কবি, বৈয়াকরণ, জ্যোতির্বিদ, চিকিৎসক, দার্শনিক, গণিতজ্ঞ অসামান্য প্রতিভাধর ভাস্করাচার্য (১১১৪-১১৮৫ খ্রি) ভারতীয় গণিতের ধ্রুপদি যুগের মধ্যবর্তী সময়ের পরবর্তী গণিতের সব শাখাকেই সমৃদ্ধ করেন। সংস্কৃত ভাষায় তাঁর রচনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত-শিরোমণি যা লীলাবতী (মূলত, পাটিগণিত), বীজগণিত, গ্রহগণিত (planetary motion) এবং জ্যোতির্বিদ্যা- এই চার ভাগে বিভক্ত। লীলাবতীতে (পাটিগণিত) তিনি জ্যামিতি, বীজগণিত আর পরিমিতিকে স্থান দিয়েছেন। বীজগণিত তিনি পৃথকভাবে রচনা করেন। মধ্যযুগে ভারতে বীজগণিত স্বতন্ত্র বিষয় হয়ে তুলনামূলক সভ্যতাগুলির মধ্যে সর্বাধিক অগ্রণী ছিল। জ্যোতির্বিদ্যার প্রসারে বীজগণিতের সূত্র প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধ হওয়ায় পাঁচশত খ্রিস্টাব্দ থেকে যে ঐতিহ্যের শুরু, তাকে ভাস্করাচার্য উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যান। তাঁর তত্ত্বের পরিপ্রেক্ষিতে বীজগণিতীয় নানাবিধ সমস্যা আর তার সমাধানের প্রক্রিয়ার অনন্য বৈশিষ্ট্য পাঠককে মুগ্ধ করবে।
প্রসঙ্গ রাজধর্ম || PRASANGA RAJDHARMA
₹270.00শরসজ্জায় শায়িত ভীষ্মের যুধিষ্ঠিরের প্রতি উপদেশ
মহাভারত-এর দ্বাদশ অধ্যায়ে বর্ণিত শান্তিপর্বে, শ্রীকৃষ্ণের অনুরোধে শরশয্যায় শায়িত পিতামহ ভীষ্ম ধর্মরাজ যুধিষ্ঠিরকে পালনীয় রাজধর্ম প্রসঙ্গে ধর্ম, অর্থ, কাম ও মোক্ষের যে পাঠ দান করেন, সেই উপদেশাবলির অনুপুঙ্খ আলোচনাই এই গ্রন্থ।
একুশ শতকে এসেও রাজধর্মের সেই শাশ্বত পাঠ আধুনিক রাষ্ট্র, সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বীয় প্রাসঙ্গিকতা অক্ষুণ্ণ রেখেছে।

Reviews
There are no reviews yet.