সুভাষচন্দ্র বসু বিবাহিত না কি চিরকুমার?
এই একটি প্রশ্নের সত্যনিষ্ঠ উত্তরই বদলে দিতে পারে স্বাধীনতা-পূর্ব তথা স্বাধীনতা-পরবর্তী ভারতবর্ষের গৃহীত ইতিহাস।
গ্রন্থকারের মতে, আন্তর্জাতিক এক ঘৃণ্য চক্রান্তের ফলশ্রুতিতেই নেতাজিকে ‘বিবাহিত’ প্রমাণ করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছিল দেশবিদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও স্বার্থগোষ্ঠী। দেশমাতৃকার চরণে উৎসর্গীকৃত নেতাজির অপাপবিদ্ধ চরিত্রকে কালিমালিপ্ত করে নিজেদের আখের গুছিয়ে নেওয়াই উদ্দেশ্য ছিল এই অশুভ চক্রের সদস্যদের।
কে ছিল না এই চক্রে? দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ আমলা, বিদেশি রাষ্ট্রের কর্ণধার, গুপ্তচর সংস্থা, এমনকী নেতাজির রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়রাও!
কিন্তু কেন এই চক্রান্ত? কে না জানে ‘ক্ষমতা হস্তান্তর’কালে নেতাজি উপস্থিত থাকলে ভারত ভেঙে ভাগ হত না। আর বিভাজিত ভারতও ফের জোড়া লেগে অখণ্ড হয়ে যেতে পারত, যদি নেতাজি ‘গুমনামি’ না হয়ে দেশে ফিরতেন স্ব-মহিমায়। তাই তাঁর দেবদুর্লভ চরিত্রে অনপনেয় কলঙ্কলেপনের ক্ষমাহীন প্রয়াসে নিরলস প্রজন্মের পর প্রজন্ম-শয়তানের উপাসকেরা।
মুখার্জি কমিশনের অন্যতম সদস্য, প্রখ্যাত শল্য চিকিৎসক ডা. মধুসূদন পাল বিপুল গবেষণালব্ধ প্রামাণ্য তথ্য ও নথি দিয়ে নেতাজির বিবাহ সংক্রান্ত সমস্ত দাবিকে নস্যাৎ করেছেন। উন্মোচিত করেছেন এই আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত সকল কুশীলবদের মুখোশ। ফাঁস করেছেন বিগত শতাব্দীর সবচেয়ে বড়ো ‘কভার আপ’।
আজ যখন নেতাজিকে নিয়ে বাজারে রীতিমতো বেচা হচ্ছে বিবিধ কল্পকাহিনি, নেতাজি সত্যের ঠেকা নেওয়া ‘বেস্টসেলার’ ছদ্মগবেষকেরাও মান্যতা দিচ্ছেন সুভাষচন্দ্র বসুর তথাকথিত ‘স্ত্রী’ ও ‘কন্যা’ কে, যখন ডিএনএ টেস্টকেও ‘প্রভাবিত’ করার নেপথ্য যাবতীয় প্রস্তুতি সারা, তখন এই বইটিই হয়ে উঠতে পারে প্রতিরোধের অন্যতম আয়ুধ, ভারতভাগ্যবিধাতার নির্বিকল্প ইশারা।
পঞ্চাশটি প্রেমের গল্প - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় / 50 TEE PREMER GALPO - SHIRSHENDU MUKHOPADHYAY
মুহূর্তকথা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় / MUHURTAKATHA - SHIRSENDU MUKHOPADHYAY
ভাষা-ভাবনা || বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - চতুর্থ ভাগ || VASHA VABNA || BANGLA BYAKARAN O NIRMITI - CLASS 4 
Reviews
There are no reviews yet.