নীলিমা সান্যাল
যুগযুগান্ত ধরে মানুষের আত্মজ্ঞানলাভের কল্পতরু হিসেবে গৃহীত যে গণসাহিত্য, তা-ই গীতা।


₹80.00
নীলিমা সান্যাল
যুগযুগান্ত ধরে মানুষের আত্মজ্ঞানলাভের কল্পতরু হিসেবে গৃহীত যে গণসাহিত্য, তা-ই গীতা।
Out of stock
নীলিমা সান্যাল
যুগযুগান্ত ধরে মানুষের আত্মজ্ঞানলাভের কল্পতরু হিসেবে গৃহীত যে গণসাহিত্য, তা-ই গীতা।
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
(সামবেদীয় ও যজুর্বেদীয় পদ্ধতিতে মন্ত্রের অর্থসহ)
প্রবীরকুমার চট্টোপাধ্যায় কাব্যতীর্থ
জন্মিলে মরিতে হবে অমর কে, কোথা, কবে? জন্মের মতো মৃত্যুও এক শাশ্বত সত্য। মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী, কিন্তু মৃত্যুতেই শেষ নয় আমাদের জীবন। এর পরেও রয়ে যায় আর এক অভিযাত্রা। পরমব্রহ্মের সঙ্গে মিলিত হওয়ার আগে আমাদের উত্তরজীবন। মৃত ব্যক্তির পার্থিব জীবনকে সম্মান জানিয়ে তাঁর অপার্থিব উত্তরজীবন যাতে দ্রুত স্বর্গগামী হয়, সেই উদ্দেশ্যে অনাদিঅতীতকাল থেকে সকল ধর্মে পারলৌকিক ক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে আসছে। হিন্দুধর্মমতে এই ক্রিয়ার নাম ‘শ্রাদ্ধ’_শ্রদ্ধার সঙ্গে কৃত প্রিয়জনতর্পণ। সামবেদীয় ও যজুর্বেদীয়_উভয় পদ্ধতিতেই সেই বৈদিক যুগ থেকে হিন্দুরা শ্রদ্ধানুষ্ঠান পালন করে আসছেন। এই উত্তরাধুনিক একবিংশ শতকেও তার অন্যথা হয়নি। সমস্যা অন্যত্র। সংস্কৃত ভাষাচর্চার ক্রমাবনতি আমাদের শাস্ত্রবিষয়ে অজ্ঞ ও অনভিজ্ঞ করে তুলেছে। ফলে, অনর্থজ্ঞ পুরোহিতরা যখন তর্পণকার্যে প্রবৃত্ত হন, শ্রাদ্ধ অসম্পূর্ণ থাকে। এই গ্রন্থ রচনার উদ্দেশ্য : সংস্কৃত মন্ত্রে রচিত, বিধিবদ্ধ শ্রাদ্ধপদ্ধতিকে সকলের কাছে অর্থময় করে তোলা। এই গ্রন্থ অনুসরণ করে অর্থবোধসহ মন্ত্রোচ্চারণ করলে পুরোহিতরা তর্পণকার্য সুসম্পন্ন করবেন এবং উচ্চারিত মন্ত্রের অর্থ হৃদয়ঙ্গম করে পারলৌকিক ক্রিয়ারত ব্যক্তিরাও শ্রাদ্ধের মর্ম অনুভব করবেন। গ্রন্থের শেষে সংযোজিত ভারতসাবিত্রী-র পাঠ সমগ্র মহাভারতপীঠের পুণ্যপ্রদান করবে।
হোম মূলত চার প্রকার: সামবেদী, যজুর্বেদী, ঋগ্বেদী ও তান্ত্রিক। বঙ্গদেশে বৈদিক হোমের প্রচলন থাকলেও তন্ত্রোক্ত হোমের প্রাধান্যই বর্তমানে সর্বাধিক লক্ষ করা যায়। বর্তমান গ্রন্থে গ্রন্থকার শুধু যে ত্রিবেদীয় হোমবিধিকেই অভিন্ন সূত্রে গ্রথিত করেছেন তাই-ই নয়, বঙ্গদেশে বহুলপ্রচলিত তন্ত্রোক্ত হোমের বিধিনিয়মও বর্ণনা করেছেন প্রাঞ্জলভাবে। এই গ্রন্থপাঠে পুরোহিত ব্রাহ্মণদের পাশাপাশি ধর্মজিজ্ঞাসু যে-কোনো সাধারণ পাঠকও ঋদ্ধ হবেন নিশ্চিতভাবেই
এই নতুন দুনিয়ার কিছু অর্বাচীনের ধারণা ইন্টারনেটে সব মেলে । অবশ্যই মেলে কিন্তু হৃ্দয়ের খবর মেলে না। হৃ্দয়ের গভীর থেকে সেই সব হাসি কান্না হীরা পান্নার খবর লেখক তুলে আনলেন ।
লৌকিক ও অতিলৌকিকের আঘ্রান মাখা রূপক সাহার এই ব্যতিক্রমী উপন্যাসে মৃত্যু, শোক ও অপরাধবোধ অভিন্ন সূত্রে গাঁথা।
এখানে নিবন্ধাকারে কেবল অভ্যুদয়ের বাণী। গ্রন্থে বর্ণিত সকলেই অরুণরথে রথী। অন্তরদেবতার আহবানে বহুজনহিতায় বহুজনসুখায় ওঁদের পথচলা। অধ্যবসায়ী পাঠক অন্তরের নিভৃতকক্ষে যদি তাঁদের হৈম – আসন পেতে রাখেন তবে নন্দনকানন থেকে সংগৃহীত পুষ্পের সুরভিতে চারপাশ আনন্দধারায় মেতে উঠবে ।
সংকলক-অনুবাদক : রমেন্দ্র ভট্টাচার্য ও মানবেন্দ্র ভট্টাচার্য
মেঘদূত মহাকবি কালিদাস বিরচিত একটি খণ্ডকাব্য। এর শ্লোকসংখ্যা অল্প। কিন্তু কাব্য হিসেবে মেঘদূত-এর আবেদন সেই প্রাচীন কাল থেকে উত্তরাধুনিক সমসময় পর্যন্ত পরিব্যাপ্ত। মন্দাক্রান্তা ছন্দে লেখা এই কবিতাটাই সম্ভবত পৃথিবীর প্রথম ও শ্রেষ্ঠতম বিরহকাব্য। কেউ কেউ মেঘদূত-কে বর্ষার কাব্য বা প্রকৃতির কাব্য বলেছেন। টীকাকার মল্লিনাথসূরি একে বলেছেন বিপ্রলম্ভ শৃঙ্গার-রসের কাব্য। রবীন্দ্রনাথের মন্তব্য : মেঘদূত মন্দাক্রান্তা ছন্দের মধ্যে বিশ্বের গতি নৃত্য করছে। তাই এই কাব্য চিরকালের সজীব বস্তু। মেঘদূত-এর এই বর্তমান সংস্করণে বিদ্যাসাগর সম্পাদিত মেঘদূতম্ অনুসরণে ১১৫টি শ্লোক গৃহীত হয়েছে। সংযোজিত হয়েছে ৪টি বহুবর্ণ চিত্র।
Reviews
There are no reviews yet.