নির্বাচিত রহস্য রোমাঞ্চ অমনিবাস
বাংলা রহস্য রোমাঞ্চ সাহিত্যের অগ্রণী লেখকদের প্রায় বিস্মিত কিছু রুদ্ধশ্বাস কাহিনীকে দু মলাটের মধ্যে নিয়ে এসেছে এই অনন্য সংকলন I
মুহূর্তকথা || নবকুমার বসু (দ্বিতীয় খণ্ড) || MUHURTA KOTHA || NABAKUMAR BASU (VOL-2)
₹320.00 × 2 Subtotal : ₹1,360.00
₹495.00 ₹322.00
বাংলা রহস্য রোমাঞ্চ সাহিত্যের অগ্রণী লেখকদের প্রায় বিস্মিত কিছু রুদ্ধশ্বাস কাহিনীকে দু মলাটের মধ্যে নিয়ে এসেছে এই অনন্য সংকলন I
ছোট বড় নির্বিশেষে পাঠকের জন্য এক মহা আয়োজন যা বহু বিচিত্র ধারায় বিন্যস্ত বাংলা রহস্য রোমাঞ্চ সাহিত্যের সার্বিক ভাবটিকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছে I
প্রভাবতী দেবী সরস্বতী থেকে শুরু করে শেখর বসু পর্যাপ্ত ব্যাপ্ত এই সংকলনে সংকলনে সংকলিত গল্পগুলির মূল জোর কাহিনিকারদের খ্যাতিতে নয় , প্রতিটি গল্প মন কেড়ে নেওয়ার মত I
বাংলা রহস্য রোমাঞ্চ সাহিত্যের অগ্রণী লেখকদের প্রায় বিস্মিত কিছু রুদ্ধশ্বাস কাহিনীকে দু মলাটের মধ্যে নিয়ে এসেছে এই অনন্য সংকলন I
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
জল ও স্থলের সন্ধিরেখায় দামাল দুর্যোগে দাপিয়ে বেড়ায় যে সমুদ্রদানব, তারই নাম সুনামি। সুনামির সৃষ্টি, বৈশিষ্ট্য এবং তার ধ্বংসলীলা_ বোধের সীমানায় নিয়ে আসা জরুরি হয়ে পড়েছে এ মুহূর্তে। কিন্তু কেন? বিবিধ কারণের মধ্যে বিপর্যয় মোকাবিলা (Disaster Management)-র বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বাংলায় এই প্রথম বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আলোচিত হল সুনামি।
ডিং ডং মাঝে মাঝে আজব ভাষায় কথা বলে। তার ভাষায় ‘মাকাটিলি’ মানে ‘লিপইয়ার’। স্কুলে আবৃত্তির পর সে বলল, ‘ইকিতানি’। এর মানে নাকি ‘নমস্কার’। টুপুরের জানলার ওপাশে বাতাবি লেবুর গাছে একটা পাখি এসে বসে। ওকে দেখলেই তার আর পড়ায় মন বসে না। যোগের বেলায় বিয়োগ করে বসে। বাবা একদিন মা-র কথায় দুটো লাঠিতে নিজের ছেঁড়া জামা গলিয়ে বানিয়ে দিলেন পাখিতাডুয়া। তারপর আর পাখিটা আসে না। টুপুরের মনটাই আর ভালো নেই। ঝিমলি আর কাকুর দুই ছেলে-মেয়ে টিটুল আর টিকলি। তাদের পুতুল খেলার রাজ্য ছাদে তার নাম ‘খেলাঘরপুর’। বড়োদের কী নিয়ে যেন কথা বন্ধ, তাই ওদের একসঙ্গে পুতুল খেলাও বারণ। এখন ওরা পুতুলগুলো কি নিজেরা ভাগ করে নেবে? এরকম উনিশটি গল্প নিয়ে এই বই। যারা সবে বই পড়তে শিখেছে বা যারা গড়গড়িয়ে পড়তে পারে, তাদের জন্যে গল্পগুলো লেখা। যারা বই পড়তেই পারে না এখনও, বড়োরা যাদের বই পড়ে শোনান, এই গল্পগুলো তাদের জন্যও।
শৈলেন ঘোষ
কল্পনার জাদুকলমে ছুঁয়ে যাওয়া শৈশব-কৈশোর। অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে যিনি ব্রতী থেকেছেন এ-নির্মাণে, তিনি শৈলেন ঘোষ। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পর শৈলেন ঘোষই সবচেয়ে সার্থকভাবে ছোটোদের জন্য সৃষ্টি করেছেন শব্দ-ছবির ভিন্ন এক জগৎ। রূপকথা, লোককথার প্রচলিত আঙ্গিকে নয়। নিজস্ব ঢঙে ছোটোদের তিনি শুনিয়েছেন তাঁর কাহিনি। স্বপ্নের কল্পনালোকেই শুধু তাঁর বিচরণ নয়, প্রায়শই তিনি নেমে এসেছেন মাটির পৃথিবীতে। সচেতনভাবেই তাঁর গল্প ছোটোদের মনে জাগাতে চায় শুভবোধ। কিন্তু কখনোই তা আরোপিত বলে মনে হয় না। ভাষার জাদুতে সঙ্গী করে নেন খুদে পাঠককে। লেখকের শ্রেষ্ঠ দশটি উপন্যাস-এ রইল আমার নাম টায়রা, হুপ্পোকে নিয়ে গপ্পো, মিতুল নামে পুতুলটি, খুদে যাযাবর ইসতাসি, বন-সবুজের দ্বীপে, পিরামিডের দেশে, মা এক নির্ভীক সৈনিক, নাচ রে ঘোড়া নাচ, ভালোবাসার ছোট্ট হরিণ এবং আয় বৃষ্টি রিমঝিম।
সম্ভবত পৃথিবীর মানুষকে দু-ভাগে ভাগ করা যায়। এক যারা প্যারিস দেখেছে; দুই যারা প্যরিস দেখেনি। সম্ভবত পৃথিবীর সব কবিকেও দু-ভাগে ভাগ করা যায়। এক যাদের মাতৃভূমি শুধু তাদের নিজেরই দেশ: দুই যাদের মাতৃভূমি তাদের নিজের দেশ ছাড়াও তার একটি শহর_ প্যারিস। ইতিহাসে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকার মতন শহর প্যারিস নয়, উলটে ইতিহাসই এখানে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে। এখানে কেউ নারীর হাত ধরে প্রবিষ্ট হয়ে অবশেষে কবিতা, শিল্প কিংবা দর্শনের হাত মুঠো করে ধরে নিষ্ক্রান্ত হয়। আবার কেউ কবিতা, শিল্প বা দর্শনের হাত পাকড়ে ঢোকে এবং বার হয় নারীর আঁচল আঁকড়ে। প্যারিস নারীর মতন টানে, প্যারিসের নারীরা নিয়তির মতন টানে। আর সেই টানে। আর সেই টানে অভিমন্যুর মতো চক্রব্যূহে প্রবিষ্ট লেখক আর নিষ্ক্রান্ত হতে পারেন না কুহকিনী এ শহরের মায়াজাল থেকে। প্যারিস তাই তাঁর কাছে সতেরোশো উননব্বই-এর লঁসিয়ঁ রেজি্ম, য়ুগো, কিংবা মালার্মের লিতেরাচুর, দেরিদার অবিনির্মাণ, পাস্কালের হৃদয়ের যুক্তি, গোদার-কে বোঝার বৃথা চেষ্টা, ক্রফোর ফ্রিজ শট, পোলানস্কির, জীবনসিনেমা, ব্রিজিং বার্ডোর লাস্য, কামুর ফুটবল, পারফিউমের সুগন্ধ, কনিয়াকের ঘ্রাণ আর রাতের আলো-আধারিতে উদ্দাম স্ট্রিপটিজ্। কাল থেকে শুরু হয়ে আজ ছুঁয়ে প্যারিস প্রবহমান আগামী কালে। চিরযৌবনা এ নগরীর শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মননের মায়াবী রূপকথা প্যারিসপ্রেমিক লেখকের কলমে।
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
এই পঁচিশটি কিশোর গল্পে ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় জয় করে নিয়েছেন ছোটো-বড়ো সকলের মন। বিচিত্র বিষয়ক গল্পগুলির প্রায় প্রত্যেকটিই মনুষ্যত্ববোধের উদ্বোধনে সমুজ্জ্বল। নানান মাত্রায় বাঁধা এই গল্পসংকলন পড়লে কখনো চোখ উঠবে বাষ্পাকুল হয়ে, আবার কখনো মন ভরে উঠবে দুরন্ত কৈশোরের অমলিন আনন্দে।
সৌম্য ভট্টাচার্য
দাদুর বাড়ির বাগানে পুকুর থেকে উঠে আসা একটা বুড়ো বটগাছ। জলের নীচে তার হাঁ-করা ফোকর গলে দুই বোন ডোরা আর ডোনা_তাদের দুই বন্ধু মিতুল ও নীলুর সঙ্গে_আচমকাই পৌঁছে যায় চির কুয়াশার এক দেশে। সর্বনেশে সে-দেশে অত্যাচারী মকররাজ খোক্কোসদের বিষাক্ত রাজ্যপাট কায়েম করে রেখেছে সেনাপতি কালাপাহাড়ের নির্মম অত্যাচার আর ন্যায়াধীশ শেয়ালপণ্ডিতের ধূর্ত কারসাজিতে। যক্ষপুরীতে গোপন কক্ষে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ তারাই বন্দি করে রাখে বাংলা মাকে।বাচ্চাদের ওপরেই পড়ে আবহমান বঙ্গের স্তন্যদায়িনী সেই মায়ের ভাঙা বুক জোড়া লাগানোর ভার। বাথুয়া_এক সুবিশাল রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার_সহায় হয় তাদের। সঙ্গী হয় লক্ষ্মীপ্যাঁচা সুষমা, সনাতন ভোঁদড়, কুমির-গিন্নি, ছুচোঁ, ইঁদুর, এমনকী বনের আর সব পশুপাখিও। কিন্তু ছোটো ছোটো এই চারটি ছেলে-মেয়ে কি পারবে মকররাজের পরাক্রান্ত সাম্রাজ্যের ভিত টলিয়ে দিতে? রবীন্দ্রনাথের রাখিসংগীতেই কি আছে সেই জাদুশক্তি যা চির কুয়াশাময়, হতাশ সে-দেশে নিয়ে আসবে আশার নতুন আলো? বাংলার চিরকালীন রূপকথা আর শিশুসাহিত্যের নির্যাস নিয়ে লেখা এক আশ্চর্য উপন্যাস, যা একইসঙ্গে ফ্যান্টাসি, স্যাটায়ার, আবার ব্যাপ্ত ক্যানভাসে আঁকা দুর্ধর্ষ, রুদ্ধশ্বাস অ্যাডভেঞ্চারও।
Reviews
There are no reviews yet.