পথের পাঁচালী কেবল অপু-দুর্গার শৈশবের কাহিনি নয়; এটি জন্ম, স্বপ্ন, অভাব, বিচ্ছেদ ও মৃত্যুকে অতিক্রম করে মানুষের অনন্ত পথচলার এক শাশ্বত জীবনদর্শন-যেখানে শেষপর্যন্ত পথই হয়ে ওঠে জীবনের সবচেয়ে গভীর প্রতীক।
পদ্মার বুকের প্রান্তিক মানুষের জীবন, প্রেম, দারিদ্র্য, আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তির স্বপ্নকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই উপন্যাস মানব-অস্তিত্বের এক গভীর ও কালজয়ী পাঠ।
ময়নাদ্বীপের রহস্যময় স্বপ্নের মধ্য দিয়ে বাস্তব জীবন ও অজানার আকর্ষণ এখানে এক অনন্য শিল্পসুষমায় মিলিত হয়েছে।
সেখানে কি সত্যিই লুকিয়ে রাখা আছে কোনো এক এঞ্জেল বা ফেরেশতাকে? ঘুমের ঘোরে অলিভার সাহেব কেন ‘গ্রেইফ গ্রেইফ’ বলে চিৎকার করতেন? কলকাতা থেকে বুরুল গ্রামে এসে হঠাৎ উধাও হয়ে যান প্রোফেসর ঝা। নিরুদ্দেশ না কি অপহরণ? বুরুল গ্রামে মাস্ক পরে অথবা ছদ্মবেশে আজকাল কারা ঘুরে বেড়ায়? রহস্যময় সাহেববাড়ির কবরের মধ্যে লুকিয়ে আছে কোন রহস্য?
ফারুক আখতারের এই রুদ্ধশ্বাস উপন্যাসের পাতায় পাতায় চমক।
হিউমারের সঙ্গে এখানে মিশেছে থ্রিল, অজানা ইতিহাসের সঙ্গে থ্রিলার!
হেঁয়ালি ভেদ করে এই রহস্যের জট ছাড়াবে কে?