| অন্ধকারের বিপ্রতীপে আলোর পথযাত্রী এ উপমহাদেশের যে দুই লড়াকু সৈনিক , সেই কৈলাশ সত্যার্থী ও মালালা ইউসুফজাই – এর অকুতোভয় জীবনকথা এই প্রথম একসঙ্গে । ২০১৪ – এর অক্টোবরে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন কৈলাশ সত্যার্থী ও মালালা ইউসুফজাই । |
অধ্যাপক মনকুমার চক্রবর্তী
এই বইয়ের প্রথম দিকেই আছে গ্রিক গণিতের দুই দিকপাল পিথাগোরাস ও ইউক্লিডের কথা। আছে বিভিন্ন ধরনের সংখ্যার, বিশেষ করে জটিল সংখ্যার কাহিনি। গণিতে ‘শূন্য’-এর ‘কিছু না’ থেকে সংখ্যা হয়ে ওঠার কাহিনি। আছে গণিতে ‘অসীম’-এর ভূমিকা এবং ‘অসীম’ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা। সবশেষে আশা করা যায় ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে গণিতপ্রেম জাগিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এই বই গণিত শিক্ষকদের যথেষ্ট সাহায্য করবে।
মনোজ বড়ুয়া
পঞ্চম বেদ হিসেবে আখ্যাত ভারতীয় আয়ুর্বেদশাস্ত্রের সাফল্যের মূলে ভারতীয় ভেষজ ও লোক-ওষধি। বিভিন্ন রোগের অব্যর্থ নিরাময়ে এদের প্রয়োগ সুপরীক্ষিত। আদিবাসী সমাজে অসংখ্য মানুষ আজও লোক-ওষধিকেই রোগ নিরাময়ের নির্বিকল্প উপায় মনে করে। ভারতের মতো গরিব দেশে এমন সুলভ ও সহজ চিকিৎসাপদ্ধতির তাৎপর্য ও উপযোগিতা অপিরসীম। এই বইয়ে রইল ভারতীয় ভেষজ ও লোকচিকিৎসার এক প্রাঞ্জল ভাষ্য।
জগতের নাথ বা পিতা যিনি, তিনিই প্রভু জগন্নাথ। তিনি আদি। তিনি অনন্ত। অন্যান্য ঠাকুরের মতো তাঁর বিসর্জন নেই। শুধু আছে এক কলেবর থেকে অন্য কলেবর ধারণ। যে-বছর আষাঢ় মাস মলমাস হিসেবে নির্ধারিত হয়, সে মাসেই প্রভু তাঁর পুরোনো শরীর ত্যাগ করে নতুন দেহে প্রবেশ করেন। নতুন এই কলেবর প্রস্তুত হয় শঙ্খ, চক্র, গদা, পদ্ম চিহ্নবিশিষ্ট দারুবৃক্ষ দিয়ে।
ড. অমিতাভ দাস
মতভেদ থাকলেও, হোমিয়োপ্যাথি সম্পূর্ণ বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসাপদ্ধতি। এই সত্য মেনে নিয়েই গ্রন্থটিতে হোমিয়োপ্যাথির দর্শন ও বিজ্ঞানকে আরও যুক্তিসহকারে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের রোগের চিকিৎসা হোমিয়োপ্যাথিক বিধিমতে কীভাবে করলে স্থায়ী ও প্রকৃত আরোগ্যলাভ সম্ভব, তা সাধ্যমতো বিশ্লেষণ করা হয়েছে। যেসব রোগলক্ষণের ওপর নির্ভর করে হোমিয়োপ্যাথিক চিকিৎসকরা চিকিৎসা করে থাকেন, বইটি সেইসমস্ত ডায়াগনসিসের ভিত্তিতেই রচিত। বর্তমান ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশে কর্পোরেটশাসিত মুনাফালোভী স্বাস্থ্যব্যবস্থায় অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা যখন ক্রমেই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে, তখন হোমিয়োপ্যাথির আরও প্রচার ও প্রসার প্রয়োজনীয়। এই হ্যান্ডবুক সেই উদ্দেশ্যকেও সফল করবে।
এই গ্রন্থের সামাজিক অবক্ষয়ের কদর্যতম রূপ। কিছু নিবন্ধ আবার মাধুর্য ও মানবিক সম্পদে সমৃদ্ধ। একের পর এক প্রবন্ধে আলোকিত হয়েছে এতাবৎ অজ্ঞাত বিবিধ বিষয়- তা সে পৃথিবীর প্রাচীনতম মৃৎপাত্রই হোক, কিংবা কলকাতার মৃত্যুজগৎ।
যশস্বী সাংবাদিক গোপালকৃষ্ণ রায়ের জন্ম ওপার বাংলায়। কিন্তু তাঁর মনন ও চেতনা পরিপু্ষ্ট হয়েছে এপার বাংলার কৃষ্ণনগরে- এক ঐতিহ্যময় সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে।
গ্রন্থনা: সুকুমার চট্টোপাধ্যায়
সম্পাদনা: বারিদবরণ ঘোষ
শ্রীনিকেতনের ইতিহাস অসম্পূর্ণ থেকে যাবে, যদি আমরা নানা বৃত্তান্তে ভরপুর দ্বিতীয় ডায়েরির পাতা না-ওলটাই। আর প্রথমটিতে আমরা পেয়ে যাব রবীন্দ্রনাথ প্রদত্ত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতার সুকুমার-কৃত অনুলিপি। রবীন্দ্রনাথ নিজেই আবার সেই শ্রুতিলিখন সংশোধন করে দেন। ‘Gleanings’ নামক এই খাতাটি কবিমানসের স্বরূপ উন্মোচনে এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল।