন্ধও। এই মহাযুদ্ধে গোটা বিশ্ব দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। একদিকে ছিল ইংল্যান্ড, বেলজিয়াম, ইটালি সার্বিয়া, রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ, অন্যদিকে জার্মানি, অস্ট্রিয়া, বুলগেরিয়া, তুর্কস্থান প্রমুখ শক্তি। কিন্তু প্রথম মহাযুদ্ধের আনুপূর্বিক ইতিহাস বিবৃত করা এই গ্রন্থের উদ্দেশ্য নয়। এই মহাযুদ্ধে ভারতবর্ষের ভূমিকাও আমাদের আলোচনার পরিধিভুক্ত হয়নি। বঙ্গসন্তান হিসেবে যে প্রশ্ন আমাদের মনে উঠে আসে_ বাঙালিরা কি এতে শামিল হয়েছিলেন ? তার উত্তর খুঁজতে গিয়ে সমসাময়িক বাংলা পত্রপত্রিকায় যুদ্ধ বিষয়ক সংবাদাদি সংগ্রহ করার পর যা পাওয়া গেল, তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। একদিকে এই সংকলন খোঁজ দেয় প্রথম মহাযুদ্ধের কারণে উদ্ভুত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির দেশীয় মূল্যায়নের। অন্যদিকে তা আঘাত করে ‘বাঙালি ভীরুজাতি’_এই ভ্রান্ত ধারণার মূলে। আমরা জানতে পারি, বাঙালির শুধু দলে দলে এই মহাসমরে যোগদানই করেননি, তাঁদের রক্তে রাঙা হয়ে উঠেছিল বহু বিদেশি যুদ্ধপ্রান্তর।
সঞ্চয়িতা / SANCHAITA
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সংকলন মাত্রেরই নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকে। চয়নিকা (১৯০৯) যখন প্রথম প্রকাশিত হয়, তখন তার আগে পর্যন্ত যে ক-টি কাব্যগ্রন্থ বেরিয়েছে সেগুলি থেকে চয়ন করে একশো তিরিশটি কবিতা গ্রহণ করা হয়।… এলাহাবাদের ইন্ডিয়ান প্রেসে মুদ্রিত চয়নিকা জনসমাদর লাভে বঞ্চিত হয়নি। এরপর বিশ্বভারতী যখন তৃতীয় সংস্করণ চয়নিকা (১৯২৫) প্রকাশের দায়িত্ব নেয়, তখন তাতে শুধু কবিতার সংখ্যাই বাড়ানো হয়নি, কবিতা নির্বাচনের রীতিরও বদল হয়েছে।… নব-কলেবর চয়নিকা-কে রবীন্দ্রনাথ মেনে নিলেও কবিতা-নির্বাচনের পদ্ধতি সম্ভবত রবীন্দ্রনাথের ভালো লাগেনি।… চয়নিকা বাজারে থাকা সত্ত্বেও রবীন্দ্রনাথ নতুন কবিতা-সংকলনের কথা ভেবেছেন। আর তারই ফলে সঞ্চয়িতা-র পরিকল্পনা। এবার কবিতাগুলো সংকলনের ভার কবি নিজে নিয়েছেন।…সঞ্চয়িতা প্রথম প্রকাশের (১৯৩১) পর অন্যদের কথা সুরে থাক, রবীন্দ্রনাথেরও মনে হয়েছে, অনেক ভালো কবিতা সংকলনের বাইরে পড়ে রইল। পরের দুটি সংস্করণে কিছু গ্রহণ-বর্জন সত্ত্বেও রবীন্দ্রনাথের অতৃপ্তি যায়নি।… বিশ্বভারতী প্রকাশিত সঞ্চয়িতা-র সীমাবদ্ধতা (যে-সীমাবদ্ধতার কথা রবীন্দ্রনাথ নিজে ১৩৩৮ বঙ্গাব্দের পৌষ মাসে লেখা ভূমিকায় জানিয়েছেন) মনে রেখেও সঞ্চয়িতা-র যেহেতু কোনো বিকল্প নেই, আমরা সঞ্চয়িতা পুনর্মুদ্রণের কাজে অগ্রসর হয়েছি।…স্থান সংকুলানের বাধ্যতায় ‘সংযোজন’ অংশে মাত্র আঠারোটি কবিতা রাখতে সক্ষম হয়েছি।… ‘পাঠ-পরিচয়’ অংশে যেখানে পাওয়া গেছে সেখানে রবীন্দ্রনাথের নিজের দেওয়া কাব্যব্যাখ্যা. অন্যক্ষেত্রে বিশিষ্ট সমালোকদের মন্তব্য সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। হয়েতা রবীন্দ্রকাব্য-প্রবেশিকা হিসেবে এই অংশের কিছু মূল্য আছে।
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
Related products
উত্তরপাড়া জমিদার বাড়ির অন্দর মহল / UTTARPARA JAMIDAR BARIR ANDAR MAHAL
বাংলার জমিদার বা রাজপরিবারের সামন্ত্রতান্ত্রিক ভোগবাদী জীবনযাপনের যে তথাকথিত আভিজাত্যের প্রচলিত ইতিহাসের সঙ্গে আমাদের আপাত পরিচয় ।
সিরাজের পুত্র ও বংশধরদের সন্ধানে / SHIRAJER PUTRA O BANGSHADHARDER SANDHANE
অমলেন্দু দে
পলাশির যুদ্ধে হারিয়ে যাওয়া কয়েকটি তথ্যের অনুসন্ধানে দীর্ঘকাল ব্যাপৃত ছিলেন অধ্যাপক অমলেন্দু দে। এই যু্দ্ধ- সংক্রান্ত ভারতীয় ও বিদেশি লেখকদের মূল্যবান গ্রন্থসমূহ এবং সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত নথিপত্রেও সেগুলির সন্ধান না পাওয়ায় তিনি আঠারো শতকের পারিবারিক কাগজপত্র অনুসন্ধান করতে থাকেন। অধ্যাপক দে বিশেষ নজর দেন সেইসব জমিদার পরিবারের নথিপত্রে, যাঁরা ১৭৫৭ কিংবা ১৭৫৮ সালে দত্তক পুত্র গ্রহণ করেছিলেন। ময়মনসিংহের জমিদার পরিবারের সঙ্গে বাংলার নবাবদের সুসম্পর্ক ছিল। অধ্যাপক দে ময়মনসিংহের ইতিহাস গ্রন্থে এমন কিছু তথ্য পান, যার সূত্র ধরে তিনি খোঁজ পেয়ে যান ইতিহাসে অনু্ল্লেখিত সিরাজউদদৌলার পুত্রের। সিরাজের সন্তান এই জমিদার পরিবারেই দত্তক পুত্র হিসেবে গৃহীত হয়েছিলেন। সিরাজের অন্যতম সেনানায়ক মোহনলাল ছিলেন সিরাজের স্ত্রী আলেয়ার দাদা। ধর্মান্তরিত হওয়ার আগে আলোয়ার নাম ছিল হীরা। সিরাজ ও হীরার এই পুত্রকে নিয়ে মোহনলাল যু্দ্ধক্ষেত্র থেকে ২৩ জুন (১৭৫৭ সাল) পালিয়ে চলে যান ময়মনসিংহ। তারপর সেখানকার জমিদার পরিবারে তাঁর আপন ভাগিনেয়কে দত্তক নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। এই দত্তক পুত্রের নাম হল যুগলকিশোর রায়চৌধুরী। যেভাবে একের পর এক নবলব্ধ তথ্যের সাহায্যে সিরাজের পুত্র ও বংশধরদের অজানা ইতিহাস এ গ্রন্থে উন্মোচিত হয়েছে, তা এককথায় অনবদ্য। প্রসঙ্গত, মোহনলাল সম্পর্কে অধ্যাপক দে যে-সকল অজানা তথ্য সংগ্রহ করেছেন, তার ঐতিহাসিক মূল্য অনস্বীকার্য। সব মিলিয়ে, পলাশির যুদ্ধের ইতিহাস ও তাৎপর্য আলোচনায় এই গ্রন্থ এক মহামূল্যবান সংযোজন।
আদি কলকাতার ভূতুড়ে বাড়ি || ADI KOLKATAR BHOOTURE BARI || BARIDBORAN GHOSH
কলকাতা মানে স্মৃতির পরতে জমে থাকা স্মৃতি, প্রজন্মের পর প্রজন্ম- জমে থাকা দীর্ঘশ্বাস। এই শহরের অলিতে গলিতে যেমন ইতিহাস হেঁটে বেড়ায়, তেমনই নিঃশব্দে ঘুরে বেড়ায় তার অশরীরী বাসিন্দারাও।
সাহেব ভূত থেকে শুরু করে কুকুর ভূত, রাইটার্সের ভূত থেকে শুরু করে হাইকোর্ট, জিপিও, জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির ভূত- নানান কিসিমের ভৌতিক অভিজ্ঞতায় ভরপুর বইটি ছোটো-বড়ো সব পাঠককে মুগ্ধ করবেই।
ভারতের সংবিধান / BHARATER SANBIDHAN
অনুবাদক: ড. তারকনাথ মল্লিক
সম্পাদনা: প্রফেসর অপূর্ব কুমার মুখোপাধ্যায়
চাণক্যশ্লোক / CHANAKYA SLOK
চাণক্য তাঁর দীর্ঘ কূটনৈতিক জীবনে যে সত্য উপলব্ধি করেছিলেন , তাকেই সমাজকল্যাণের প্রয়োজনে আপন প্রতিভাবলে শ্লোকাকারে লিপিবদ্ধ করেন ।
দেশকালের সীমানা পেরোনো সেই সমস্ত শাশ্বত শ্লোক আজও মানবজীবনে জাগরণের মহামন্ত্র হয়ে উঠতে পারে ।
Reviews
There are no reviews yet.