আঁধারবাতি
মানুষের সুখ – দুক্ষ- প্রেম আর চিরন্তন প্রকিতির পাশাপাশি গৌতমের গল্পে বারবার উঠে আসে I


₹125.00 ₹100.00
মানুষের সুখ – দুক্ষ- প্রেম আর চিরন্তন প্রকিতির পাশাপাশি গৌতমের গল্পে বারবার উঠে আসে I
No products were found matching your selection.
মানুষের সুখ – দুক্ষ- প্রেম আর চিরন্তন প্রকিতির পাশাপাশি গৌতমের গল্পে বারবার উঠে আসে I
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
রাজেশ বসু
উত্তরাধুনিক এক অন্ধকার পৃথিবীর প্রতিনিধি এ-কাহিনির নায়ক। কোমায় আচ্ছন্ন তার মা। নিঃসাড় মৃতবৎ তাঁর বেঁচে থাকা। অবশেষে মৃতবৎ তাঁর বেঁচে থাকা। অবশেষে মৃত্যু। আর তারপরই নায়কের বাড়ি ফেরা। টেলিফোন। ও-প্রান্তে বান্ধবী উজ্জ্বয়িনী যে শুনতে পায় শয়তানের কন্ঠস্বর। বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে পড়া। এবার গন্তব্য সুখলডিহি। এক আদিবাসী গ্রাম। সেখানে অপেক্ষমাণ আর এক পৃথিবী_ তার আদিম ঐশ্বর্য আর আধুনিক লালসা নিয়ে। জনদরদি চিকিৎসক, অসহায় আদিবাসী তরুণী, অত্যাচারী পুলিশ অফিসার, লম্পট ব্যবসায়ী, প্রতিবাদী নারী, রাষ্ট্রদ্রোহী তরুণ_বিচিত্র নানান চরিত্র এক মহাজগতের প্রেক্ষাপটে উপস্থিত সেখানে। কী হয় তারপর?
বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
চিনের আন্তর্জাতিক কবিতা উৎসবে ভারতের প্রতিনিধি কবি এই উপন্যাসের নায়ক নয়, সূত্রধরমাত্র। তবু সেই সূত্রেই সে হয়ে ওঠে এক আশ্চর্য আখ্যানের অংশ। আবিষ্কার করে সাসপেন্সের সুতো নয়, জীবন এবং উপন্যাস দুটোকেই এগিয়ে নিয়ে চলে বিনিসুতোর ভালোবাসা। এই উপন্যাসে চিন কোনো টুরিস্ট স্পট নয়। কম্পাস যেরকম একটা বিন্দুর ওপর পা রেখে এঁকে ফেলে বড়ো একটা বৃত্ত, চিন এখানে সেরকমই এক বিন্দু। সেই বিন্দুতে সারা পৃথিবীর কাহিনিসিন্ধু এসে মিশেছে। ঢেউয়ের পরে ঢেউ ভেঙে ওরাই গড়ে তুলেছে তারাবন্দর।
বাংলা উপন্যাস সম্প্রতি নাগরিক প্রেমের গতানুগতে হাঁফাইয়া মরিতেছে, এমন একটি শোক-প্রস্তাব শুনা যায়। সৌম্য ভট্টাচার্যের গৌড়গোধূলি (পারুল) তাহার বিপক্ষে দাঁড়াইতে পারে।… ইহা বলিতেই হইবে ইতিহাসাশ্রয়ী বিষয়ে এবং উপস্থাপনে বাংলা সাহিত্যের সাম্প্রতিকে এই উপন্যাস নূতন ধরনের।
খ্রিস্টীয় দ্বাদশ শতাব্দীর শেষপর্বে গৌড়বঙ্গে সেন সাম্রাজ্যের পতনকাল ইহার ইতিহাস-প্রেক্ষিত। কেন্দুবিশ্বের কদম্বখণ্ডীর ঘাটে যে ভাবে উপন্যাসের ঘটনা-উন্মোচন করিয়াছেন ঔপন্যাসিক তাহা সহসা বঙ্কিমচন্দ্রকে মনে পড়াইয়া দেয়। প্লটনির্মাণ এবং দৃশ্যকল্পনায়ও লেখকের শক্তি প্রশংসনীয়।
বইপোকা, আনন্দবাজার পত্রিকা
সংকলন ও ভূমিকা শৈলেন ঘোষ
উপেন্দ্রকিশোর রায়চেৌধুরী (১২মে ১৮৬৩_২৩ ডিসেম্বর ১৯১৫) : শিশুসাহিত্যিক, সম্পাদক, চিত্রকর, শিল্পী, সংগীতজ্ঞ, তথা মুদ্রণশিল্প বিশারদ উপেন্দ্রকিশোরের জন্ম অবিভক্ত বঙ্গের মসুয়া গ্রামের সুবিখ্যাত রায় (পূর্বতন ‘দেনা’ বা ‘দেও’) পরিবারে। পিতা কালীনাথ (শ্যামসুন্দর মুনশি) মাতা জয়তারা। কালীনাথ ও জন্মতারার পাঁচ পুত্র, তিন কন্যার মধ্যে উপেন্দ্রকিশোর ছিলেন মধ্যম। পিতৃদত্ত নাম কামদারঞ্জন। কামদা যখন চার বছেরর শিশু, কালীনাথের জ্ঞাতিভাই জমিদার হরিকিশোর রায়চৌধুরী তাকে দত্তক নেন। নামকরণ করেন উপেন্দ্রকিশোর। মায়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উপেন্দ্রকিশোর কলকাতায় এসে প্রেসিডেন্সি কলেজে ভরতি হন। কিন্তু বিএ পাস করেন ক্যালকাটা মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউট থেকে ১৮৮৪ সালে। পরের বছরই তাঁর বিবাহ হয় ব্রাহ্মনেতা দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের জ্যেষ্ঠা কন্যা বিধুমুখী দেবীর সঙ্গে। সুখলতা, সুকুমার, পুণ্যলতা, সুবিনয় ও শান্তিলতা_তিন কন্যা, দুই পুত্রকে নিয়ে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে এক সুখের সংসার। মুখ্যত শিশুসাহিত্যকে কেন্দ্র করেই উপেন্দ্রকিশোরের সাহিত্যপ্রতিভার স্ফুরণ ও বিকাশ। কলেজে পড়তে পড়তেই ১৮৮৩ সালে শিশুদের পত্রিকা সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল প্রথম রচনা। পরবর্তীকালে তিনি লিখেছিলেন সখা ও সাথী, মুকুল প্রভৃতি পত্রিকাতেও। ১৮৮৫-এ প্রকাশিত হল তাঁর লেখা ছোটোদের রামায়ণ । ওই একই বছের তাঁর নিজস্ব মুদ্রণ সংস্থা U. Ray & Sons.-এর প্রতিষ্ঠা। এরপর একে একে বেরোল ছোটোদের মহাভারত, সেকালের কথা, টুনটুনির বই । ১৯১৩-য় নিজের সম্পাদনায় উপেন্দ্রকিশোর প্রকাশ করলেন ছোটোদের জন্য সচিত্র মাসিক পত্রিকা সন্দেশ, নিঃসন্দেহে যা তাঁর স্মরণীয়তম কীর্তি। এর দু-বছর আট মাস বাদে যখন তাঁর জীবনাবসান ঘটে, ততদিনে এ পত্রিকার ৩২টি সংখ্যা তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত। ২২নং সুকিয়া স্ট্রিটের বাড়ি থেকে গোড়ার দিকে সন্দেশ প্রকাশিত হয়। মুদ্রক ও প্রকাশক ছিলেন ললিতমোহন গুপ্ত। পত্রিকাটি মুদ্রিত হত ৬৪/১ নং সুকিয়া স্ট্রিটে অবস্থিত লক্ষ্মী প্রিন্টিং ওয়ার্কস থেকে। ছড়া, রূপকথা, লোককথা, ইতিহাস, পুরাণ, আবিষ্কারের গল্প কিংবা নিখাদ কল্পকাহিনি_ শিশুসাহিত্যের এমন কোনো শাখার কথাই ভাবা যায় না, যা উপেন্দ্রকিশোর লেখনীর জাদুস্পর্শে নবপ্রাণে সঞ্জীবিত হয়নি। ছোটোদের রামায়ণ থেকে শুরু করে তাঁর লেখা সব গ্রন্থগুলির বাংলা শিশুসাহিত্যের চিরায়ত সম্পদ। তেমনই তাঁর গুপি গাইন বাঘা বাইন, বোকা জোলা, ঘ্যাঁঘাসু প্রমুখ চরিত্র তাদের জন্মলগ্ন থেকে শুরু করে আজ অবধি অবিস্মরণীয়।
অন্নদাশঙ্কর রায়
অন্নদাশঙ্কর রায়ের তিনটি উপন্যাস আগুন নিয়ে খেলা, পুতুল নিয়ে খেলা এবং কন্যা-র সংকলন এই গ্রন্থ। যেখানে তৃতীয় গ্রন্থের চার পুরুষ চরিত্রের অন্বিষ্ট ‘Eternal Feminine’, প্রথম দুই উপন্যাসের কাসানোভা নায়ক কল্যাণ সোমের অন্বেষণ এমন এক নারীর জন্য যে তার ‘চরিত্রহীন’, ‘ব্যভিচারী’ অতীত সম্পর্কে সম্যকভাবে অবহিত ও অবগত হয়েও তার স্ত্রী হতে রাজি হবে।
বর্ণনাকৌশলের অভিনবত্বে, কৌতূহলোদ্দীপক চরিত্র ও প্লটনির্মাণের দক্ষতায়, আখ্যানের গভীরে অন্তঃসলিলা নদীর মতো দর্শনের প্রবহমানতায় ব্যতিক্রমী এই তিনটি আধুনিক উপন্যাস বাংলা কথাসাহিত্যের চিরন্তন সম্পদ।
Reviews
There are no reviews yet.