বিমা-এজেন্ট থেকে বিমাবন্ধু / BIMA-AGENT THEKE BIMABANDHU
অধিকাংশ ইনশিয়োরেন্স এজেন্ট আজীবন এজেন্টই থেকে যান, তাঁরা আর মানুষের বিমাবন্ধু হয়ে উঠতে পারেন না। কীভাবে কোনো মানুষকে সঠিকভাবে উদ্দীপ্ত ও সচেতন করে তাঁর ‘ইনশিয়োর্ড’ হওয়া ‘এনশিয়োর’ করা যায়, কীভাবে আদর্শ বিমাবন্ধু হয়ে ওঠা যায়- সেই পথই ধাপে ধাপে দেখাবে প্রত্যেক লাইফ ইনশিয়োরেন্স এজেন্ট-এর অবশ্যপাঠ্য এই বই।
অধিকাংশ ইনশিয়োরেন্স এজেন্ট আজীবন এজেন্টই থেকে যান, তাঁরা আর মানুষের বিমাবন্ধু হয়ে উঠতে পারেন না। কীভাবে কোনো মানুষকে সঠিকভাবে উদ্দীপ্ত ও সচেতন করে তাঁর ‘ইনশিয়োর্ড’ হওয়া ‘এনশিয়োর’ করা যায়, কীভাবে আদর্শ বিমাবন্ধু হয়ে ওঠা যায়- সেই পথই ধাপে ধাপে দেখাবে প্রত্যেক লাইফ ইনশিয়োরেন্স এজেন্ট-এর অবশ্যপাঠ্য এই বই।
Weight
0.306 g
Dimensions
22.2 × 14.2 × 1.2 cm
Reviews
There are no reviews yet.
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.
একটি বৃদ্ধাশ্রম। তিনটি খুন। প্রতিটি লাশের কপালে খোদাই করা একটি ইংরেজি অক্ষর-
S
রহস্য উন্মোচনে ব্রতী মনোবিদ কমলেশ রায়। কৌশিক দাশের এই ডার্ক সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারে একইসঙ্গে বহমান তিন অন্ধকারের চোরাস্রোত-একটি নিষ্ঠুর রোগ, প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা এক সামাজিক হিংস্রতা, এবং ভাবনারও অতীত ভয়াবহ, দানবীয় এক নির্যাতন। আলোময় এ দুনিয়াকে পঙ্কিল নরকে পরিণত করতে ছদ্মবেশী যে রাক্ষসেরা বদ্ধপরিকর, এ উপন্যাস নির্ভীকভাবে তাদেরই মুখোশ খুলে দেয়।
জল ও স্থলের সন্ধিরেখায় দামাল দুর্যোগে দাপিয়ে বেড়ায় যে সমুদ্রদানব, তারই নাম সুনামি। সুনামির সৃষ্টি, বৈশিষ্ট্য এবং তার ধ্বংসলীলা_ বোধের সীমানায় নিয়ে আসা জরুরি হয়ে পড়েছে এ মুহূর্তে। কিন্তু কেন? বিবিধ কারণের মধ্যে বিপর্যয় মোকাবিলা (Disaster Management)-র বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বাংলায় এই প্রথম বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আলোচিত হল সুনামি।
মহাভারত-এর দ্বাদশ অধ্যায়ে বর্ণিত শান্তিপর্বে, শ্রীকৃষ্ণের অনুরোধে শরশয্যায় শায়িত পিতামহ ভীষ্ম ধর্মরাজ যুধিষ্ঠিরকে পালনীয় রাজধর্ম প্রসঙ্গে ধর্ম, অর্থ, কাম ও মোক্ষের যে পাঠ দান করেন, সেই উপদেশাবলির অনুপুঙ্খ আলোচনাই এই গ্রন্থ।
একুশ শতকে এসেও রাজধর্মের সেই শাশ্বত পাঠ আধুনিক রাষ্ট্র, সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বীয় প্রাসঙ্গিকতা অক্ষুণ্ণ রেখেছে।
ব্যক্তিগত স্মৃতির ঊর্ধ্বে উঠে এই আত্মজীবনী বিংশ শতাব্দীর প্রথম অর্ধে ক্রমশ বদলে যেতে থাকা গ্রামবাংলার সামাজিক, শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক জীবনের এক ব্যতিক্রমী দলিল।
সেই সময়ের গ্রামীণ জীবন, সংস্কার, কুসংস্কার, পারিবারিক বন্ধন- ছবির মতো ভেসে ওঠে পাঠকের চোখের সামনে। লেখকের অনবদ্য বর্ণনাশৈলী সবকিছুকেই এমন এক পরিহাসাশ্রিত শ্লেষের ঢঙে পরিবেশন করে যে, প্রতিটি পৃষ্ঠাই হয়ে ওঠে পাঠযোগ্য।
সব মিলিয়ে, গাঁইয়ার আপনকথা আত্মজীবনীর আড়ালে বহুস্বরিক এক ভাষ্য- ব্যক্তিবিশেষের জীবনকথা হয়েও যা সমকালীন মানুষ ও সমাজের কথা বলে অকপটে।
Reviews
There are no reviews yet.