ডিঙিনৌকো বাংলা শিশুসাহিত্যের বৃহত্তম বার্ষিকী
করোনাকে হার মানিয়ে, ফের খুলে গেছে তোমাদের স্কুল। আবারও ক্লাসরুম, প্রিয় সহপাঠী আর শিক্ষকদের সান্নিধ্য। খেলার মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে হুটোপুটি, পৃথিবীর সব রং ছুঁয়ে নিতে বেরিয়ে পড়া- এখন ইচ্ছে হলেই! তোমাদের চিরসবুজ মনকে সঙ্গী করে
প্রতিবারের মতো এবারও ডিঙিনৌকো দুর্নিবার।
ছড়া-কবিতা, গল্প-উপন্যাস, কমিক্স, নিবন্ধ, কুইজ-এর ডালি সাজিয়ে, কল্পনার নদীতে দাঁড় বেয়ে নিরন্তর সে ভেসে চলেছে অজানা, অদেখা কোনো স্বপ্নের দেশের উদ্দেশে!
এ কালের এক প্রবীন লিজেন্ডের নিজের দেখা ও বাবার কাছে শোনা মজার মজার কান্ড , প্রায় অবিস্সাস্য ঘটনা I
শৈলেন ঘোষ
কল্পনার জাদুকলমে ছুঁয়ে যাওয়া শৈশব-কৈশোর। অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে যিনি ব্রতী থেকেছেন এ-নির্মাণে, তিনি শৈলেন ঘোষ। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পর শৈলেন ঘোষই সবচেয়ে সার্থকভাবে ছোটোদের জন্য সৃষ্টি করেছেন শব্দ-ছবির ভিন্ন এক জগৎ। রূপকথা, লোককথার প্রচলিত আঙ্গিকে নয়। নিজস্ব ঢঙে ছোটোদের তিনি শুনিয়েছেন তাঁর কাহিনি। স্বপ্নের কল্পনালোকেই শুধু তাঁর বিচরণ নয়, প্রায়শই তিনি নেমে এসেছেন মাটির পৃথিবীতে। সচেতনভাবেই তাঁর গল্প ছোটোদের মনে জাগাতে চায় শুভবোধ। কিন্তু কখনোই তা আরোপিত বলে মনে হয় না। ভাষার জাদুতে সঙ্গী করে নেন খুদে পাঠককে। লেখকের শ্রেষ্ঠ দশটি উপন্যাস-এ রইল আমার নাম টায়রা, হুপ্পোকে নিয়ে গপ্পো, মিতুল নামে পুতুলটি, খুদে যাযাবর ইসতাসি, বন-সবুজের দ্বীপে, পিরামিডের দেশে, মা এক নির্ভীক সৈনিক, নাচ রে ঘোড়া নাচ, ভালোবাসার ছোট্ট হরিণ এবং আয় বৃষ্টি রিমঝিম।
দীপান্বিতা রায়
বাহনদের আমরা চিনি। দেবদেবীদের পায়ের কাছে চুপটি করে বসে থাকে। কিন্তু কেমন করে বাহন হল তারা? গণেশ কেন বাছল ইঁদুরকে কিংবা লক্ষ্মী প্যাঁচাকে? জানতে হলে পড়তেই হবে বাহনের বায়নাক্কা।