নির্বাচিত রচনা-সম্ভার
ড. নির্মল দাশ
‘বহুব্রীহি’ শব্দের অর্থ যার বা যাতে বহু ব্রীহি (= ধান > ফসল) আছে। এই রচনা-সম্ভারে লেখকের কিছু চিন্তার ফসল সঞ্চিত আছে। তাই গ্রন্থনাম ‘বহুব্রীহি’।


₹200.00 ₹170.00
নির্বাচিত রচনা-সম্ভার
ড. নির্মল দাশ
‘বহুব্রীহি’ শব্দের অর্থ যার বা যাতে বহু ব্রীহি (= ধান > ফসল) আছে। এই রচনা-সম্ভারে লেখকের কিছু চিন্তার ফসল সঞ্চিত আছে। তাই গ্রন্থনাম ‘বহুব্রীহি’।
নির্বাচিত রচনা-সম্ভার
ড. নির্মল দাশ
‘বহুব্রীহি’ শব্দের অর্থ যার বা যাতে বহু ব্রীহি (= ধান > ফসল) আছে। এই রচনা-সম্ভারে লেখকের কিছু চিন্তার ফসল সঞ্চিত আছে। তাই গ্রন্থনাম ‘বহুব্রীহি’।
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
বাংলা উপন্যাস সম্প্রতি নাগরিক প্রেমের গতানুগতে হাঁফাইয়া মরিতেছে, এমন একটি শোক-প্রস্তাব শুনা যায়। সৌম্য ভট্টাচার্যের গৌড়গোধূলি (পারুল) তাহার বিপক্ষে দাঁড়াইতে পারে।… ইহা বলিতেই হইবে ইতিহাসাশ্রয়ী বিষয়ে এবং উপস্থাপনে বাংলা সাহিত্যের সাম্প্রতিকে এই উপন্যাস নূতন ধরনের।
খ্রিস্টীয় দ্বাদশ শতাব্দীর শেষপর্বে গৌড়বঙ্গে সেন সাম্রাজ্যের পতনকাল ইহার ইতিহাস-প্রেক্ষিত। কেন্দুবিশ্বের কদম্বখণ্ডীর ঘাটে যে ভাবে উপন্যাসের ঘটনা-উন্মোচন করিয়াছেন ঔপন্যাসিক তাহা সহসা বঙ্কিমচন্দ্রকে মনে পড়াইয়া দেয়। প্লটনির্মাণ এবং দৃশ্যকল্পনায়ও লেখকের শক্তি প্রশংসনীয়।
বইপোকা, আনন্দবাজার পত্রিকা
সংকলন ও ভূমিকা শৈলেন ঘোষ
উপেন্দ্রকিশোর রায়চেৌধুরী (১২মে ১৮৬৩_২৩ ডিসেম্বর ১৯১৫) : শিশুসাহিত্যিক, সম্পাদক, চিত্রকর, শিল্পী, সংগীতজ্ঞ, তথা মুদ্রণশিল্প বিশারদ উপেন্দ্রকিশোরের জন্ম অবিভক্ত বঙ্গের মসুয়া গ্রামের সুবিখ্যাত রায় (পূর্বতন ‘দেনা’ বা ‘দেও’) পরিবারে। পিতা কালীনাথ (শ্যামসুন্দর মুনশি) মাতা জয়তারা। কালীনাথ ও জন্মতারার পাঁচ পুত্র, তিন কন্যার মধ্যে উপেন্দ্রকিশোর ছিলেন মধ্যম। পিতৃদত্ত নাম কামদারঞ্জন। কামদা যখন চার বছেরর শিশু, কালীনাথের জ্ঞাতিভাই জমিদার হরিকিশোর রায়চৌধুরী তাকে দত্তক নেন। নামকরণ করেন উপেন্দ্রকিশোর। মায়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উপেন্দ্রকিশোর কলকাতায় এসে প্রেসিডেন্সি কলেজে ভরতি হন। কিন্তু বিএ পাস করেন ক্যালকাটা মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউট থেকে ১৮৮৪ সালে। পরের বছরই তাঁর বিবাহ হয় ব্রাহ্মনেতা দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের জ্যেষ্ঠা কন্যা বিধুমুখী দেবীর সঙ্গে। সুখলতা, সুকুমার, পুণ্যলতা, সুবিনয় ও শান্তিলতা_তিন কন্যা, দুই পুত্রকে নিয়ে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে এক সুখের সংসার। মুখ্যত শিশুসাহিত্যকে কেন্দ্র করেই উপেন্দ্রকিশোরের সাহিত্যপ্রতিভার স্ফুরণ ও বিকাশ। কলেজে পড়তে পড়তেই ১৮৮৩ সালে শিশুদের পত্রিকা সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল প্রথম রচনা। পরবর্তীকালে তিনি লিখেছিলেন সখা ও সাথী, মুকুল প্রভৃতি পত্রিকাতেও। ১৮৮৫-এ প্রকাশিত হল তাঁর লেখা ছোটোদের রামায়ণ । ওই একই বছের তাঁর নিজস্ব মুদ্রণ সংস্থা U. Ray & Sons.-এর প্রতিষ্ঠা। এরপর একে একে বেরোল ছোটোদের মহাভারত, সেকালের কথা, টুনটুনির বই । ১৯১৩-য় নিজের সম্পাদনায় উপেন্দ্রকিশোর প্রকাশ করলেন ছোটোদের জন্য সচিত্র মাসিক পত্রিকা সন্দেশ, নিঃসন্দেহে যা তাঁর স্মরণীয়তম কীর্তি। এর দু-বছর আট মাস বাদে যখন তাঁর জীবনাবসান ঘটে, ততদিনে এ পত্রিকার ৩২টি সংখ্যা তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত। ২২নং সুকিয়া স্ট্রিটের বাড়ি থেকে গোড়ার দিকে সন্দেশ প্রকাশিত হয়। মুদ্রক ও প্রকাশক ছিলেন ললিতমোহন গুপ্ত। পত্রিকাটি মুদ্রিত হত ৬৪/১ নং সুকিয়া স্ট্রিটে অবস্থিত লক্ষ্মী প্রিন্টিং ওয়ার্কস থেকে। ছড়া, রূপকথা, লোককথা, ইতিহাস, পুরাণ, আবিষ্কারের গল্প কিংবা নিখাদ কল্পকাহিনি_ শিশুসাহিত্যের এমন কোনো শাখার কথাই ভাবা যায় না, যা উপেন্দ্রকিশোর লেখনীর জাদুস্পর্শে নবপ্রাণে সঞ্জীবিত হয়নি। ছোটোদের রামায়ণ থেকে শুরু করে তাঁর লেখা সব গ্রন্থগুলির বাংলা শিশুসাহিত্যের চিরায়ত সম্পদ। তেমনই তাঁর গুপি গাইন বাঘা বাইন, বোকা জোলা, ঘ্যাঁঘাসু প্রমুখ চরিত্র তাদের জন্মলগ্ন থেকে শুরু করে আজ অবধি অবিস্মরণীয়।
শৈলেন ঘোষ
কল্পনার জাদুকলমে ছুঁয়ে যাওয়া শৈশব-কৈশোর। অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে যিনি ব্রতী থেকেছেন এ-নির্মাণে, তিনি শৈলেন ঘোষ। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পর শৈলেন ঘোষই সবচেয়ে সার্থকভাবে ছোটোদের জন্য সৃষ্টি করেছেন শব্দ-ছবির ভিন্ন এক জগৎ। রূপকথা, লোককথার প্রচলিত আঙ্গিকে নয়। নিজস্ব ঢঙে ছোটোদের তিনি শুনিয়েছেন তাঁর কাহিনি। স্বপ্নের কল্পনালোকেই শুধু তাঁর বিচরণ নয়, প্রায়শই তিনি নেমে এসেছেন মাটির পৃথিবীতে। সচেতনভাবেই তাঁর গল্প ছোটোদের মনে জাগাতে চায় শুভবোধ। কিন্তু কখনোই তা আরোপিত বলে মনে হয় না। ভাষার জাদুতে সঙ্গী করে নেন খুদে পাঠককে। লেখকের শ্রেষ্ঠ দশটি উপন্যাস-এ রইল আমার নাম টায়রা, হুপ্পোকে নিয়ে গপ্পো, মিতুল নামে পুতুলটি, খুদে যাযাবর ইসতাসি, বন-সবুজের দ্বীপে, পিরামিডের দেশে, মা এক নির্ভীক সৈনিক, নাচ রে ঘোড়া নাচ, ভালোবাসার ছোট্ট হরিণ এবং আয় বৃষ্টি রিমঝিম।
এই নতুন দুনিয়ার কিছু অর্বাচীনের ধারণা ইন্টারনেটে সব মেলে । অবশ্যই মেলে কিন্তু হৃ্দয়ের খবর মেলে না। হৃ্দয়ের গভীর থেকে সেই সব হাসি কান্না হীরা পান্নার খবর লেখক তুলে আনলেন ।
জল ও স্থলের সন্ধিরেখায় দামাল দুর্যোগে দাপিয়ে বেড়ায় যে সমুদ্রদানব, তারই নাম সুনামি। সুনামির সৃষ্টি, বৈশিষ্ট্য এবং তার ধ্বংসলীলা_ বোধের সীমানায় নিয়ে আসা জরুরি হয়ে পড়েছে এ মুহূর্তে। কিন্তু কেন? বিবিধ কারণের মধ্যে বিপর্যয় মোকাবিলা (Disaster Management)-র বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বাংলায় এই প্রথম বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আলোচিত হল সুনামি।
অধ্যাপক মনকুমার চক্রবর্তী
এই বইয়ের প্রথম দিকেই আছে গ্রিক গণিতের দুই দিকপাল পিথাগোরাস ও ইউক্লিডের কথা। আছে বিভিন্ন ধরনের সংখ্যার, বিশেষ করে জটিল সংখ্যার কাহিনি। গণিতে ‘শূন্য’-এর ‘কিছু না’ থেকে সংখ্যা হয়ে ওঠার কাহিনি। আছে গণিতে ‘অসীম’-এর ভূমিকা এবং ‘অসীম’ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা। সবশেষে আশা করা যায় ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে গণিতপ্রেম জাগিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এই বই গণিত শিক্ষকদের যথেষ্ট সাহায্য করবে।
Reviews
There are no reviews yet.