Sale

₹200.00

চাণক্য শ্লোক / CHANAKYA SHLOKE

চাণক‌্য তাঁর দীর্ঘ কূটনৈতিক জীবনে যে সত্য উপলব্ধি করেছিলেন , তাকেই সমাজকল্যাণের প্রয়োজনে আপন প্রতিভাবলে শ্লোকাকারে লিপিবদ্ধ করেন । 

দেশকালের সীমানা পেরোনো সেই সমস্ত শাশ্বত শ্লোক আজও মানবজীবনে জাগরণের মহামন্ত্র হয়ে উঠতে পারে । 

Share

Meet The Author

"প্রবীরকুমার চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দের ৬ মার্চ বাঁকুড়া জেলার সিহড় গ্রামে। কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মিশন স্কুলে শিক্ষকতার শুরু ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দে। ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে সহ-প্রধানশিক্ষকের ভূমিকা পালন। ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে অবসর গ্রহণ। ২০১০ খ্রিস্টাব্দে তাঁর অনূদিত ও সম্পাদিত চাণক্যশ্লোক গ্রন্থটি প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে যায়। ওই বছরেই প্রকাশিত তাঁর আরও দুটি গবেষণাধর্মী গ্রন্থ-সামবেদীয় সংস্কারকর্ম এবং কালিকাপুরাণোক্ত শ্রীশ্রীদুর্গাপূজা পদ্ধতি -দীক্ষিত পাঠকের অভিনন্দন কুড়িয়েছে। 'কাব্যতীর্থ' উপাধিতে ভূষিত প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্যের এই নিরলস গবেষক এখনও নিমগ্ন আছেন দুরূহ অনুবাদকর্মে।"

কিংবদন্তি অনুসারে নন্দবংশের রাজা ধননন্দের দ্বারা অপমানিত ও লাঞ্ছিত হয়েছিলেন পণ্ডিত চাণক্য।

অতঃপর প্রতিশোধস্পৃহায় চন্দ্রগুপ্তের সাহায্যে তিনি নন্দবংশ ধ্বংস করেন। মৌর্যসম্রাট চন্দ্রগুপ্তকে মগধের সিংহাসনে প্রতিষ্ঠিত করে নিজেই তাঁর মন্ত্রিত্ব গ্রহণ করেন।

কূটনীতিবিদ চাণক্যের এই পরিচয়টুকু জ্ঞানপিপাসু মানুষকে তৃপ্ত করে না। চাণক্যর সারস্বত কীর্তিই তাঁকে অমরত্ব দান করেছে।

চন্দ্রগুপ্তের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা এই ইতিহাসপ্রসিদ্ধ মানুষটি মানুষকে ধর্মপথে রাখতে, কর্তব্যকর্মে অবিচল রাখার উদ্দেশ্যে এবং সমাজকল্যাণের সদিচ্ছায় ৬০০০ শ্লোক সংবলিত বৃদ্ধ চাণক্য নামে একটি নীতি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন।

১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে জয়গোপাল তর্কালংকার চাণক্যশ্লোকের সারভূত ১০৮টি শ্লোক সংবলিত লঘুচানক্য নামে একটি ক্ষুদ্র পুস্তিকা প্রকাশ করেন।

এই পুস্তিকার মুখবন্ধে বলা হয়েছে, ‘যা শেখামাত্র মানুষের জ্ঞানোদয় হয়, সেরূপ ১০৮টি পদ্য চাণক্য রচনা করেছেন।’

সংকলক যতদূর সম্ভব সংগ্রহ করেছেন সেই শ্লোকগুলি, প্রকৃতই যেগুলি মানুষের জ্ঞানোদয়ের পরিপূর্ণ সহায়ক।

কিছু কিছু শ্লোকের তাৎপর্য-বিশ্লেষণ এ-গ্রন্থের উৎকর্ষ বৃদ্ধি করেছে।

Reviews

There are no reviews yet.

Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.

Play sound