নির্বাচিত রহস্য রোমাঞ্চ অমনিবাস
বাংলা রহস্য রোমাঞ্চ সাহিত্যের অগ্রণী লেখকদের প্রায় বিস্মিত কিছু রুদ্ধশ্বাস কাহিনীকে দু মলাটের মধ্যে নিয়ে এসেছে এই অনন্য সংকলন I


₹495.00 ₹322.00
বাংলা রহস্য রোমাঞ্চ সাহিত্যের অগ্রণী লেখকদের প্রায় বিস্মিত কিছু রুদ্ধশ্বাস কাহিনীকে দু মলাটের মধ্যে নিয়ে এসেছে এই অনন্য সংকলন I
ছোট বড় নির্বিশেষে পাঠকের জন্য এক মহা আয়োজন যা বহু বিচিত্র ধারায় বিন্যস্ত বাংলা রহস্য রোমাঞ্চ সাহিত্যের সার্বিক ভাবটিকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছে I
প্রভাবতী দেবী সরস্বতী থেকে শুরু করে শেখর বসু পর্যাপ্ত ব্যাপ্ত এই সংকলনে সংকলনে সংকলিত গল্পগুলির মূল জোর কাহিনিকারদের খ্যাতিতে নয় , প্রতিটি গল্প মন কেড়ে নেওয়ার মত I
বাংলা রহস্য রোমাঞ্চ সাহিত্যের অগ্রণী লেখকদের প্রায় বিস্মিত কিছু রুদ্ধশ্বাস কাহিনীকে দু মলাটের মধ্যে নিয়ে এসেছে এই অনন্য সংকলন I
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
শুভময় মণ্ডল
বাংলা কবিতার চিরায়ত সম্পদ মেঘনাদবদকাব্য। রবীন্দ্রনাথ এবং মেঘনাদবধকাব্য-র জন্ম একই বছরে। জন্মমাত্রই মেঘনাদবধকাব্য জয় করেছিল বাঙালি পাঠকের হৃদয়। শুধুমাত্র সুশিক্ষিত এবং রুচিশীল পাঠক নন, সাধারণ বাঙালি পাঠকও উন্মথিত হয়েছিলেন এই কাব্যের পঠনে। কাব্যের প্রতিটি সর্গে, প্রতিটি পঙক্তিতে ছন্দ ও যতিচিহ্নের অনন্য চরণধ্বনি, শব্দ ও অলংকারের অম্লান সৌরভ আমাদের আবিষ্ট করে রাখে। বাংলাভাষা যতদিন থাকবে, ততদিনই আয়ুষ্মান মেঘনাদ। প্রতিস্পর্ধী এই মহাকাব্য থেকে গল্পের চলনটুকু তুলে এনে সবার জন্যে একালের গদ্যে বলা হল মেঘনাদের বীরত্ব ও মৃত্যুর কথা।
ডিং ডং মাঝে মাঝে আজব ভাষায় কথা বলে। তার ভাষায় ‘মাকাটিলি’ মানে ‘লিপইয়ার’। স্কুলে আবৃত্তির পর সে বলল, ‘ইকিতানি’। এর মানে নাকি ‘নমস্কার’। টুপুরের জানলার ওপাশে বাতাবি লেবুর গাছে একটা পাখি এসে বসে। ওকে দেখলেই তার আর পড়ায় মন বসে না। যোগের বেলায় বিয়োগ করে বসে। বাবা একদিন মা-র কথায় দুটো লাঠিতে নিজের ছেঁড়া জামা গলিয়ে বানিয়ে দিলেন পাখিতাডুয়া। তারপর আর পাখিটা আসে না। টুপুরের মনটাই আর ভালো নেই। ঝিমলি আর কাকুর দুই ছেলে-মেয়ে টিটুল আর টিকলি। তাদের পুতুল খেলার রাজ্য ছাদে তার নাম ‘খেলাঘরপুর’। বড়োদের কী নিয়ে যেন কথা বন্ধ, তাই ওদের একসঙ্গে পুতুল খেলাও বারণ। এখন ওরা পুতুলগুলো কি নিজেরা ভাগ করে নেবে? এরকম উনিশটি গল্প নিয়ে এই বই। যারা সবে বই পড়তে শিখেছে বা যারা গড়গড়িয়ে পড়তে পারে, তাদের জন্যে গল্পগুলো লেখা। যারা বই পড়তেই পারে না এখনও, বড়োরা যাদের বই পড়ে শোনান, এই গল্পগুলো তাদের জন্যও।
অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজকাহিনী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা। টডের রাজপুত কাহিনি অবলম্বনে মধ্যযুগীয় রাজপুত রাজাদের বীরত্ব, ত্যাগ ও মহিমার এমন রূপনির্মাণ শুধু বাংলা সাহিত্যে কেন আন্তর্জাতিক সাহিত্যেও দুর্লভ। রাজপুত চিত্রকলার সঙ্গে শিল্পী অবনীন্দ্রনাথের পরিচয় উনিশ শতাব্দীর শেষ প্রান্তে এসে। যখন তিনি কচ ও দেবযানী, রাধাকৃষ্ণের ছবি বা মোগল চিত্রাবলী আঁকছিলেন, তখনই রাজকাহিনীর রচনা। টডের ইতিহাস অবনীন্দ্রনাথের প্রেরণা হলেও সে আকরকে ব্যবহার করে তিনি সৃজন করেছেন শব্দ-ছবির এমন এক ভিন্ন রূপ জগৎ, শৌর্য, বীর্য, আত্মোৎসর্গ এবং দেশপ্রেমের মহিমায় যা প্রোজ্জ্বল। অবনীন্দ্রনাথের সংগীতময় অসামান্য স্পন্দিত গদ্য রাজকাহিনীর কাহিনিগুলিকে দান করেছে এক অনন্য বিশিষ্টতা। কল্পনায় তিনি পূরণ করেছেন বাস্তবের সংগত অনেক দাবি। ভাষার ঐশ্বর্য সেই কল্পনালীলার সঙ্গে মিলিয়েছেন তাল। সর্বোপরি, পাঠকের অখণ্ড মনোযোগ ধরে রাখতে সহায়ক হয়েছে অবনীন্দ্রনাথের অননুকরণীয় রচনাকৌশল যা একইসঙ্গে কুশলী ও চিত্তগ্রাহী। সবমিলিয়ে, রাজকাহিনী আজও বাঙালি পাঠকের কাছে সেরা কিশোর ক্লাসিক।
শ্রীশ্রীমন্মহারাজ বীরবিক্রমকিশোর দেববর্ম মাণিক্য বাহাদুরের
শুভ-রাজ্যাভিষেক উৎসব
ত্রিপুরার মহারাজ বীরবিক্রকিশোর মাণিক্য ছিলেন বহুকর্মা। তাঁর জীবনকাল সংক্ষিপ্ত হলেও ব্যাপ্তি সুবিশাল। দেশ-বিদেশে পরমসমাদৃত এই মহারাজার রাজ্যাভিষেকের বর্ণাঢ্য (১৯২৮ সাল) ছিল নানা উপাচারে সজ্জিত। সেই আচার-অনুষ্ঠানের রাজকীয় সমারোহ উপলক্ষ্যে প্রকাশিত এই পুস্তিকার নবকলেবরে পুনঃপ্রকাশনা_ইতিহাসের এক উজ্জ্বল উদ্ধার। ‘স্বাধীন ত্রিপুরার প্রায় অন্তিম সময়ের আর্থ-সামাজিক ইতিহাসের পাদটীকার বহু খুচরো উপাদানের আকর’ এই পুস্তিকা, যাতে একই সঙ্গে বিধৃত হয়েছে মহারাজার রাজ্যভার অধিগ্রহণ, রাজ্যাভিষেক পদ্ধতি এবং ত্রিপুরেশ্বরের সংক্ষিপ্ত জীবনালেখ্য।
রতনতনু ঘাটী
নদীতে ভেসে আসা ফুলপাতায় মাকে খুঁজে চলা এক ভ্যাবলা ছেলে, উপাসনার স্বপ্নে দেখা রূপকথার মতো একটা রাজবাড়ি, লাল শালুক আর সাদা শালুকের গাছ লাগিয়ে চলা ঝুমনি নামের মেয়েটি, নৌকোয় পাল তুলে পুলিপিঠেদের সঙ্গে চড়ুইভাতিতে যাওয়ার ইচ্ছেময়ী টুপুর, কথাবলা পাখি-দ্বীপের আশ্চর্য মেয়ে দ্বীপ-কুমারী, হলদে পাখিতাড়ুয়া নয়ন, রামধনু-পাগল পরান, কাঁকনের মামারবাড়ি পলাশপুরের মানুষের শেষ সিত্যি–পরি দেখার গল্পে ভরা এ বই। নতুন দিনের জন্য লেখা এ এক মন-ভালো করা নতুন রূপকথা।
Reviews
There are no reviews yet.