পেশায় আইনজীবী, নেশায় গোয়েন্দা কুন্তলা রুদ্র অপরাধীকে ধরতে ডুব দেন মনস্তত্ত্বের গহিনে, সাহায্য নেন আধুনিকতম ফরেনসিক বিজ্ঞানের।
কিস্তিমাত-এ পাঠক সাক্ষী হবেন কুন্তলার কাছে আসা এমন চারটি জটিল কেস-এর, যেখানে অপরাধের সূত্র লুকিয়ে আছে স্মৃতি, বিস্মৃতি অথবা অধুনালুপ্ত কোনও নথিতে। কখনও সাইবার ফরেনসিকস, কখনও প্লান্ট ফরেনসিকস, আবার কখনও মনোবিজ্ঞানকে মগজাস্ত্র বানিয়ে এমন অভিনব রহস্যভেদ এই সময়ের শিহরন-সাহিত্যে বিরল।
মানবমন আর অপরাধতত্ত্বের জটিল গোলকধাঁধায় নারী গোয়েন্দা কুন্তলা রুদ্রের স্বচ্ছন্দ মেধাবী বিচরণ প্রথম আবির্ভাবেই তাঁকে অপ্রতিরোধ্য করে তুলেছে।
চিনের আন্তর্জাতিক কবিতা উৎসবে ভারতের প্রতিনিধি কবি এই উপন্যাসের নায়ক নয়, সূত্রধরমাত্র। তবু সেই সূত্রেই সে হয়ে ওঠে এক আশ্চর্য আখ্যানের অংশ। আবিষ্কার করে সাসপেন্সের সুতো নয়, জীবন এবং উপন্যাস দুটোকেই এগিয়ে নিয়ে চলে বিনিসুতোর ভালোবাসা। এই উপন্যাসে চিন কোনো টুরিস্ট স্পট নয়। কম্পাস যেরকম একটা বিন্দুর ওপর পা রেখে এঁকে ফেলে বড়ো একটা বৃত্ত, চিন এখানে সেরকমই এক বিন্দু। সেই বিন্দুতে সারা পৃথিবীর কাহিনিসিন্ধু এসে মিশেছে। ঢেউয়ের পরে ঢেউ ভেঙে ওরাই গড়ে তুলেছে তারাবন্দর।
একটি বৃদ্ধাশ্রম। তিনটি খুন। প্রতিটি লাশের কপালে খোদাই করা একটি ইংরেজি অক্ষর-
S
রহস্য উন্মোচনে ব্রতী মনোবিদ কমলেশ রায়। কৌশিক দাশের এই ডার্ক সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারে একইসঙ্গে বহমান তিন অন্ধকারের চোরাস্রোত-একটি নিষ্ঠুর রোগ, প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা এক সামাজিক হিংস্রতা, এবং ভাবনারও অতীত ভয়াবহ, দানবীয় এক নির্যাতন। আলোময় এ দুনিয়াকে পঙ্কিল নরকে পরিণত করতে ছদ্মবেশী যে রাক্ষসেরা বদ্ধপরিকর, এ উপন্যাস নির্ভীকভাবে তাদেরই মুখোশ খুলে দেয়।
Reviews
There are no reviews yet.