বিশ্বমনাঃ রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে সুনীতিকুমার বিভিন্ন সময়ে যে প্রবন্ধগুলি রচনা করেছিলেন, এই গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে ভাষাচার্যের সেই রচনাগুলি। সেইসঙ্গে স্থান পেয়েছে উভয়ের মধ্যে বিনিমিত চিঠিপত্রও।
উত্তর কলকাতার বনেদি দত্ত জুয়েলার্সের নতুন প্রজন্ম কুন্তল। যেমন চোস্ত সে কারাটেতে, তেমনই অব্যর্থ জ্যোতিষী হিসেবে। নিমরাজি হয়ে পারিবারিক ব্যাবসায় নামতে হলেও বিয়েতে তার মত নেই। আইনজীবী বন্ধু টোটার সঙ্গে সে-ও বদ্ধপরিকর ব্রহ্মচর্য পালনে। কিন্তু এলগিন রোডের পুরোনো বাড়ির দেওয়ালে লুকোনো গুপ্তধন পেয়ে যাওয়ার পর থেকেই অনিবার্য সব বিপর্যয় নেমে আসতে থাকে তার জীবনে।
রূপক সাহার সাম্প্রতিক এই থ্রিলারে একের পর এক অপ্রত্যাশিত মোচড়ে উন্মোচিত হয়েছে অলঙ্কার তথা রত্ন ব্যাবসার ঈষৎ অপরিচিত জগৎ – তার আলো ও অন্ধকার!
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ-এর সর্বশেষ নির্দেশিকা মেনে লিখিত, উন্নততর সংস্করণ
উনিশ শতকের বাংলায় নবজাগরণের অন্যতম অগ্রপথিক পণ্ডিত মদনমোহন তর্কালঙ্কারের জীবন ও কর্মের এক সামগ্রিক প্রতিবেদন এই গ্রন্থে উপস্থাপিত। একজন সংস্কৃতজ্ঞ পণ্ডিত, কবি ও সাহিত্যিক, সমাজসংস্কারক, স্ত্রী-শিক্ষা ও শিশুশিক্ষার পথপ্রদর্শক এবং দক্ষ প্রশাসকের পরিচয়ে তাঁর স্বল্পস্থায়ী জীবনকাল বস্তুতপক্ষে এক মহাজীবনেরই ইতিকথা।
বর্তমান গ্রন্থে সমকালীন চিন্তাবিদদের অভিজ্ঞান এবং পরবর্তীকালের গবেষকবৃন্দের অন্তর্দৃষ্টিকে পাথেয় করে বিস্মৃতির অন্তরাল থেকে তাঁকে নতুন আলোকে উদ্ভাসিত করে তোলার এক বিনম্র প্রয়াস গৃহীত হয়েছে।
আধুনিক বাংলা কাব্য ও নাট্যসাহিত্যের অগ্রদূত মাইকেল মধুসূদন দত্ত আক্ষরিক অর্থেই ধারণ করেছিলেন ভারতীয় রেনেসাঁসের প্রায় সকল যুগচিহ্ন।
বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির ইতিহাসে তিনিই আধুনিকতার পুরোধা পুরুষ। তাঁর হাত ধরেই বাংলা কাব্য ও নাট্যসাহিত্যে-প্রতীচ্য ও প্রাচ্যের অলঙ্কারশাস্ত্র ও রচনাশৈলী মিলেমিশে-প্রথম আন্তর্জাতিকতার অনুরণন শোনা যায়।
ঋষি দাস বিরচিত ‘মাইকেল মধুসূদন’ যুগান্তকারী সেই ইতিহাসপুরুষের অস্থির জীবন ও অপরিমেয় শিল্পপ্রতিভার এক বিশ্বস্ত ধারাবিবরণী। উনিশ শতকীয় বাংলার সমাজ, শিক্ষাব্যবস্থা, ধর্মসংঘাত ও সাংস্কৃতিক রূপান্তরের অমূল্য দলিল হিসেবেও
বইটি অবশ্যপাঠ্য।