এই তো সময়
এ কালের এক প্রবীন লিজেন্ডের নিজের দেখা ও বাবার কাছে শোনা মজার মজার কান্ড , প্রায় অবিস্সাস্য ঘটনা I
|
✨দুর্গাপূজা উপলক্ষে 📦16th October থেকে 27th October পর্যন্ত ডেলিভারি বন্ধ থাকবে। 🛒 তবে অনলাইনে অর্ডার করা যাবে। 🚚ডেলিভারি পুনরায় শুরু হবে 28th October 2026 থেকে। |
₹80.00
এ কালের এক প্রবীন লিজেন্ডের নিজের দেখা ও বাবার কাছে শোনা মজার মজার কান্ড , প্রায় অবিস্সাস্য ঘটনা I
এই নতুন দুনিয়ার কিছু অর্বাচীনের ধারণা ইন্টারনেটে সব মেলে । অবশ্যই মেলে কিন্তু হৃ্দয়ের খবর মেলে না। হৃ্দয়ের গভীর থেকে সেই সব হাসি কান্না হীরা পান্নার খবর লেখক তুলে আনলেন ।
এ কালের এক প্রবীন লিজেন্ডের নিজের দেখা ও বাবার কাছে শোনা মজার মজার কান্ড , প্রায় অবিস্সাস্য ঘটনা I
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
রাজেশ বসু
বাংলার সাহিত্যে কিশোরপাঠ্য মৌলিক কল্পবিজ্ঞানের কাহিনি যখন ডোডোপাখির মতোই বিলুপ্তির পথে, তখনই রাজেশ বসু লিখে ফেললেন মহাকাশের মৃত্যুদূত। একটি নয়, দুটি নয়, তিন-তিনটি রোমহর্ষক সায়েন্স ফিকশন এখানে মলাটবন্দি একসঙ্গে। প্রথম উপন্যাস মহাকাশের মৃত্যুদূত-এ কাহিনির চরিত্ররা পৌঁছে যায় ২২৮ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরের লাল গ্রহটিতে। ফিরতি পথে মহাকাশযানে হানা দেয় এক মারণ বীজাণু। কী হয় তারপর? অভিযাত্রীরা কি পারল পৃথিবীতে ফিরে আসতে? বন্ধু শিরিনের ডাকে বিজ্ঞানী ভাস্কর এসে পৌঁছোন কায়রো শহরে। ধনকুবের বেঞ্জামিন হেস্কেলের কাছে একটি আশ্চর্য পুথি দেখার পর থেকেই একের পর এক রহস্যময় ঘটনা ঘটতে শুরু করে। মমি কি কখনও জীবন্ত হতে পারে? জানতে গেলে পড়তে হবে মমি রহস্য। শেষ উপন্যাস ইন্যুয়িতের দেশে গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ বিপন্ন পঁচাত্তর বছর পরের পৃথিবীর কাহিনি। এমনই এক ক্রান্তিকালে বিজ্ঞানী জেঠুর সঙ্গী হয়ে বৃতি পাড়ি দেয় উত্তর মেরু। কী হয় তারপর?
দেবাশিস বসু
এ বইয়ের টাপুর টুপুর মিষ্টি ছড়াগুলি খুব ভালোবেসে ছোটোদের ডেকে নেয় আর সেই সঙ্গে চিনিয়ে দেয় আমাদের অচেনা পৃথিবীকে। গাছগাছালি, পাখপাখালি, জীবজন্তু, খেলা-খেলুড়ে, পড়াশুনো, পালাপার্বণ_সব কথা হয়ে ওঠে ছন্দের আনন্দে। কখনো বা সেই ছন্দের টুংটাং পৌঁছে যায় রূপকথারই দেশে, এক মায়াবী স্বপ্নলোকে।
৬টি উপন্যাস, ৪০টি ছোটোগল্প-বিজ্ঞান-বিশেষ রচনা, ৩১টি কবিতা ও ছড়া, ১টি নাটক, ২টি কমিক্স এবং কুইজ, খেলা, উৎসব ও চিঠিপত্র নিয়ে প্রকাশিত হল দ্বিতীয় বর্ষ ডিঙিনৌকো।
পাতায় পাতায় অলংকরণ ও মনোরম চিত্রশোভিত এমন বর্ণাঢ্য, সর্বাঙ্গসুন্দর সাহিত্যবার্ষিকী শুধু বাংলা প্রকাশনায় নয়, আন্তর্জাতিক প্রকাশনাতেও বিরল। দ্বিতীয় বর্ষ ডিঙিনৌকো-র জন্য লব্ধপ্রতিষ্ঠ সাহিত্যিকদের পাশাপাশি যথারীতি কলম ধরেছেন শিশুসাহিত্যে নিবেদিতপ্রাণ প্রায় সকল লেখকই। নিঃসন্দেহে, ডিঙিনৌকো-ই বিশ্ব বাংলা শিশুসাহিত্যের সেই সুযোগ্য প্রতিনিধি, যার অলংকরণে দুই বাংলার শ্রেষ্ঠ ইলাস্ট্রেটর ও চিত্রশিল্পীরা।
বর্ষীয়ান কবি তথা জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী শিশুসাহিত্যিক সুনির্মল চক্রবর্তীর সম্পাদনায় ডিঙিনৌকো শিশু-কিশোরদের জন্য এক অভিনব সাহিত্যবার্ষিকী।
এর পাতা উলটে ছোটোরা তো বটেই, বড়োরাও হারিয়ে যাবেন গল্প-ছবির স্বপ্নরাজ্যে।
মারণ ভিডিয়ো গেম-এর আক্রমণে আমাদের শৈশব যখন আক্রান্ত, যুদ্ধবাজ অশুভ শক্তির হানায় আমাদের দৈনন্দিন জীবন যখন দুঃস্বপ্নময়, পারুল প্রকাশনীর ডিঙিনৌকো তখন আবার নতুন করে দেখায় স্বপ্ন, নতুনভাবে শোনায় বেঁচে থাকার গান।
শিশির মজুমদার
হাতিরা কি কখনো কলকাতায় এসেছিল? আর বাঘেরা? ওরেব্বাবা! যদি এসে থাকে, তাহলে সে-তো একেবারে হুলুস্থুল কাণ্ড! কেলেঙ্কারিও বলা যেতে পারে। আচ্ছা, তাহলে মানুষেরা তখন কী করছিল? তারা কি মজা দেখছিল? নাকি প্রাণ নিয়ে পালানোর জন্য দিয়েছিল চোঁ-চাঁ দৌড়? জানতে গেলে পড়তে হবে খুব ছোটোদের জন্য লেখা মন ভালো করে দেওয়া এই গল্পের বইটি।
হিরণ্ময় ভট্টাচার্য
এক বর্ষার রাতে চৌধুরি বাড়ি চুরি করতে গিয়ে গোবরের গর্তে পা হড়কে পড়ে গেল কানাপদ। ব্যর্থমনোরথ কানাই বৃষ্টি থেকে মাথা বাঁচাতে শেতলা মন্দিরের বারান্দায় উঠে আবিষ্কার করল ছিঁচকে চোর পাঁচু দেবতার বরে অদৃশ্য হওয়ার ক্ষমতা লাভ করেছে। নিদারুণ অভিমানে চুরিতে ইস্তফা দিল কানাই। সাম্বাদ্বীপে গিয়েছিল একটা লোক। সেখানে সোনার ঢেঁকি ও নাদা দেখেছিল সে। চিচিঙ্গের মতো লংকা ও সুপুরির মতো সাইজের নারকেল। আরও অনেক অজানা তথ্য জানিয়েছিল লোকটা পটাদাকে। গোপেন দারোগা ঘুমকাতুরে। তাঁর দাবি তাঁর সুশাসনের ফলেই ব্রিজপুকুর এলাকায় চুরি ছ্যাঁচড়ামি একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু হঠাৎ করেই আবার শুরু হল চৌর্যকর্ম। গোপেন দারোগার ঘুমের দফারফা। তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে তাঁরই বাল্যবন্ধু পুলিশে চাকরি না-পাওয়া উপেন। পটাদা নিজেকে গ্লোবট্রটার বলে দাবি করেন গল্পখোর রুবি, রণেন আর কিঙ্কিনীদের কাছে। মাসাইমারা জঙ্গল, তিব্বত, সাহারা মরুভূমি সবই নাকি তাঁর নখের আয়নায়। টাইম মেশিনে চেপে আসা ইডেনের অধিবাসীদেরও চাক্ষুষ করেছেন তিনি। তাঁরই কল্যাণে নাকি প্লুটোনিয়াম বোমার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে পৃথিবী। মালয়েশিয়ার রাবার ফ্যাক্টরির কুলিদের ভূতের উপদ্রব থেকে একবার রক্ষা করেছিলেন পটাদাই। শেষ ট্রেন থেকে নেমে অন্ধকার রাতে বাড়ি ফেরার সময় ভূতের কবলে পড়ল পিলেকান্ত। নিজেকে ‘ড্রাগন’ পরিচয় দিয়েও রক্ষা পেল না। হাতে ছিল সাইকেলের পাম্পার। বুদ্ধি খাটিয়ে সেটাকেই কাজে লাগাল সে। কীভাবে? পাঁচুর লাঙলের ফালে বেধে একদিন উঠে এল সন্দেহজনক একটা পিতলের কলসি। তারপর? এরকমই পঁচিশটি দমফাটা হাসির গল্পে বিচিত্র সব চরিত্রের দেখা মিলবে এই বইয়ে।
| ফুটবল বিশ্বকপের গৃহীত ইতিহাসের পাশাপাশি এই বই ডুব দিতে চেয়েছে প্রাসঙ্গিক, বিষন্ন – প্রসন্ন নানা নেপথ্যকাহিনীতেও । ফুটবলপ্রেমে মজবেন সব বয়সি পাঠক । |

Reviews
There are no reviews yet.