এতে বিধৃত রয়েছে ‘বন্দে মাতরম্’ রচনার প্রেক্ষাপট-সহ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই সংগীতের স্পর্শধন্য ইতিহাসের অক্ষয় পরিচয়বাহী প্রতিটি মুহূর্ত। রবীন্দ্রনাথের সতীর্থ হরিশচন্দ্র হালদার-সহ বহু কৃতবিদ্য, বরেণ্য শিল্পীর মহত্তর লক্ষ্যে উত্তীর্ণ শিল্পকর্ম, প্রাজ্ঞ মনীষীদের বঙ্কিম-প্রশস্তি, নানা ভাষায় ‘বন্দে মাতরম্’-এর তরজমা, দুষ্প্রাপ্য আলোকচিত্র, বঙ্কিমচন্দ্র এবং তাঁর অমর সৃষ্টি ‘বন্দে মাতরম্’ সম্পর্কিত স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম এবং প্রচারপত্র, ভারতীয় পতাকার বিবর্তন, বিদেশে গীত ‘বন্দে মাতরম্’, দেশাত্মবোধক কবিতা ও গান, বঙ্গ বিভাগের বিক্ষুব্ধ পরিবেশের চিহ্নবাহী স্মারক, জালিয়ানওয়ালাবাগ প্রসঙ্গ, অমৃতবাজার পত্রিকা, অনুশীলন সমিতি, যুগান্তর পত্রিকা-র অনুষঙ্গ, ভারতের জাতীয় কংগ্রেস এবং ‘বন্দে মাতরম্’ প্রসঙ্গ, শ্রীঅরবিন্দ ও ‘বন্দে মাতরম্’, ‘বন্দে মাতরম্’-নির্ভর চলচ্চিত্রের পুস্তিকা ও বিজ্ঞাপন, মুদ্রায় উৎকীর্ণ ‘বন্দে মাতরম্’, বিজ্ঞাপনে ‘বন্দে মাতরম্’, ‘বন্দে মাতরম্’-এর জনপ্রিয় রেকর্ড প্রসঙ্গ, আনন্দমঠ উপন্যাসের কাহিনির পটভূমিতে স্থাপিত ‘বন্দে মাতরম্’- মুদ্রিত পৃষ্ঠা, বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রচ্ছদ, শিশুশিল্পীদের আঁকা ‘বন্দে মাতরম্’ ভাবমূল-নির্ভর চিত্র এবং মনীষীদের দৃষ্টিতে ‘বন্দে মাতরম্’।
পথের পাঁচালী || PATHER PANCHALI
পথের পাঁচালী কেবল অপু-দুর্গার শৈশবের কাহিনি নয়; এটি জন্ম, স্বপ্ন, অভাব, বিচ্ছেদ ও মৃত্যুকে অতিক্রম করে মানুষের অনন্ত পথচলার এক শাশ্বত জীবনদর্শন-যেখানে শেষপর্যন্ত পথই হয়ে ওঠে জীবনের সবচেয়ে গভীর প্রতীক।
চোখের বালি || CHOKHER BALI
চোখের বালি মানবহৃদয়ের সেই আয়না, যেখানে বিনোদিনীর আগমনে মহেন্দ্র, আশালতা ও বিহারীর জীবনে প্রেম, আকাঙ্ক্ষা, ঈর্ষা ও আত্মমর্যাদার নানা প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে।
সময়ের ব্যবধান পেরিয়েও সেই আয়না আজও আমাদের চেনা সম্পর্কের অন্তরালে লুকিয়ে থাকা অচেনা সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করায়।
দেবদাস || DEBDAS
₹200.00দেবদাস প্রেমের সমাপ্তির গল্প নয়; বরং এমন এক ভালোবাসার কাহিনি, যার পূর্ণতা অসম্ভব হয়ে গিয়েও যার প্রতিধ্বনি কখনও শেষ হয় না।
এখানে প্রেমের পাশাপাশি আছে অহংকার, সামাজিক অনুশাসন, দুর্বলতা, আত্মবিনাশী অনুশোচনা এবং হারিয়ে ফেলা সম্ভাবনার গভীর মনস্তত্ত্ব।
পাতা শেষ হয়ে যায়, গল্প শেষ হয়ে যায়- কিন্তু দেবদাসের অসমাপ্ত প্রশ্নটি পাঠকের হৃদয়ে দীর্ঘকাল থেকে যায়।
পদ্মানদীর মাঝি || PADMA NADIR MAJHI
পদ্মার বুকের প্রান্তিক মানুষের জীবন, প্রেম, দারিদ্র্য, আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তির স্বপ্নকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই উপন্যাস মানব-অস্তিত্বের এক গভীর ও কালজয়ী পাঠ।
ময়নাদ্বীপের রহস্যময় স্বপ্নের মধ্য দিয়ে বাস্তব জীবন ও অজানার আকর্ষণ এখানে এক অনন্য শিল্পসুষমায় মিলিত হয়েছে।
সমসাময়িক দৃষ্টিতে সুনীতিকুমার / SAMASAMAYIKA DRSTITE SUNITI KUMAR
সম্পাদনা পল্লব মিত্র
আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় একালের প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব। বাংলা তথা ভারতের শিক্ষা-সংস্কৃতি-ভাষাতত্ত্ব ও সমাজজীবনে তাঁর অবদানের প্রসঙ্গ ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের সাহিত্য-সংস্কৃতি জীবনের বহু স্বনামধন্য ব্যক্তি আলোচ্য সংকলনে সুনীতিকুমারের জীবন ও জীবনের নানা কথা ব্যক্ত করেছেন। তাঁর ছাত্র বা ছাত্রস্থানীয় অনেকেই নানা আলোয় আচার্যকে বোঝবার ও বোঝাবার প্রয়াস পেয়েছেন। নানা কারণেই তাই এই সংকলন গ্রন্থটি সুনীতিকুমারের জীবন তথা বাংলার শিক্ষা-সংস্কৃতির এক উল্লেখযোগ্য দলিল হিসেবে পরিগণিত হবার দাবি রাখে। ২০০৯ সালে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১২০ বছরে পদার্পণ করবেন। তাঁর প্রয়াণের পর তিন দশক অতিক্রান্ত হলেও সেভাবে সুনীতিকুমারের বিস্তৃত কর্মকাণ্ডের পরিচয়বাহী কোনো বই সেভাবে পাঠকদের হাতে আসেনি। এমনকী সুনীতিকুমারের পুঙ্খানুপুঙ্খ উজ্জ্বল জীবনের দিনগুলোর কথাও যথাযথ গ্রন্থভুক্ত হয়েছে কি ? ১৯৭৭ সালে তাঁর প্রয়াণের পরই, তাঁকে নিয়ে যে-বিস্তৃত আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছিল, যার ফলশ্রুতি হিসেবে, সমসাময়িক দৃষ্টিতে সুনীতিকুমার গ্রন্থের প্রকাশ, সেই বইটির নতুন পরিবর্ধিত সংস্করণ প্রায় পঁচিশ বছর পর পাঠকদের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হল।
পথে প্রবাসে ও নির্বাচিত প্রবন্ধ / PATHE PRABASE O NIRBACHITA PRABANDHA
অন্নদাশঙ্কর রায়
অন্যান্য ভ্রমণকাহিনির থেকে পথে প্রবাসে-র স্বাতন্ত্র্য এইখানেই যে, অন্নদাশঙ্করের চোখ শুধু অবলোকন করেই থেমে থাকেনি, তা তাঁর মনকে প্ররোচিত করেছে অনুভবী বিশ্লেষণে। প্রাচ্য পাশ্চাত্যের নিরন্তর তুলনা করে তিনি উপনীত হয়েছেন গভীর দার্শনিক উপলব্ধিতে।
যখন অন্নদাশঙ্কর লেখেন, ‘পৃথিবী দিন দিন বদলে যাচ্ছে, মানুষ দিন দিন বদলে যাচ্ছে_কিন্তু উন্নতি? প্রগতি? পারফেকশন? তা কোনোদিন ছিলও না, কোনোদিন হবারও নয়়’, তখন আমরা অনুভব করি ইতিহাস সচতেন তো তিনি বটেই, সেই সঙ্গে পরম প্রজ্ঞাময় এক দ্রষ্টাও।
প্রলয়ংকারী সুনামি / Prolayangkari Tsunami
জল ও স্থলের সন্ধিরেখায় দামাল দুর্যোগে দাপিয়ে বেড়ায় যে সমুদ্রদানব, তারই নাম সুনামি। সুনামির সৃষ্টি, বৈশিষ্ট্য এবং তার ধ্বংসলীলা_ বোধের সীমানায় নিয়ে আসা জরুরি হয়ে পড়েছে এ মুহূর্তে। কিন্তু কেন? বিবিধ কারণের মধ্যে বিপর্যয় মোকাবিলা (Disaster Management)-র বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বাংলায় এই প্রথম বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আলোচিত হল সুনামি।