দ্রুতগতির চারটি রহস্য কাহিনি। সঙ্গে রুদ্ধশ্বাস একটি সাই-ফাই মিস্ট্রি। পাহাড়, সমুদ্র, অরণ্যের ভয়ংকর সুন্দর পটভূমিতে একদিকে পদে পদে মৃত্যুর হাতছানি, অন্যদিকে জীবনের পাকদণ্ডী বেয়ে হাতছানি দেয় মহত্তর কোনো সত্যের ইশারা।
দার্জিলিং-এর আগুন পাহাড়-এ ঋতম আর সুতীর্থ খোঁজ পায় এক রহস্যময় আদিম উপজাতির বাইরের পৃথিবী যাদের খবর না- রাখলেও চোরাকারবারিরা রাখে। দুই বন্ধু কি পারবে আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের পাণ্ডার কবল থেকে রুবিনাতকদের প্রাচীন অমূল্য সেই সম্পদকে উদ্ধার করে আনতে।
রহস্য যখন রক্তের- তখন উত্তরবঙ্গের সান্তালিখোলাতে ছুটি কাটাতে আসা ঋতম আর সুতীর্থ কি আর হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারে? একের পর এক মানুষের শরীর থেকে রক্ত শুষে নেওয়ার হাড়হিম করা ঘটনা এখানে ঘটেই চলেছে। তবে কি এ কোনো রক্তচোষা ভ্যাম্পায়ারের কাজ? না কি নেপথ্যে কাজ করছে কোনো বিকৃতমস্তিষ্ক জিনিয়াস?
নীলিমা আবাসনের আশ্চর্য চুরি-র খবর ঋতম-সুতীর্থ পেল অষ্টমীর মেলার আনন্দের মাঝেই। সামাজিক কেলেঙ্কারি আর পুলিশি জটিলতা এড়িয়ে ওরা কি পারবে মায়ের গহনা উদ্ধার করতে?
আজব জগৎ কি এই দুনিয়াতেই কোথাও আছে যেখানে জাঞ্জিবার লেপার্ড কিংবা ডাচ অ্যালকন ব্লু বাটারফ্লাইয়ের মতো পৃথিবীর থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া বহু বন্যপ্রাণ অলৌকিকভাবে বেঁচে আছে? একদিকে প্রকৃতিপ্রেমী বালক তাতান, অন্যদিকে ভুটান সীমান্ত-লাগোয়া উত্তরবঙ্গের আদিম, রহস্যময় জঙ্গলে হাতি মৃত্যুর সূত্র ধরে অভিযানে নামা বিজ্ঞানীরা এক আশ্চর্য জগতের খোঁজ কি আমাদের এতদিনের অর্জিত জ্ঞানের অহংকারকে ধুলোয় মিশিয়ে দেবে?
তাজপুরের তাজ রক্ষা পেত না, যদি না সমুদ্রসৈকতে ছবি তুলতে এসে ঋতম আর সুতীর্থ বালির মধ্যে আচমকা খুঁজে পেত রহস্যময় মূল্যবান একটি প্যাকেট। সমুদ্রোপকূলবর্তী সেই শান্ত বেলাভূমিতে কি তবে জাল বিছোচ্ছে আন্তর্জাতিক কোনো স্মাগলিং চক্র?
সব প্রশ্নের উত্তর একসঙ্গে পেতে গেলে পড়তে হবে হিমি মিত্র রায়ের কলমে রহস্য ঘনিয়ে আসে। পাঁচটি নভেলার অনন্য এই সংকলন কেবল রহস্য কিংবা কল্পবিজ্ঞান পড়ার আস্বাদই উপহার দেয় না, তা আমাদের দেয় অতিরিক্ত অনেক কিছু।
গাঁইয়ার আপনকথা || GAIYAR APANKATHA
বড়ো পাপ হে || BORO PAAP HEY - RUPAK SAHA
সূর্য মন্দিরের শেষ প্রহরী / SURYA MANDIRER SHESH PROHARI 
Reviews
There are no reviews yet.