SaleNew

200.00

ঠাকুরবাড়ির রূপকথা || THAKURBARIR RUPKATHA

সুনির্মল চক্রবর্তী প্রণীত ঠাকুরবাড়ির রূপকথা নিছক কোনো ভূস্বামী বংশের পারিবারিক গল্পকথা নয়, বরং তা বাংলা তথা ভারতের সংস্কৃতির ইতিহাসে এমন এক নবজাগরণের গল্প, আজকের পাঠকের কাছে যার আবেদন রূপকথারই মতো

Share

Meet The Author

"ডিঙিনৌকো-র সম্পাদক সুনির্মল চক্রবর্তীর জন্ম ২ অক্টোবর, ১৯৫৩। পিতা শাস্তিরঞ্জন চক্রবর্তী, মাতা গীতারানি চক্রবর্তী। শৈশব ও কৈশোরের সোনালি দিনগুলি কেটেছে শিলিগুড়ির ক্ষুদিরাম পল্লি, কলকাতার সন্তোষপুর, যাদবপুরে। ছাত্রাবস্থায় প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় বিদ্যালয়ের বিষাণ পত্রিকায়। গল্প প্রকাশিত হয় ছোটোদের পত্রিকা শিশুমেলা-য়। শিক্ষা কলকাতায়। বি.কম. (অনার্স), এম.কম., এল.এল.বি., ডি.বি.এম., চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট। কর্মসূত্রে দীর্ঘদিন ছিলেন বিহার, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশে। কাজ করেছেন কোল ইন্ডিয়া। লিমিটেডের সেন্ট্রাল কোলফিল্ড এবং নর্দার্ন কোলফিল্ম লিমিটেডে। প্রধানত, ছোটোদের জন্য ছড়া, কবিতা, গল্প, রূপকথা, উপকথা ও অনুবাদে তাঁর অনায়াস বিচরণ। লিখেছেন বড়োদের জন্য অনেকানেক কাব্যগ্রন্থ। ছোটোদের জন্য লেখা তাঁর বইয়ের সংখ্যা একশো ছাড়িয়েছে। তাঁর লেখা উল্লেখযোগ্য বইগুলি হল: খাতার পাতায়, গড়গড়িয়ে তরতরিয়ে, কদমচাপা হলুদ পাখি, মেয়েটির নাম চন্দনা, উরশিমা, তানাব্যতা, পাখির বন্ধু ইঁদুর, বেড়ালের বন্ধু, নব কথামালা, স্বপ্নবিলাস্ট পাখি, বটকেষ্টবাবুর ছাতা, নতুন গ্রহে যতীনবাবু, এস্কিমোদের রূপকথা, ছিল একটা এবং পদ্যে সহজ পাঠ। তাঁর লেখা ছোটোদের বই অনূদিত হয়েছে হিন্দি ও ইংরেজি ভাষায়। কুসুমপুরের শালিক বইটির জন্য পেয়েছেন শিশুসাহিত্যের জাতীয় পুরস্কার। পারুল প্রকাশনী প্রকাশিত বটকেষ্টবাবুর ছাতা বইটির জন্য ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রক-এর অধীন সাহিত্য অকাদেমি, নয়া দিল্লি প্রদত্ত বাল সাহিত্য অকাদেমি ২০২১ পুরস্কারে ভূষিত।"

জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি মানে কি শুধুই রবীন্দ্রনাথ? না কি এ বাড়ির আনাচেকানাচে লুকিয়ে আছে রূপকথাসদৃশ আরও অনেক গল্প? প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ঠাকুরবাড়ি রেনেসাঁসের আলো ছড়িয়ে দিয়েছে শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সমগ্র বিশ্ব জুড়ে।

সুনির্মল চক্রবর্তী প্রণীত ঠাকুরবাড়ির রূপকথা তাই নিছক কোনো ভূস্বামী বংশের পারিবারিক গল্পকথা নয়, বরং তা আমাদের সংস্কৃতির ইতিহাসে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বহমান এমন এক নবজাগরণের গল্প, আজকের পাঠকের কাছে যার আবেদন রূপকথারই মতো।

এ যেন ভারতের ভাগ্যাকাশে উদিত এক নতুন সূর্যের আলো, যে আলোকবৃত্তে একদিকে যেমন স্বমহিমায় বিরাজমান দ্বারকানাথ, দেবেন্দ্রনাথ, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ও রবীন্দ্রনাথ, অন্যদিকে তেমনই দেদীপ্যমান স্বর্ণকুমারী দেবী, জ্ঞানদানন্দিনী দেবী, সরলা দেবী, গগনেন্দ্রনাথ, অবনীন্দ্রনাথ, রথীন্দ্রনাথ-সহ পরিবারের অগণিত কৃতী নারী-পুরুষ।

সুনির্মল চক্রবর্তী তাঁর এই বই শুরু করেছেন জোড়াসাঁকো ও নবনির্মিত ঠাকুরবাড়ির পরিচয় দিয়ে, তারপর ফিরে গেছেন পঞ্চানন কুশারীর হাত ধরে পরিবারের সূচনাপর্বে।

এরপর একে একে এসেছে দ্বারকানাথের শিল্পোদ্যোগ, বিশ্বব্যাপী তাঁর খ্যাতি ও প্রভাব, দেবেন্দ্রনাথের আধ্যাত্মিকতা ও ব্রাহ্মসমাজের উন্নতিকল্পে তাঁর অবদান, জ্যোতিরিন্দ্রনাথের নাট্য ও সংগীতচর্চা, রবীন্দ্রনাথের শৈশব, শিক্ষা ও সৃষ্টির বিস্ময়কর জগৎ, গগনেন্দ্রনাথ ও অবনীন্দ্রনাথের শিল্পসাধনা এবং রথীন্দ্রনাথের বহুমুখী কর্মযজ্ঞ।

এই বইয়ের অন্যতম আকর্ষণ ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল। নাট্যশালা, সন্তান-সন্ততি, কৃতী মেয়েরা, বেশভূষা, চাকরবাকরদের মহল, রান্নাবান্না, গান আর গুরুমশাইয়ের পাঠশালা মিলিয়ে জীবন্ত হয়ে উঠেছে এক হারিয়ে যাওয়া সময়।

ঠাকুরবাড়ির রূপকথা তাই বাংলার নবজাগরণের ইতিহাসে গরিমাঋদ্ধ এক সময়ের ধারাবিবরণীই শুধু নয়, তা আমাদের কল্পনাপ্রতিভাকে উসকে দেওয়া এক অনন্য কালপর্বের পুনর্নির্মিত মুহূর্তকথাও বটে।

Reviews

There are no reviews yet.

Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.

Play sound