অন্নদাশঙ্কর রায়
অন্যান্য ভ্রমণকাহিনির থেকে পথে প্রবাসে-র স্বাতন্ত্র্য এইখানেই যে, অন্নদাশঙ্করের চোখ শুধু অবলোকন করেই থেমে থাকেনি, তা তাঁর মনকে প্ররোচিত করেছে অনুভবী বিশ্লেষণে। প্রাচ্য পাশ্চাত্যের নিরন্তর তুলনা করে তিনি উপনীত হয়েছেন গভীর দার্শনিক উপলব্ধিতে।
যখন অন্নদাশঙ্কর লেখেন, ‘পৃথিবী দিন দিন বদলে যাচ্ছে, মানুষ দিন দিন বদলে যাচ্ছে_কিন্তু উন্নতি? প্রগতি? পারফেকশন? তা কোনোদিন ছিলও না, কোনোদিন হবারও নয়়’, তখন আমরা অনুভব করি ইতিহাস সচতেন তো তিনি বটেই, সেই সঙ্গে পরম প্রজ্ঞাময় এক দ্রষ্টাও।
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
এই পঁচিশটি কিশোর গল্পে ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় জয় করে নিয়েছেন ছোটো-বড়ো সকলের মন। বিচিত্র বিষয়ক গল্পগুলির প্রায় প্রত্যেকটিই মনুষ্যত্ববোধের উদ্বোধনে সমুজ্জ্বল। নানান মাত্রায় বাঁধা এই গল্পসংকলন পড়লে কখনো চোখ উঠবে বাষ্পাকুল হয়ে, আবার কখনো মন ভরে উঠবে দুরন্ত কৈশোরের অমলিন আনন্দে।
দীপক দে
সঙ্গীতের ইতিহাস মানবজাতির ইতিহাসের মতোই মহাকালের গহ্বরে লীন হয়ে আছে। তাই বেদ-পূর্ব সঙ্গীতের ইতিহাস থেকে গেছে অজ্ঞেয়। সঙ্গীতের প্রথম আভাস পাওয়া যায় ঋগ্বেদের উদাত্ত, অনুদাত্ত, স্বরিত, প্রচিত, কম্প প্রভৃতি স্বরে। তারপর সামবেদের সপ্তস্বরের ঝরনাধারায় সৃষ্টি হলো সঙ্গীত মহাসাগর। সৃষ্টি হলো মার্গ ও শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের_সৃষ্টি হলো রাগরাগিণীর অপার ঐশ্বর্যের। উদ্গাতার সামগানে তুষ্ট হন অভীষ্ট দেবতা_তুষ্ট হন স্বয়ং ঈশ্বর।
সামসঙ্গীত শুধু ভারতীয় সঙ্গীতের নয়, পৃথিবীর সব সঙ্গীতেরই আদি।