EKADASH BHUGOL-11 (SEMESTER- I) / একাদশ ভূগোল-১১ (SEMESTER- I) [Free Reference]
₹204.00পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাসংসদ প্রবর্তিত ২০২৪ সালের Semester-ভিত্তিক নতুন Syllabus, Question Pattern ও Marks Distribution অনুসারে রচিত
পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাসংসদ প্রবর্তিত ২০২৪ সালের Semester-ভিত্তিক নতুন Syllabus, Question Pattern ও Marks Distribution অনুসারে রচিত
ছেলেমেয়েদের জন্য সচিত্র মাসিক পত্র (দ্বিতীয় বর্ষ, বৈশাখ-চৈত্র ১৩২১)
শ্রীউপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর সম্পাদিত
২২ নং সুকিয়া স্ট্রিটের বাড়ি থেকে গোড়ার দিকে ‘সন্দেশ’ প্রকাশিত হত। মুদ্রক ও প্রকাশক ছিলেন ললিতমোহন গুপ্ত। পত্রিকাটি মুদ্রিত হত ৬৪/১ নং সুকিয়া স্ট্রিটে অবস্থিত লক্ষ্মী প্রিন্টিং ওয়ার্কস থেকে। ছড়া, রূপকথা, লোককথা, ইতিহাস, পুরাণ, আবিষ্কারের গল্প কিংবা নিখাদ কল্পকাহিনি_ শিশুসাহিত্যের এমন কোনো শাখার কথাই ভাবা যায় না, যা উপেন্দ্রকিশোরের লেখনীর জাদুস্পর্শে নবপ্রাণে সজ্জীবিত হয়নি। ছোটোদের রামায়ণ থেকে শুরু করে তাঁর লেখা সব গ্রন্থগুলোই বাংলা শিশুসাহিত্যের চিরায়ত সম্পদ। তেমনই তাঁর গুপিগাইন, বাঘা বাইন, বোকা জোলা, ঘ্যাঁঘাসু প্রমুখ চরিত্র তাদের জন্মলগ্ন থেকে শুরু করে আজ অবধি অবিস্মরণীয়। রেখায়-লেখায় অনবদ্য সন্দেশ উপেন্দ্রকিশোর সম্পাদনা পর্বেই অর্জন করেছিল অবিশ্বাস্য জনপ্রিয়তা। শুধু সমসাময়িক শিশুসাহিত্য প্রকাশনার ক্ষেত্রেই নয়, আন্তর্জাতিক নিরিখেও এই পত্রিকাটি ছিল অগ্রগামী। গল্প. কবিতা, গান, প্রবন্ধ, জীবনী, ভ্রমণকাহিনি, ভুগোল, বিজ্ঞান ও ইতিহাস বিষয়ক লেখা, আবিষ্কারের গল্প, ধাঁধা, সংবাদ_ বিষয়বস্তুর বৈচিত্রময় পরিবেশনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন ধারার অলংকরণ এবং মুদ্রণ পারিপাট্য সন্দেশ-কে এনে দিয়েছিল এমন এক বহুমাত্রিকতা যা এর চিরকালীন আবেদন সৃষ্টির ক্ষেত্রে সহায়ক হয়েছিল। ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম পাদ থেকে ইংরেজি শিক্ষার বিস্তার, সামাজিক সংস্কার আন্দোলন এবং পাশ্চাত্য সাহিত্যের সঙ্গে নবপরিচয় বাংলা শিশুসাহিত্যের ক্ষেত্রে যে বৈপ্লবিক জাগরণের সূচনা করেছিল, সন্দেশ ছিল তারই উত্তুঙ্গ বিন্দু।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
‘নারীর দুঃখ’ হোক কিংবা ‘তেহেরানের স্বপ্ন’, প্রেম সুনীলের প্রতিটি গল্পে আলাদা এক চিত্রকল্প তৈরি করে। কখনো সেখানে আহত বাঘের মতো নায়ক চেটে নেয় নিজের ক্ষতস্থান, কখনও বা নায়িকাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে অনির্বচনীয় এক ভয়। দৃঢ় স্বাস্থ্যময়, গৌরবর্ণ উজ্জ্বল মুখ বৈমানিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে একটি গল্পে আরও মহীয়ান হয়ে উঠতে বলে মনীষার এক প্রেমিক, আরেক গল্পে প্রথমে যেমন জাহাজের মাস্তুলটুকু শুধু দেখতে পাওয়া যায়, তেমনি দূরে অবিনাশ দেখতে পায় রানির সুডৌল হাতটিকে। ‘মঞ্জরী’ গল্পে মঞ্জরীকে দেখে কথকের মনে হয় পৃথিবীতে কোনো ময়লা নেই, দুর্গন্ধ নেই, ঘাম নেই। কোথাও মানুষকে মানুষ মারছে না। মোলায়েম স্নিগ্ধ হাওয়ায় পৃথিবীটা ভরে গেছে। রাস্তা হয়ে যায় নদী, দুজনে দুদিকে, পার হবার উপায় নেই। ট্যাক্সির ব্রেক কষার দারুণ শব্দে রুক্ষ বাস্তবে ফিরে আসে কাহিনি। এইভাবেই বাস্তব আর কল্প-বাস্তব, স্বপ্ন আর দূরত্ব, প্রতীক্ষা আর ব্যর্থতা তৈরি করে প্রেমের অনিঃশেষ এক আখ্যান। স্বভাবতই, ‘রোম্যান্টিক’ বা অন্য কোনো সীমায়িত অভিধা তিরিশটি গল্পে ব্যাপ্ত বিচিত্র এই অনুভবরাশির নির্যাসকে আঘ্রাণ করতে অক্ষম।