• 0 Items - 0.00
    • No products in the cart.
Sale

130.00

আমি গোপাল পাঠাকে দেখেছি || AMI GOPAL PATHAKE DEKHECHI || GAUTAM BAGCHI

‘৪৬-এর গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং, তার প্রতিরোেধ ও দমন যে কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, তাকে বুঝতে হবে বিশ শতকীয় বাংলার অগ্নিযুগের প্রেক্ষাপটে, সেই সত্য প্রথম মনে করিয়ে দিয়েছেন বিশিষ্ট গবেষক-সাংবাদিক গৌতম বাগচি। তিনিই নিয়েছিলেন গোপাল পাঠার প্রথম পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার।

পর্বে-পর্বে প্রকাশিত হয়ে আমার আমি’র অন্ধকারে শীর্ষক সেই আত্মকথন একদা এই রাজ্যে শোরগোল ফেলে দিয়েছিল।

এ বইয়ে রইল গোপাল পাঠার নিজের বয়ানে রডা অস্ত্র লুণ্ঠন এবং ‘৪৬-এর দাঙ্গার সেই অকথিত ইতিহাস!

978-93-49718-47-0 ,
Share

Meet The Author

"গৌতম বাগচির জন্ম উত্তর কলকাতায়। পিতা জাতীয় জীবনীকার প্রয়াত মণি বাগচি, মাতা পণ্ডিত শ্যামসুন্দর চক্রবর্তীর কন্যা মিনতীদেবী। সিটি কলেজ থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক। প্রথম জীবনে পি থ্রি সংস্থার কর্মী। সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি বসুমতী পত্রিকায়। পরে চলে আসা যুগান্তর পত্রিকায়। নিজস্ব সম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন সাহিত্য পত্রিকা ক্রমিক, ছোটোদের কাগজ পড়ুয়া, সচিত্র সংবাদ কাগজ এবং ইংরেজি ভাষায় Epic International। আনন্দবাজার পত্রিকা, আজকাল, সংবাদ প্রতিদিন, স্টেটসম্যান, আনন্দমেলা, আনন্দলোক, অমৃত-সহ লেখালেখি প্রায় সব দৈনিক ও সাময়িক পত্রিকায়। কলকাতা দূরদর্শনের ক্যামেরা চলছে বিভাগের সঙ্গে যুক্ত। প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ উঠে এসো কর্ণের চাকা। সম্পাদিত গ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আমার শিক্ষক, কবির নীরা, সবার উপরে, আমার দুর্গা, বিবেকানন্দের সন্ধানে, যাত্রাচিত্রী রবি দাস, রাণী রাসমণির প্রথম জীবনী, বারোয়ারি উপন্যাস ও আমি গোপাল পাঠাকে দেখেছি। বর্তমানে, 'কলেজ স্ট্রিটের ইতিহাস' নিয়ে গবেষণারত।"

পাঠক এ বই পড়ে জানতে পারবেন

  • গোপাল মুখোপাধ্যায় কীভাবে ‘গোপাল পাঠা’ হলেন?
  • কে ছিলেন বিপ্লবী অনুকূল মুখোপাধ্যায়? হাবুবাবুই বা কে?
  • ঠিক কীভাবে লুঠ হয়েছিল রডা কোম্পানির মাউজার পিস্তল?
  • দাঙ্গার আসল কুশীলব কারা?
  • কীভাবে খুন হলেন হরেন ঘোষ?
  • কেন নিষ্ক্রিয় হয়ে ছিল পুলিশ, প্রশাসন ও মিলিটারি?
  • কলকাতাকে উড়িয়ে দিতে চেয়েছিল কারা?
  • কীভাবে গোপাল পাঠা সদলবলে ঝাঁপিয়ে পড়লেন দাঙ্গা প্রতিরোধে?
  • হিন্দু সৎকার সমিতির জন্ম কীভাবে হল?
  • দাঙ্গা কেন থেমেও থামছিল না?
  • কেন বারবার ব্যর্থ হচ্ছিল গান্ধীর শান্তি মিশন?
  • জাতির জনককে কীভাবে নিরাপত্তা দিয়েছিলেন গোপাল পাঠা?
  • প্রচলিত ইতিহাসে কেন আজও ব্রাত্য গোপাল মুখোপাধ্যায়?

 

‘৪৬-এর গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং এবং সেই সূত্রে গোপাল পাঠাকে নিয়ে বাঙালি পাঠকের আগ্রহ ও ঔৎসুক্যের পারদ হঠাৎ করেই আবার ঊর্ধ্বমুখী। কে এই গোপাল পাঠা? তিনি কি বিধান রায়ের কোনও পোষা গুন্ডা? কলকাতার অন্ধকার জগতের কোনও মাফিয়া ডন? নাকি কোনও বিশেষ এক সম্প্রদায়ের পরিত্রাতা, যিনি আবার আর-এক সম্প্রদায়ের সাক্ষাৎযম? সত্য, অসত্য ও অর্ধসত্য মেশানো বাজারচলতি কয়েকটি মনোরঞ্জক বইয়ের কপোলকল্পনা, তথ্যবিকৃতি তথা বেলাগাম মিথ্যাচার পরিস্থিতিকে জটিলতর করেছে, পাঠককে করেছে বিভ্রান্ত। গোপাল মুখোপাধ্যায়কে না-দেখে, না-জেনে, না- বুঝেই এইসব পণ্ডিতম্মন্য স্বঘোষিত ‘গবেষক’-লেখকেরা তাঁকে নিয়ে বাজার গরম করা বেস্টসেলার লিখে ফেলছেন! তাঁদের কারও কলমে তিনি হয়ে উঠছেন গল্পকথার বীর, পরমপূজ্য অতিনায়ক, আবার কারও কলমে তিনি দাঙ্গাবাজ, গুন্ডা, এক চরম ঘৃণিত প্রতিনায়ক!
ফলত, ইতিহাসের দায় থেকে যায় অকথিত ইতিহাসকে উদ্ধার করার। এই গ্রন্থে ঠিক সেই কাজটিই করেছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক-সাহিত্যিক-গবেষক গৌতম বাগচি। ‘৪৬-এর দাঙ্গা এবং তার প্রতিরোধ ও দমন যে কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, তাকে বুঝতে হবে বিশ শতকীয় বাংলার অগ্নিযুগের প্রেক্ষাপটে, সেই সত্য গৌতমবাবুই প্রথম মনে করিয়ে দিয়েছেন। বিগত শতাব্দীতে তিনিই নিয়েছিলেন বিস্মৃতির আড়ালে হারিয়ে যাওয়া গোপাল পাঠার প্রথম পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার। পর্বে-পর্বে প্রকাশিত হয়ে সাক্ষাৎকারভিত্তিক সেই আত্মকথন একদা এই রাজ্যে শোরগোল ফেলে দিয়েছিল।
ফলত, রডা অস্ত্র লুণ্ঠন থেকে শুরু করে এই গ্রন্থ উঁকি মেরেছে বাঙালি বিপ্লবীদের গোপন ডেরায়, জানতে চেয়েছে তাঁদের দুঃসাহসিক কার্যকলাপ, উদ্ধার করেছে সমসময়ের দুষ্প্রাপ্য বহু নথি, পুনঃপ্রকাশ করেছে স্বয়ং গোপালবাবুর সেই হারিয়ে যাওয়া আত্মকথা- আমার আমি’র অন্ধকারে- যার অকপট সত্যভাষণে অনেক তথাকথিত স্বদেশহিতৈষীর মুখোশই শুধু উন্মোচিত হয়নি, উদ্ধার হয়েছে’ ৪৬-এ কলকাতাকে উড়িয়ে দেওয়ার ও মাস জেনোসাইডের নীল নকশাও!
এ বই পড়ে পাঠক খুঁজে পাবেন অন্য এক গোপাল পাঠাকে- প্রচলিত ইতিহাস যার হদিশ রাখেনি।

Reviews

There are no reviews yet.

Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.