সম্পাদনা: জীবানন্দ চট্টোপাধ্যায়
হুতোম পেঁচার নকশা-র প্রকৃত লেখক কে? শতবর্ষ পূর্বে এ নিয়ে প্রথম প্রশ্ন উঠেছিল। শতবর্ষ পেরিয়ে হুতোমের প্রকৃত পরিচয়ের সন্ধানে আজও অনুসন্ধিৎসু বিবিদিষু পাঠক।এ গ্রন্থে সেই অনুসন্ধানে ব্রতী এক জিজ্ঞাসু পথিক।
|
✨দুর্গাপূজা উপলক্ষে 📦16th October থেকে 27th October পর্যন্ত ডেলিভারি বন্ধ থাকবে। 🛒 তবে অনলাইনে অর্ডার করা যাবে। 🚚ডেলিভারি পুনরায় শুরু হবে 28th October 2026 থেকে। |


₹150.00 ₹135.00
সম্পাদনা: জীবানন্দ চট্টোপাধ্যায়
হুতোম পেঁচার নকশা-র প্রকৃত লেখক কে? শতবর্ষ পূর্বে এ নিয়ে প্রথম প্রশ্ন উঠেছিল। শতবর্ষ পেরিয়ে হুতোমের প্রকৃত পরিচয়ের সন্ধানে আজও অনুসন্ধিৎসু বিবিদিষু পাঠক।এ গ্রন্থে সেই অনুসন্ধানে ব্রতী এক জিজ্ঞাসু পথিক।
সম্পাদনা: জীবানন্দ চট্টোপাধ্যায়
হুতোম পেঁচার নকশা-র প্রকৃত লেখক কে? শতবর্ষ পূর্বে এ নিয়ে প্রথম প্রশ্ন উঠেছিল। শতবর্ষ পেরিয়ে হুতোমের প্রকৃত পরিচয়ের সন্ধানে আজও অনুসন্ধিৎসু বিবিদিষু পাঠক।এ গ্রন্থে সেই অনুসন্ধানে ব্রতী এক জিজ্ঞাসু পথিক।
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
এই পঁচিশটি কিশোর গল্পে ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় জয় করে নিয়েছেন ছোটো-বড়ো সকলের মন। বিচিত্র বিষয়ক গল্পগুলির প্রায় প্রত্যেকটিই মনুষ্যত্ববোধের উদ্বোধনে সমুজ্জ্বল। নানান মাত্রায় বাঁধা এই গল্পসংকলন পড়লে কখনো চোখ উঠবে বাষ্পাকুল হয়ে, আবার কখনো মন ভরে উঠবে দুরন্ত কৈশোরের অমলিন আনন্দে।
সৌম্য ভট্টাচার্য
দাদুর বাড়ির বাগানে পুকুর থেকে উঠে আসা একটা বুড়ো বটগাছ। জলের নীচে তার হাঁ-করা ফোকর গলে দুই বোন ডোরা আর ডোনা_তাদের দুই বন্ধু মিতুল ও নীলুর সঙ্গে_আচমকাই পৌঁছে যায় চির কুয়াশার এক দেশে। সর্বনেশে সে-দেশে অত্যাচারী মকররাজ খোক্কোসদের বিষাক্ত রাজ্যপাট কায়েম করে রেখেছে সেনাপতি কালাপাহাড়ের নির্মম অত্যাচার আর ন্যায়াধীশ শেয়ালপণ্ডিতের ধূর্ত কারসাজিতে। যক্ষপুরীতে গোপন কক্ষে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ তারাই বন্দি করে রাখে বাংলা মাকে।বাচ্চাদের ওপরেই পড়ে আবহমান বঙ্গের স্তন্যদায়িনী সেই মায়ের ভাঙা বুক জোড়া লাগানোর ভার। বাথুয়া_এক সুবিশাল রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার_সহায় হয় তাদের। সঙ্গী হয় লক্ষ্মীপ্যাঁচা সুষমা, সনাতন ভোঁদড়, কুমির-গিন্নি, ছুচোঁ, ইঁদুর, এমনকী বনের আর সব পশুপাখিও। কিন্তু ছোটো ছোটো এই চারটি ছেলে-মেয়ে কি পারবে মকররাজের পরাক্রান্ত সাম্রাজ্যের ভিত টলিয়ে দিতে? রবীন্দ্রনাথের রাখিসংগীতেই কি আছে সেই জাদুশক্তি যা চির কুয়াশাময়, হতাশ সে-দেশে নিয়ে আসবে আশার নতুন আলো? বাংলার চিরকালীন রূপকথা আর শিশুসাহিত্যের নির্যাস নিয়ে লেখা এক আশ্চর্য উপন্যাস, যা একইসঙ্গে ফ্যান্টাসি, স্যাটায়ার, আবার ব্যাপ্ত ক্যানভাসে আঁকা দুর্ধর্ষ, রুদ্ধশ্বাস অ্যাডভেঞ্চারও।
শিশির মজুমদার
হাতিরা কি কখনো কলকাতায় এসেছিল? আর বাঘেরা? ওরেব্বাবা! যদি এসে থাকে, তাহলে সে-তো একেবারে হুলুস্থুল কাণ্ড! কেলেঙ্কারিও বলা যেতে পারে। আচ্ছা, তাহলে মানুষেরা তখন কী করছিল? তারা কি মজা দেখছিল? নাকি প্রাণ নিয়ে পালানোর জন্য দিয়েছিল চোঁ-চাঁ দৌড়? জানতে গেলে পড়তে হবে খুব ছোটোদের জন্য লেখা মন ভালো করে দেওয়া এই গল্পের বইটি।
হিরণ্ময় ভট্টাচার্য
এক বর্ষার রাতে চৌধুরি বাড়ি চুরি করতে গিয়ে গোবরের গর্তে পা হড়কে পড়ে গেল কানাপদ। ব্যর্থমনোরথ কানাই বৃষ্টি থেকে মাথা বাঁচাতে শেতলা মন্দিরের বারান্দায় উঠে আবিষ্কার করল ছিঁচকে চোর পাঁচু দেবতার বরে অদৃশ্য হওয়ার ক্ষমতা লাভ করেছে। নিদারুণ অভিমানে চুরিতে ইস্তফা দিল কানাই। সাম্বাদ্বীপে গিয়েছিল একটা লোক। সেখানে সোনার ঢেঁকি ও নাদা দেখেছিল সে। চিচিঙ্গের মতো লংকা ও সুপুরির মতো সাইজের নারকেল। আরও অনেক অজানা তথ্য জানিয়েছিল লোকটা পটাদাকে। গোপেন দারোগা ঘুমকাতুরে। তাঁর দাবি তাঁর সুশাসনের ফলেই ব্রিজপুকুর এলাকায় চুরি ছ্যাঁচড়ামি একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু হঠাৎ করেই আবার শুরু হল চৌর্যকর্ম। গোপেন দারোগার ঘুমের দফারফা। তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে তাঁরই বাল্যবন্ধু পুলিশে চাকরি না-পাওয়া উপেন। পটাদা নিজেকে গ্লোবট্রটার বলে দাবি করেন গল্পখোর রুবি, রণেন আর কিঙ্কিনীদের কাছে। মাসাইমারা জঙ্গল, তিব্বত, সাহারা মরুভূমি সবই নাকি তাঁর নখের আয়নায়। টাইম মেশিনে চেপে আসা ইডেনের অধিবাসীদেরও চাক্ষুষ করেছেন তিনি। তাঁরই কল্যাণে নাকি প্লুটোনিয়াম বোমার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে পৃথিবী। মালয়েশিয়ার রাবার ফ্যাক্টরির কুলিদের ভূতের উপদ্রব থেকে একবার রক্ষা করেছিলেন পটাদাই। শেষ ট্রেন থেকে নেমে অন্ধকার রাতে বাড়ি ফেরার সময় ভূতের কবলে পড়ল পিলেকান্ত। নিজেকে ‘ড্রাগন’ পরিচয় দিয়েও রক্ষা পেল না। হাতে ছিল সাইকেলের পাম্পার। বুদ্ধি খাটিয়ে সেটাকেই কাজে লাগাল সে। কীভাবে? পাঁচুর লাঙলের ফালে বেধে একদিন উঠে এল সন্দেহজনক একটা পিতলের কলসি। তারপর? এরকমই পঁচিশটি দমফাটা হাসির গল্পে বিচিত্র সব চরিত্রের দেখা মিলবে এই বইয়ে।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
শুধু বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্যিক রূপে নন, শিশুসাহিত্যিক হিসেবেও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কৃতিত্ব অসামান্য। তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি পথের পাঁচালী-কে হয়তো আমরা শিশুসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত করতে পারব না, কিন্তু অপু নামক চরিত্রটির শৈশব থেকে কৈশোরে উত্তীর্ণ হওয়ার মধ্য দিয়ে উন্মোচিত হয় চিরনবীনের যে মানসজগৎ, বাংলা তথা আন্তর্জাতিক সাহিত্যে তার তুলনা মেলে কি? পথের পাঁচালী এবং তার শিশুপাঠ্য সংস্করণ আম আঁটির ভেঁপু-কে সরিয়ে রেখে এই গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে লেখকের পাঁচটি উপন্যাস এবং দশটি ছোটোগল্প। প্রথম উপন্যাস চাঁদের পাহাড়-এ অজপাড়াগাঁয়ের ছেলে শংকর পূর্ব আফ্রিকায় পাড়ি দিয়ে জড়িয়ে পড়ে একের পর এক দুঃসাহসিক অ্যাডভেঞ্চারে। দ্বিতীয় উপন্যাস মরণের ডঙ্কা বাজে-তে দুই বন্ধু সুরেশ ও বিমলের জীবন বারে বারে বিপন্ন হয় দ্বিতীয় বিশ্বযু্দ্ধকালীন চিন-জাপান সংঘর্ষের সুত্র ধরে। তৃতীয় উপন্যাস মিসমিদের কবচ-এ শ্যামপুর গ্রামের গাঙ্গুলী মশায়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্তে নামে সুশীল। চতুর্থ উপন্যাস হীরামানিক জ্বলে-তে দুঃসাহসী যুবক সুশীল ও তার ভাই সনৎ গুপ্তধেনর সন্ধানে পশ্চিম দেশের এক নাবিক জামাতুল্লার সঙ্গে পৌঁছোয় সুলু সি-তে বনজঙ্গলময় এক দ্বীপে। পঞ্চম উপন্যাস সুন্দরবনে সাত বৎসর-এ বিভূতিভূষণ অ্যাডেভঞ্চারের গল্প বলার পাশাপাশি ফুটিয়ে তুলেছেন প্রকৃতির অনুপম রূপলাবণ্য।
Reviews
There are no reviews yet.